কিডনি রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে জানি। সুস্থ
জীবন ধারণের জন্য কিডনির প্রতি সদা জ্ঞান রাখা যেমন জরুরী তেমনি জরুরী
কয়েকটি সহজ টিপস মনে রাখা যা আমাদের কিডনিকে রাখবে সুস্থ ও শক্তিশালী।

১।
নিয়মিত কর্মঠ থাকুন: সময় পেলেই হাঁটুন, কর্মক্ষেত্রে সম্ভব হলে সাইকেলকে
বেছে নিন যান হিসেবে কিম্বা অবসরে করুন সাইক্লিং, শহুরে জীবনে খোলা পরিবেশে
গোসল বা সাঁতার কাটার কথা কল্পনাতীত হলেও চেষ্টা করুন সপ্তাহে কিছু সময়
সাঁতারের। তদ্রুপ ব্যায়ামটাকেও চালিয়ে নিন। কর্মঠ ও সতেজ শরীরে অন্যান্য
রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার মত কিডনি রোগের সম্ভাবনাও কমে যায়।
২। ডায়াবেটিসকে রাখুন নিয়ন্ত্রণে: বলা হয়ে থাকে ডায়াবেটিস হলে অন্যান্য রোগ ব্যাধিও নাকি আপনা আপনি চলে আসে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অধিকাংশই কিনা কিডনি রোগে ভুগেন। রক্তের সুগার যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে কিডনি রোগ থেকে আপনি আশংকা মুক্ত নন। তাই নিয়মিত রক্তের সুগার পরিক্ষা করার পাশাপাশি অন্তত তিনমাস অন্তর আপনার কিডনি পরীক্ষা করান, দেখুন সবকিছু স্বাভাবিক আছে কিনা।
৩। আহার করুন পরিমিত : অতিরিক্ত কোন কিছুই শরীরের জন্য ভাল নয়। তেমনি আমাদের মনোযোগ রাখা উচিত আমরা অতিরিক্ত কোন কিছু খাচ্ছি কিনা। অতিরিক্ত আহার আমাদের শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে ফলে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশী আমাদেরকে পরতে হতে পারে কিডনি রোগের সমস্যাতেও। খাদ্যাভ্যাসের মানটাও হওয়া চাই স্বাস্থ্যসমম্মত। লবণ বেশী খাওয়া যেমন ঠিক নয় তেমনি লবন পরিহার করাটাও অনুচিত। দিনে অন্তত আমাদের ১চা চামচ পর্যন্ত লবণ খাওয়া উচিত। পানি খান প্রচুর পরিমাণে।
৪। রক্তচাপ রাখুন নিয়ন্ত্রণে: উচ্চ রক্তচাপ শুধু ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের কারনই নয়। কিডনি ফেইলিওর এর পেছনেও কারন হিসেবে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ । রক্তচাপ ১২৮/৮৯ মিমি এর বেশী হলেই আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। রক্তচাপ সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখা মানে আপনার কিডনিকেও সুস্থ রাখা।
৫। ধুমপানকে না বলুন: যত শারীরিক সমস্যাকে প্রকট করে তুলে ধুমপান। ধূমপান কি শুধুই ক্যান্সারের কারন! না । ধূমপানের ফলে আপনার কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে, সে সঙ্গে কমে যেতে পারে কিডনির কার্যক্ষমতা। তাই কিডনি ভাল রাখতে চেষ্টা করুন আজ থেকেই ধুমপান ছেড়ে দেবার ।
৬। প্রয়োজন ছাড়া কোন ওষুধ নয়: আমরা অনেকেই অহেতুক শারীরিক ছোট খাটো কোন সমস্যায় পরলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই নিজেরা ওষুধ সেবন করি। এর মধ্যে বেশী সেবন করি ব্যাথানাশক ওষুধ। কিডনির জন্য কমবেশী যেসব ওষুধ ক্ষতিকর তারমধ্যে ব্যাথানাশক ওষুধই বেশী ক্ষতিকর। তাই ব্যাথা দূর করতে যেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আমাদের হুটহাট ব্যাথানাশক খাওয়া একদম অনুচিত।
