Monday, March 12, 2018

চাঁদপুরে ২৫ দোকান পুড়ে ছাই

চাঁদপুর শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজারের ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে প্রায় কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। সোমবার ভোরে বাজারের বকুলতলা রোডে বাসু ছৈয়ালের মুদি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিট দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল সাড়ে ৮টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। পাল বাজারের ব্যবসায়ী মুকবুল হোসেন জানান, বাজারের বকুলতলা রোডে এক দোকান আরেক দোকানের সঙ্গে লাগানো। বাসুর দোকানের আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আর এতে করে স্থানীয় লোকজন চেষ্টা করলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। দমকল বাহিনীর সদস্যরা খবর পেয়ে সকাল ৬টায় ঘটনাস্থলে আসে। এরই মধ্যে ২৫ দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তা ছাড়া কয়েকটি দোকানের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া বেশ কিছু ছোট দোকানের আংশিক পুড়ে গেছে।
চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস (উত্তর) স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফারুক আহম্মেদ জানান, ঘটনাস্থলে গাড়ি প্রবেশ করার মতো অবস্থা না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা বিলম্ব হয়। শহরের পুরাণবাজার স্টেশনসহ ফায়ার সার্ভিসের চার ইউনিট আড়াই ঘণ্টা কাজ করেছেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারণ করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন- নুরুল ইসলাম, মজিবুর রহমান, বোরহান, হাবীব, হাসান খান, হারুন পাটওয়ারী, আমিন মাতাব্বর, মোক্তার আহম্মেদ, সিরাজুল ইসলাম, মুকবুল হোসেন, শাহজাহান গোলদার, মনির জমাদার, মিজান জমাদার, মান্নান গাজী, আহম্মদ উল্যাহ, ফরিদ জমাদার, বাসু ছৈয়াল, হাবিবুর রহমান, রফিক জমাদার, আব্দুল মান্নান, শাহাদাত হাওলাদার, শামসুল হক পাটোয়ারী, হাবিব গাজী, সফিকুর রহমান গাজী ও মো. কামরুল ইসলাম। এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বেশিরভাগই সবজির আড়ত, ডিমের আড়ত, মুদি ও কনফেকশনারি।

No comments:

Post a Comment