সিরিয়ার চলমান সংঘাতের আঁচ লেবাননেও ছড়িয়ে দেওয়ার ‘ষড়যন্ত্রের’
সমালোচনা করেছে লেবাননের সেনাবাহিনী। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে তারা জনগণের
প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। সিরিয়ায় লড়াইরত দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ
প্রতিবেশী লেবাননের ওপর প্রভাব ফেলেছে। সেখানেও বাশারের সমর্থক ও বিরোধীদের
মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। লেবাননের সেনাবাহিনী গতকাল শুক্রবার এক
বিবৃতিতে বলেছে, লেবাননকে পেছনের দিকে ঠেলে দিতে একটি অযৌক্তিক যুদ্ধের
মুখে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। জনগণকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে সামরিক
বাহিনীর পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লেবাননের
সামরিক বাহিনী অস্ত্রের জবাব অস্ত্র দিয়েই দেবে। সামরিক বাহিনী লেবাননকে
আঞ্চলিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে ধৈর্যসহকারে কাজ
করে যাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি মনে হচ্ছে বিভিন্ন গোষ্ঠী উত্তেজনার আগুনে
জ্বালানি জোগাচ্ছে। সিরিয়ায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধের
মধ্যে এই প্রথম এত কঠোর ভাষায় বিবৃতি দিল প্রতিবেশী লেবাননের সামরিক
বাহিনী। দেশটির কট্টরপন্থী শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সিরিয়ার সরকারের সঙ্গে
যোগ দিয়ে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়ছে। শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার হচ্ছে:
অস্ট্রিয়া গোলান মালভূমি থেকে শান্তিরক্ষী প্রত্যাহার করবে। জাতিসংঘের
ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স (ইউএনডিওএফ) হিসেবে সেখানে অস্ট্রিয়ার বেশ
কিছুসংখ্যক সেনা রয়েছে। সিরিয়ার বিদ্রোহী বাহিনী ইসরায়েল সীমান্তের একটি
ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর অস্ট্রিয়া এই অবস্থান নিল। জাতিসংঘের
কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, কুইনেত্রা ক্রসিংয়ে মর্টার হামলায়
ইউএনডিওএফের অধীনে সেখানে থাকা ফিলিপাইন ও ভারতের কয়েকজন সেনা আহত
হয়েছেন। অস্ট্রিয়ার ঘোষণার পর ফিলিপাইন বলেছে, তারাও গোলান মালভূমি থেকে
সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে। এএফপি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment