নিবার্চন সুষ্ঠু ও অবাদ হলে নিজের বিজয় নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই চেয়ারম্যান
প্রার্থী। আলাদা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তারা এ দাবি করেন।
কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থিত
প্রার্থী অরুণাংশ দত্ত টিটু বলেন, সুষ্ঠু হলে আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ
নিশ্চিত। তবে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ২ দিন ধরে সংখ্যালঘু ভোটারদের
হুমকি-ধামকি দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। বহিরাগতদেরও আনাগোনা দেখা গেছে। বিএনপি
নেতারা বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন। তারা জামায়াত-শিবির দিয়ে এমনটি করাচ্ছেন।

অবশ্য
সকাল থেকে এ পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘঠনা ঘটেনি। কিন্তু ভোটারের উপস্থিতি
কম। আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমন দাবি করলেও সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে তার
পোলিং এজেন্ট শুভ্রত সরকার বলেন, সাধারণ ভোটাররা স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট
দিচ্ছেন। এদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তৈমুর রহমান টিটুর দাবি উড়িয়ে দিয়ে
বলেন, ভোট কারচুপি না হলে আমাকে বিজয়ী করবে ঠাকুরগাঁওবাসী। তারা আগেও ৩
বার ইউপি চেয়ারম্যান এবং একবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন আমাকে।
তিনি সংখ্যালঘুদের নিয়ে অভিযোগ খন্ডন করে বলেন, কিশের সংখ্যালঘু! তারা
যাদের সংখ্যালঘু বলছে তাদের ৬০ ভাগ ভোট আমি পাবো। যারা সংখ্যালঘু বিষয়টি
উপস্থাপন করছে তারা সাম্প্রদায়িক প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে।
এদিকে সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পাশের ঘোষপাড়া থেকে দুই বৃদ্ধা বান্ধবী এসেছেন ভোট দিতে। চেলের বউয়ের হাত ধরে কৃষ্ণা দাসী (৭৩) এবং ছেলের হাত ধরে এসেছেন আছিয়া (৭২)। তারা দুজনেই বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে ঠাকারগাঁওয়ে। কিছু লোক প্রচরণা চালিয়ে সুবিধা নিতে চায়। তবে ভোটাররা জানিয়েছেন, ৫ই জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে দুই বিএনপি কর্মী ও এক সহকারী প্রিজাইটিং অফিসার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এদিকে সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পাশের ঘোষপাড়া থেকে দুই বৃদ্ধা বান্ধবী এসেছেন ভোট দিতে। চেলের বউয়ের হাত ধরে কৃষ্ণা দাসী (৭৩) এবং ছেলের হাত ধরে এসেছেন আছিয়া (৭২)। তারা দুজনেই বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে ঠাকারগাঁওয়ে। কিছু লোক প্রচরণা চালিয়ে সুবিধা নিতে চায়। তবে ভোটাররা জানিয়েছেন, ৫ই জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে দুই বিএনপি কর্মী ও এক সহকারী প্রিজাইটিং অফিসার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
No comments:
Post a Comment