জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের হলফনামার
তথ্য চেয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ
সোমবার দুপুরে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ে পাঠানো
হয়। খবর বাসস।

নির্বাচন
কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ফরহাদ হোসেন জানান, আজ দুপুরে দুদকের
সহকারী পরিচালক হামিদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে
পৌঁছেছে। কমিশন সূত্র জানায়, দুদকের চিঠিতে রুহুল আমিন হাওলাদারের নবম ও
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার
কাছে দেওয়া হলফনামার তথ্য চাওয়া হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে হলফনামাসহ
সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত কপি পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে দুদক। ২০০৮
সালে নবম সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে এ বি এম রুহুল আমিন
হাওলাদার বরিশাল-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হন। সম্প্রতি জাপার মহাসচিব পদ
হারানো রুহুল আমিন হাওলাদার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ
নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশনে জমা
দেওয়া হলফনামায় রুহুল আমিন হাওলাদারের উল্লিখিত সম্পদের বাইরেও বিপুল
সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। বিশেষ করে কুয়াকাটায় তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পদ
রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। দুদক এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখছে।
অভিযোগ রয়েছে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের নগদ অর্থ ছিল ১৭ লাখ ৬৮ হাজারের কিছু বেশি। কিন্তু পাঁচ বছর পর এসে এখন তাঁর নিজের নগদ টাকাই আছে ছয় কোটি ৬৬ লাখের বেশি। ২০০৮ সালে তাঁর নামে কোনো শেয়ার বা বন্ড ছিল না। এখন তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নামে সাড়ে আট কোটি টাকার শেয়ার, দুটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি, প্লটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদ বেড়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, সে সময়ের জাপার মহাসচিব বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে আয় করেছেন এক কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। গতবার এ খাত থেকে আয় করেন ১৩ লাখ আট হাজার ৯৩৮ টাকা। সাংসদ ভাতা হিসেবে তাঁর বার্ষিক আয় ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬২৫ টাকা।
গত পাঁচ বছরে রুহুল আমিন হাওলাদার ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি এবং তাঁর স্ত্রী ৫৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি গাড়ির মালিক। স্ত্রীর কাছে ১০০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য অলংকার রয়েছে। আর রুহুল আমিন ধার দিয়েছেন ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এমনকি স্ত্রীকেও তিনি অর্থ ধার দিয়েছেন।
রুহুল আমিনের নামে গুলশানে ১২ দশমিক ৭ কাঠা জমি, স্ত্রীর নামে পূর্বাচলে সাড়ে ৭ কাঠা জমি, রুহুল আমিনের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন আছে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৮ টাকা মূল্যের। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে ২০০৮ সাল থেকেই ১০ লাখ টাকার দালান ও একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে বলে রুহুল আমিন হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের নগদ অর্থ ছিল ১৭ লাখ ৬৮ হাজারের কিছু বেশি। কিন্তু পাঁচ বছর পর এসে এখন তাঁর নিজের নগদ টাকাই আছে ছয় কোটি ৬৬ লাখের বেশি। ২০০৮ সালে তাঁর নামে কোনো শেয়ার বা বন্ড ছিল না। এখন তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নামে সাড়ে আট কোটি টাকার শেয়ার, দুটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি, প্লটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদ বেড়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, সে সময়ের জাপার মহাসচিব বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান ভাড়া থেকে আয় করেছেন এক কোটি ৬২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। গতবার এ খাত থেকে আয় করেন ১৩ লাখ আট হাজার ৯৩৮ টাকা। সাংসদ ভাতা হিসেবে তাঁর বার্ষিক আয় ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৬২৫ টাকা।
গত পাঁচ বছরে রুহুল আমিন হাওলাদার ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি এবং তাঁর স্ত্রী ৫৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৩০ টাকা দামের একটি গাড়ির মালিক। স্ত্রীর কাছে ১০০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য অলংকার রয়েছে। আর রুহুল আমিন ধার দিয়েছেন ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এমনকি স্ত্রীকেও তিনি অর্থ ধার দিয়েছেন।
রুহুল আমিনের নামে গুলশানে ১২ দশমিক ৭ কাঠা জমি, স্ত্রীর নামে পূর্বাচলে সাড়ে ৭ কাঠা জমি, রুহুল আমিনের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন আছে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৮ টাকা মূল্যের। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে ২০০৮ সাল থেকেই ১০ লাখ টাকার দালান ও একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে বলে রুহুল আমিন হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
No comments:
Post a Comment