৭। ফলমুল এর পাশাপাশী সম্ভব হলে খান সামুদ্রিক মাছ, কালো ফল, শাক-সবজি, শিম ও নানান ধরনের বাদাম কিডনিকে পুষ্টি জোগায় সে সাথে কিডনিকে করে শক্তিশালী। সামুদ্রিক খাবার যেমন মাছ, শেলফিস, সী-উড, কেল্প ও কিডনি শক্তিশালী করার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। সর্বোপরি চেষ্টা করুন সবসময় মানসিক চাপমুক্ত থাকার।
২। ডায়াবেটিসকে রাখুন নিয়ন্ত্রণে: বলা হয়ে থাকে ডায়াবেটিস হলে অন্যান্য রোগ ব্যাধিও নাকি আপনা আপনি চলে আসে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অধিকাংশই কিনা কিডনি রোগে ভুগেন। রক্তের সুগার যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে কিডনি রোগ থেকে আপনি আশংকা মুক্ত নন। তাই নিয়মিত রক্তের সুগার পরিক্ষা করার পাশাপাশি অন্তত তিনমাস অন্তর আপনার কিডনি পরীক্ষা করান, দেখুন সবকিছু স্বাভাবিক আছে কিনা।
৩। আহার করুন পরিমিত : অতিরিক্ত কোন কিছুই শরীরের জন্য ভাল নয়। তেমনি আমাদের মনোযোগ রাখা উচিত আমরা অতিরিক্ত কোন কিছু খাচ্ছি কিনা। অতিরিক্ত আহার আমাদের শরীরের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে ফলে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশী আমাদেরকে পরতে হতে পারে কিডনি রোগের সমস্যাতেও। খাদ্যাভ্যাসের মানটাও হওয়া চাই স্বাস্থ্যসমম্মত। লবণ বেশী খাওয়া যেমন ঠিক নয় তেমনি লবন পরিহার করাটাও অনুচিত। দিনে অন্তত আমাদের ১চা চামচ পর্যন্ত লবণ খাওয়া উচিত। পানি খান প্রচুর পরিমাণে।
৪। রক্তচাপ রাখুন নিয়ন্ত্রণে: উচ্চ রক্তচাপ শুধু ব্রেইন স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের কারনই নয়। কিডনি ফেইলিওর এর পেছনেও কারন হিসেবে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ । রক্তচাপ ১২৮/৮৯ মিমি এর বেশী হলেই আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। রক্তচাপ সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখা মানে আপনার কিডনিকেও সুস্থ রাখা।
৫। ধুমপানকে না বলুন: যত শারীরিক সমস্যাকে প্রকট করে তুলে ধুমপান। ধূমপান কি শুধুই ক্যান্সারের কারন! না । ধূমপানের ফলে আপনার কিডনিতে রক্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে, সে সঙ্গে কমে যেতে পারে কিডনির কার্যক্ষমতা। তাই কিডনি ভাল রাখতে চেষ্টা করুন আজ থেকেই ধুমপান ছেড়ে দেবার ।
৬। প্রয়োজন ছাড়া কোন ওষুধ নয়: আমরা অনেকেই অহেতুক শারীরিক ছোট খাটো কোন সমস্যায় পরলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই নিজেরা ওষুধ সেবন করি। এর মধ্যে বেশী সেবন করি ব্যাথানাশক ওষুধ। কিডনির জন্য কমবেশী যেসব ওষুধ ক্ষতিকর তারমধ্যে ব্যাথানাশক ওষুধই বেশী ক্ষতিকর। তাই ব্যাথা দূর করতে যেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আমাদের হুটহাট ব্যাথানাশক খাওয়া একদম অনুচিত।
৭। ফলমুল এর পাশাপাশী সম্ভব হলে খান সামুদ্রিক মাছ, কালো ফল, শাক-সবজি, শিম ও নানান ধরনের বাদাম কিডনিকে পুষ্টি জোগায় সে সাথে কিডনিকে করে শক্তিশালী। সামুদ্রিক খাবার যেমন মাছ, শেলফিস, সী-উড, কেল্প ও কিডনি শক্তিশালী করার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। সর্বোপরি চেষ্টা করুন সবসময় মানসিক চাপমুক্ত থাকার।
No comments:
Post a Comment