কলকাতার জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ভুমি’র ভোকালিস্ট সুরজিৎ। প্রিয়জনের কথা ভাবতে
ভাবতে লিখেছিলেন ‘বারান্দায় রোদ্দুর... তোমার দেখা নাই’। সেই গানই তাকে
দিয়েছে জনপ্রিয়তা। শুধু গানই নয় গিটার, বাশি, দোতারা, হারমোনিয়াম সহ কয়েকটি
যন্ত্রের ব্যবহারও জানেন তিনি। আর কবিতা হলে তো কথাই নেই। এই হলো তার
সংক্ষিপ্ত পরিচয়। প্রথম বারের মত বাংলাদেশে তার একটি অ্যালবাম প্রকাশ
হয়েছে। নাম ‘সুরজিৎ এর গান’।

সেই
সুবাদেই ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় ছিলেন তিনি। প্রথমবারের মত বাংলাদেশে
কাটালেন বৈশাখের প্রথম দিন। কেমন কাটল তার বাংলাদেশের বৈশাখ? কেনই বা
বাংলাদেশে তার আ্যালবাম? ‘ভুমি’ ব্যান্ড নিয়ে আগামী পরিকল্পনা কি? ঢাকা
থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।
কেমন কাটলো এবারের বৈশাখ?
প্রথমবারের মত এপার বাংলায় পহেলা বৈশাখ কাটালাম। একদম অন্যরকম। গান বাজনা, আওয়াজ সব মিলিয়ে একটা উত্তেজনাময় বৈশাখ কেটেছে। অবশ্য ধুলোবালিও ছিল। তারপরেও ধুলোবালির মধ্যে মানুষের মনের আনন্দটাই আমার কাছে ভালোলেগেছে।
বাংলাদেশে আপনার প্রথম অ্যালবাম বের হলো। শখ করেই এটা করা হয়েছে?
ঠিক শখ নয়। ছোট বেলায় বাংলাদেশের একটি গান শুনেছিলাম। শিরোনামটা এমন ‘আমি যারে চাইরে’। পরে অনেক চেষ্টা করেও গানটি আরেকবার শুনতে পারিনি। কি করি ভেবে না পেয়ে ঐ আঙ্গিকে নিজেই একটা গান লিখে ফেললাম। ঐটা ছিল আমার জীবনে এপার বাংলার গান শুনে প্রথম গান লেখা। তারপর তো চলছে আর চলছে। অবশ্য পরে খোঁজ নিয়েছি। গানটি লিখেছিলেন লাবু রহমান।
বাংলাদেশে অ্যালবাম বের করার আগ্রহটা কি সেখান থেকেই?
হ্যাঁ। তখন থেকেই ভেবেছি আমি আমার গান এপার বাংলাকে শোনাব। প্রায় চার বছর আগে বাংলাদেশে এসেছিলাম ‘ভুমি’ ব্যান্ডকে নিয়ে। তখন ‘বারান্দায় রোদ্দুর’ গানটি গেয়ে শ্রোতদের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছিলাম। এপার বাংলায় অ্যালবাম বের করার এটাও একটা কারণ।
এপার বাংলায় আমরা যেমন আপনাদের মত শিল্পীদের সাথে পরিচিত বা আপনাদের গান শুনি। সেদিক থেকে ওপার বাংলার কি অবস্থা?
ওপার বাংলাতেও বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলির সাথে পরিচয় আছে প্রায় সবার। মাইলস, এলআরবি এসব নামকরা ব্যান্ডের ভক্ত ওপার বাংলাতেও আছে। তবে এখানকার থেকে আমাদের ওখানে সুযোগটা কম। এই সুযোগটা বাড়ানো উচিৎ।
আবার কবে আসছেন এপার বাংলায়?
ঠিক করে বলতে পারব না। তবে শিগগিরই আসার চিন্তা আছে। কারণ আমি এপার বাংলার মানুষগুলোকে মিস করব।
কেমন কাটলো এবারের বৈশাখ?
প্রথমবারের মত এপার বাংলায় পহেলা বৈশাখ কাটালাম। একদম অন্যরকম। গান বাজনা, আওয়াজ সব মিলিয়ে একটা উত্তেজনাময় বৈশাখ কেটেছে। অবশ্য ধুলোবালিও ছিল। তারপরেও ধুলোবালির মধ্যে মানুষের মনের আনন্দটাই আমার কাছে ভালোলেগেছে।
বাংলাদেশে আপনার প্রথম অ্যালবাম বের হলো। শখ করেই এটা করা হয়েছে?
ঠিক শখ নয়। ছোট বেলায় বাংলাদেশের একটি গান শুনেছিলাম। শিরোনামটা এমন ‘আমি যারে চাইরে’। পরে অনেক চেষ্টা করেও গানটি আরেকবার শুনতে পারিনি। কি করি ভেবে না পেয়ে ঐ আঙ্গিকে নিজেই একটা গান লিখে ফেললাম। ঐটা ছিল আমার জীবনে এপার বাংলার গান শুনে প্রথম গান লেখা। তারপর তো চলছে আর চলছে। অবশ্য পরে খোঁজ নিয়েছি। গানটি লিখেছিলেন লাবু রহমান।
বাংলাদেশে অ্যালবাম বের করার আগ্রহটা কি সেখান থেকেই?
হ্যাঁ। তখন থেকেই ভেবেছি আমি আমার গান এপার বাংলাকে শোনাব। প্রায় চার বছর আগে বাংলাদেশে এসেছিলাম ‘ভুমি’ ব্যান্ডকে নিয়ে। তখন ‘বারান্দায় রোদ্দুর’ গানটি গেয়ে শ্রোতদের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছিলাম। এপার বাংলায় অ্যালবাম বের করার এটাও একটা কারণ।
এপার বাংলায় আমরা যেমন আপনাদের মত শিল্পীদের সাথে পরিচিত বা আপনাদের গান শুনি। সেদিক থেকে ওপার বাংলার কি অবস্থা?
ওপার বাংলাতেও বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলির সাথে পরিচয় আছে প্রায় সবার। মাইলস, এলআরবি এসব নামকরা ব্যান্ডের ভক্ত ওপার বাংলাতেও আছে। তবে এখানকার থেকে আমাদের ওখানে সুযোগটা কম। এই সুযোগটা বাড়ানো উচিৎ।
আবার কবে আসছেন এপার বাংলায়?
ঠিক করে বলতে পারব না। তবে শিগগিরই আসার চিন্তা আছে। কারণ আমি এপার বাংলার মানুষগুলোকে মিস করব।
No comments:
Post a Comment