Saturday, June 8, 2013

ফোন রেকর্ড ও ইন্টারনেটের তথ্য সংগ্রহের পক্ষে সাফাই

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক নাগরিকদের টেলিফোন রেকর্ড ও ইন্টারনেট সার্ভারের তথ্য গোপনে সংগ্রহ করার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান  গত বৃহস্পতিবার এক খবরে জানায়, মার্কিন একটি আদালতের গোপন আদেশে দেশটির মুঠোফোন কোম্পানি ভেরিজোনকে গ্রাহকদের ইলেকট্রনিক তথ্য-উপাত্ত ‘দৈনন্দিন ভিত্তিতে’ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান জেমস ক্ল্যাপার এক কড়া ভাষার বিবৃতিতে এই খবর প্রকাশকে ‘এখতিয়ার-বহির্ভূত উন্মোচন’ বলে আখ্যায়িত করেন। দিনের এ রকম সময়ে এ ধরনের বিবৃতি দেওয়া একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। বিবৃতিতে ক্ল্যাপার বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যেসব মহলের দিক থেকে দীর্ঘমেয়াদি হুমকির মুখে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে এ খবর প্রকাশ অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।’ এর আগেওয়াশিংটন পোস্ট ও গার্ডিয়ান পত্রিকা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইন্টারনেট সেবাদানকারী নয়টি প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে ঢুকে তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। এ প্রক্রিয়াটি ‘প্রিজম’ হিসেবে পরিচিত। ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান বলেন, সার্ভারের রেকর্ড টেপ করার খবর প্রকাশ করে দেওয়া ‘তিরস্কারযোগ্য’। ওয়াশিংটন পোস্ট বলেছে, প্রিজম কার্যক্রমে যে নয়টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ রয়েছে তারা হলো মাইক্রোসফট, ইয়াহু, গুগল, ফেসবুক, পালটক, এওএল, স্কাইপ, ইউটিউব ও অ্যাপল। ভেরিজোন তাদের গ্রাহকদের ফোন রেকর্ড গোয়েন্দাদের হাতে দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করেনি। মার্কিন প্রশাসন যে নয়টি ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের সার্ভারের তথ্য নিয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, তারা সরকারের এজেন্টদের তাদের সার্ভারে ঢুকতে দেয়নি। তবে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) লাখ লাখ গ্রাহকের ফোন রেকর্ড করার কথা স্বীকার করেছে। ক্ল্যাপার বলেন, ‘জাতিকে বিভিন্ন হুমকি থেকে রক্ষার জন্যই এটি করা হয়েছে।’ বিবিসি।

No comments:

Post a Comment