রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া
যৌনপল্লীতে অভিযান চালিয়ে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুর
১টার দিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে পল্লীতে নিয়ে আসার পর তাকে উদ্ধার করা হয়। এ
সময় জোস্না ওরফে নাজমা বেগম নামের এক নারী পাচারকারীকে আটক করা হয়।

তিনি
পাবনার নগরবাড়ী ইউনিয়নের শালিহা গ্রামের আমিরের মেয়ে। গোয়ালন্দ ঘাট থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার বাংলানিউজকে ঘটনার সত্যতা
নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নওগাঁ জেলার দরিদ্র ভ্যান চালকের ১২ বছর বয়সী
এক মেয়ে গত শনিবার বাড়ি থেকে রাগ করে শান্তাহার রেলস্টেশনে আসে। পরে নারী
পাচারকারী দলের সদস্য জোস্নার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। জোস্না তাকে ঢাকায় ভালো
কাজ দেওয়ার কথা বলে সোমবার দুপুরে বিক্রির উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে
নিয়ে আসেন। এ সময় স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি মহিলা সমিতির শিশু
সুরক্ষা প্রকল্পের কর্মীরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ
ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ও পাচারের অভিযোগে জোস্নাকে আটক
করে। এদিকে, রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ যৌনপল্লীতে অভিযান চালিয়ে ঢাকার
মোহাম্মদপুর এলাকার ১৪ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করে। গত ১৫ মে আনোয়ার
হোসেন (২৩) নামের এক যুবক ভাল চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে ফুঁসলিয়ে
গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে এনে পল্লীর প্রভাবশালী পারভীনের কাছে
বিক্রি করে দেয়। এরপর থেকে তাকে দিয়ে জোর করে দেহব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন
পারভীন। তবে এ ঘটনায় পুলিশ পারভীন ও দালাল আনোয়ার হোসেনকে আটক করতে পারেনি।
এসব ঘটনায় গোয়ালন্দ ঘাট থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে বলে ওসি জানান।
No comments:
Post a Comment