
নেপালে
ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় নিহত বৈশাখী টেলিভিশনের রিপোর্টার ফয়সাল
আহম্মেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ডামুড্যা উপজেলা সদরে
পূর্ব মাদারীপুর কলেজ মাঠে জানাজা শেষে ডামুড্যা বাজারে তার নিজ বাড়ি সরদার
গার্ডেনে দাফন করা হয়। ফয়সাল শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার সিধলকুড়া
গ্রামের হাজি শামসুদ্দিন সরদারের ছেলে। স্বজনরা জানান, সোমবার রাত ৩টায় তার
নিজ গ্রামের বাড়িতে লাশ আনা হয়। লাশ দেখে নিহতের মা শামসুন্নাহার বেগম
জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বাবা শামসুদ্দিন সরদার বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। ছাত্রলীগের
সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী, ডামুড্যা পৌর মেয়র হুমায়ুন কবীর বাচ্চু ছৈয়াল
জানান, লাশ সকাল ১০টায় ডামুড্যা উপজেলা সদরে পূর্ব মাদারীপুর কলেজ মাঠে
জানাজা শেষে ডামুড্যা বাজারের তার নিজ বাড়ি সরদার গার্ডেনে দাফন করা হয়।
এ
সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী, ডামুড্যা পৌর মেয়র
হুমায়ুন কবীর বাচ্চু ছৈয়াল, ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি,
ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজী আকতার, ফয়সালের কর্মস্থলের
সহকর্মীবৃন্দ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার লোক জানাজায়
অংশ নেন। জানাজা শেষে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ডামুড্যা উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিকসহ তার কর্মস্থলের সহকর্মীরা। এর আগে
গতকাল রাতেই ঢাকায় তার নিজ কর্মস্থল বৈশাখী টেলিভিশন ও ঢাকা রিপোর্টার্স
ইউনিটিতে আলাদাভাবে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ১২ মার্চ ফয়সাল বিমান দুর্ঘটনায়
নিহত হওয়ার পর তাদের বাড়িতে চলছিল শোকের মাতম। ৫ দিনের ছুটি নিয়ে ব্যক্তিগত
সফরে নেপালে যান ফয়সাল। সেখানে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। দুর্ঘটনার
পর সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে ১৯ মার্চ সোমবার বিকালে একটি বিমানে করে
শনাক্ত করা ফয়সালসহ ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
পৌঁছায়। অ্যাম্বুলেন্সে করে আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়ে সম্মিলিত জানাজা শেষে
পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
No comments:
Post a Comment