ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ
নিলেন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে খোলা আকাশের নিচে
মোদিকে শপথ বাক্য পড়ান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা
৬টায় রাইসিনা হলে শপথ গ্রহনের পর নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর
সাথে কর মর্দন করেন। মোদির শপথ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
নওয়াজ শরিফ, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসে, আফগান প্রেসিডেন্ট
হামিদ কারজাই স্পিকার এবং বালাদেশের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর শপথ অনুষ্ঠানও ঐতিহাসিকভাবে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের প্রধানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪ হাজার গণ্যমান্য ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রীসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। মোদির সঙ্গে যে মন্ত্রীরা শপথ নিলেন তারা হলেন, পূর্ণমন্ত্রী রাজনাথ সিং(স্বরাষ্ট্র), অরুন জেটলি (অর্থও প্রতিরক্ষা), সুষমা স্বরাজ(পররাষ্ট্র) নীতীন গড়কিড় (পরিবহন), ভেঙ্কাইয়া নাইডু, সদানন্দ গৌড়া(রেলওয়ে), গোপিনাথ মুন্ডে(পল্লী উন্নয়ন), কালরাজ মিশ্র, মানেকা গান্ধী(নারী ও শিশু), অনন্ত কুমার (বেসামরিক বিমান চলাচল), রবিশঙ্কর প্রসাদ(টেলিযোগাযোগ), রাম বিলাস পাসওয়ান (খাদ্য), অশোক গাদপাতি রাজু, অনন্ত গেতে, হরশিমরত কউর, নরেন্দ্র সিং তোমার, জুয়েল ওরান, টি.গেহলট, স্মৃতি ইরানি, উমা ভারতী(পানি সম্পদ), নাজমা হেপতুল্লা (সংখালঘু) রাধা মোহন সিং, হর্ষবর্ধন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন, জেনারেল ভিকে সিং, সন্তোষ গ্যাংওয়ার, শ্রীপদ নায়েক, ধর্মেন্দ্র প্রধান, সর্বানন্দ সোনোওয়াল, প্রকাশ জাভেরেকের, পিষুষ গোয়েল, জীতেন্দ্র সিং, নির্মলা সীতারমন, রাও ইন্দ্রজিত, জি এম সিদ্ধেশ্বরা, মনোজ সিনহা, উপেন্দ্র খুশওয়া, রাধাকৃষ্ণ পি কিরেন রিজু, কৃষ্ণনান পাল গুজর, সঞ্জীব কুমার বালান মানসুকভাই, রাও সাহাব ধানউই, বিষ্ণুদেব ও সুদর্শন ভাগবত।
শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা চাদরে মুরে দেয়া হয় দিল্লিকে। দিল্লি ও এর আশপাশের ২ কিলোমিটার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য অতিরিক্ত ৬ হাজার সেনা ও আধা-সামরিক বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়।
মোদির শপথ অনুষ্ঠান সরাসরি প্রচার করে দূরদর্শন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভবনের বাইরে দিল্লির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বড় স্ক্রিন লাগিয়ে তা দেখানো হয়।এসময় উৎফুল্ল জনতা হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে।

ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর শপথ অনুষ্ঠানও ঐতিহাসিকভাবে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশের প্রধানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৪ হাজার গণ্যমান্য ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এরপর নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রীসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। মোদির সঙ্গে যে মন্ত্রীরা শপথ নিলেন তারা হলেন, পূর্ণমন্ত্রী রাজনাথ সিং(স্বরাষ্ট্র), অরুন জেটলি (অর্থও প্রতিরক্ষা), সুষমা স্বরাজ(পররাষ্ট্র) নীতীন গড়কিড় (পরিবহন), ভেঙ্কাইয়া নাইডু, সদানন্দ গৌড়া(রেলওয়ে), গোপিনাথ মুন্ডে(পল্লী উন্নয়ন), কালরাজ মিশ্র, মানেকা গান্ধী(নারী ও শিশু), অনন্ত কুমার (বেসামরিক বিমান চলাচল), রবিশঙ্কর প্রসাদ(টেলিযোগাযোগ), রাম বিলাস পাসওয়ান (খাদ্য), অশোক গাদপাতি রাজু, অনন্ত গেতে, হরশিমরত কউর, নরেন্দ্র সিং তোমার, জুয়েল ওরান, টি.গেহলট, স্মৃতি ইরানি, উমা ভারতী(পানি সম্পদ), নাজমা হেপতুল্লা (সংখালঘু) রাধা মোহন সিং, হর্ষবর্ধন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন, জেনারেল ভিকে সিং, সন্তোষ গ্যাংওয়ার, শ্রীপদ নায়েক, ধর্মেন্দ্র প্রধান, সর্বানন্দ সোনোওয়াল, প্রকাশ জাভেরেকের, পিষুষ গোয়েল, জীতেন্দ্র সিং, নির্মলা সীতারমন, রাও ইন্দ্রজিত, জি এম সিদ্ধেশ্বরা, মনোজ সিনহা, উপেন্দ্র খুশওয়া, রাধাকৃষ্ণ পি কিরেন রিজু, কৃষ্ণনান পাল গুজর, সঞ্জীব কুমার বালান মানসুকভাই, রাও সাহাব ধানউই, বিষ্ণুদেব ও সুদর্শন ভাগবত।
শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা চাদরে মুরে দেয়া হয় দিল্লিকে। দিল্লি ও এর আশপাশের ২ কিলোমিটার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের জন্য অতিরিক্ত ৬ হাজার সেনা ও আধা-সামরিক বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়।
মোদির শপথ অনুষ্ঠান সরাসরি প্রচার করে দূরদর্শন। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভবনের বাইরে দিল্লির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বড় স্ক্রিন লাগিয়ে তা দেখানো হয়।এসময় উৎফুল্ল জনতা হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে।
No comments:
Post a Comment