অপহরণের চার দিন পর নবম শ্রেণীর ছাত্র
সাইয়েদুল মুরসালিনের হাত-পা বাঁধা গলিত লাশ প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে উদ্ধার
করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে দিনাজপুর সদর উপজেলার মোহাব্বতপুর
গ্রাম থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সাতজনকে আটক করেছে।

>>সাইয়েদুল মুরসালিন। ছবি: আসাদুল্লাহ সরকার, দিনাজপুর

>>সাইয়েদুল মুরসালিন। ছবি: আসাদুল্লাহ সরকার, দিনাজপুর
প্রতিবেশী
আব্বাস আলীর ছেলে আবদুস সাত্তারের ভাষ্য, গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে
ঘুম ভেঙে যাওয়ায় তিনি বাড়ির বাইরে যান। এ সময় তাঁর ছোট ভাই সাদেক শহরে
রিকশা চালিয়ে বাসায় ফেরেন। তীব্র দুর্গন্ধ পেয়ে তাঁরা এর উত্স খুঁজতে
গিয়ে বাড়ির উঠানে একটি বড়সড় পোঁটলা দেখেন। এর ভেতর হাত-পা বাঁধা ও মুখে
টেপলাগানো লাশ পাওয়া যায়। লাশটি মুরসালিনের বলে তাঁরা শনাক্ত করেন।
মুরসালিনের বাবা মো. মোকসেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তিনি আব্বাস আলীর উঠানে ছুটে যান। ছেলে মুরসালিনের গায়ে হাফহাতা গেঞ্জি ও পরনে ফুলপ্যান্ট ছিল। দুই হাত সামনে পায়ের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। লাশ পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।
বাবা মো. মোকসেদুল ইসলাম বলেন, ছেলের গলিত লাশ পাওয়ার পর গ্রামের লোকজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী আরেক রিকশাচালক ওবায়দুর রহমানের বাড়িতে যায়। তারা ওবায়দুর রহমানের ঘরের চৌকির নিচে বড় গর্ত দেখতে পায়। গর্তে মুরসালিনের পায়ের স্যান্ডেল পাওয়া যায়।
গ্রামবাসী ওবায়দুর রহমান (৫৫), তাঁর স্ত্রী রওশন আরা (৪০), রওশন আরার মা মালেকা বেগম (৬৫), মেয়ে ওয়াসিমা খাতুন (১২) ও ভাইয়ের ছেলে আলমগীর হোসেনকে (২০) আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ওই পাঁচজনকে থানায় নিয়ে যায়। এর আগে গত শুক্রবার এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ওবায়দুরের ছেলে রশিদুল ইসলামকে আটক করে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলতাফ হোসেনের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আজ ভোরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রশিদকে পুলিশ আটক করেছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মুরসালিনকে অপহরণ ও হত্যা করা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।লাশটি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবেশী রিকশাচালক ওবায়দুর রহমানের ছেলে রশিদুল ইসলাম মুরসালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। বিকেলের দিকে মুঠোফোনে মুরসালিনের বাবা মোকসেদুলকে বলা হয়, ছেলেকে অপহরণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ছেলেকে ফিরে পেতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। গতকাল রাত আটটার মধ্যে ওই টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে গভীর রাতে মুরসালিনের গলিত লাশ পাওয়া যায়।
মুরসালিনের বাবা মো. মোকসেদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে তিনি আব্বাস আলীর উঠানে ছুটে যান। ছেলে মুরসালিনের গায়ে হাফহাতা গেঞ্জি ও পরনে ফুলপ্যান্ট ছিল। দুই হাত সামনে পায়ের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। লাশ পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।
বাবা মো. মোকসেদুল ইসলাম বলেন, ছেলের গলিত লাশ পাওয়ার পর গ্রামের লোকজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী আরেক রিকশাচালক ওবায়দুর রহমানের বাড়িতে যায়। তারা ওবায়দুর রহমানের ঘরের চৌকির নিচে বড় গর্ত দেখতে পায়। গর্তে মুরসালিনের পায়ের স্যান্ডেল পাওয়া যায়।
গ্রামবাসী ওবায়দুর রহমান (৫৫), তাঁর স্ত্রী রওশন আরা (৪০), রওশন আরার মা মালেকা বেগম (৬৫), মেয়ে ওয়াসিমা খাতুন (১২) ও ভাইয়ের ছেলে আলমগীর হোসেনকে (২০) আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ওই পাঁচজনকে থানায় নিয়ে যায়। এর আগে গত শুক্রবার এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ওবায়দুরের ছেলে রশিদুল ইসলামকে আটক করে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলতাফ হোসেনের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আজ ভোরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার বাসিন্দা মামুনুর রশিদকে পুলিশ আটক করেছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মুরসালিনকে অপহরণ ও হত্যা করা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।লাশটি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবেশী রিকশাচালক ওবায়দুর রহমানের ছেলে রশিদুল ইসলাম মুরসালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। বিকেলের দিকে মুঠোফোনে মুরসালিনের বাবা মোকসেদুলকে বলা হয়, ছেলেকে অপহরণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ছেলেকে ফিরে পেতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। গতকাল রাত আটটার মধ্যে ওই টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পরে গভীর রাতে মুরসালিনের গলিত লাশ পাওয়া যায়।
No comments:
Post a Comment