নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের
দ্বিতীয় নামাজের জানাজা শেষ হওয়ার পর বিক্ষুব্দ লোকজন লাঠিশোঠা নিয়ে
নাসিকের ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র
সহসভাপতি নুর হোসেনের শিমরাইল ট্রাক স্ট্যান্ডের কার্যালয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও
লুটপাট চালায়। পরে কার্যালয়টিতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। এবং ট্রাকস্ট্যান্ডে
পার্কিং করে রাখা কয়েকটি ট্রাক ভাংচুর করা হয়। ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের কারণে
ট্রাকস্ট্যান্ডের চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে ফায়ার
সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলা ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে
আনে। কিন্তু এর আগেই কার্যালয়ের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়াও
যাত্রার একটি প্যান্ডেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

এরআগে
বুধবার রাতে বিক্ষুব্দরা মৌচাক এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়ার মালিকানাধীন সামস ফিলিং স্টেশনে আগুন
দেয়।
ওদিকে সকাল থেকে কাঁচপুর থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্দ লোকজন। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভারিক রাখতে শিমরাইল মোড় এলাকায় বিপুল সংখ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এছাড়ও ছিল র্যাব ও ২ প্লাটুন বিজিবি। নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রীর দায়ের করা মামলার প্রধান ও দ্বিতীয় আসামী হচ্ছেন হাজী নুর হোসেন ও হাজী ইয়াছিন মিয়া।
এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিহত নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজার আগে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম, নজরুলের বড় ভাই নুর মোহাম্মদ, ছোট ভাই আব্দুস সালাম প্রমুখ। বক্তরা নজরুল ইসলাম হত্যার বিচার চেয়ে খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবি করেন। ৭জনকে অপহরণ ও পরে হত্যাকান্ডের জন্য বক্তারা ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুর হোসেন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়াকে দায়ী করে তাদের গ্রেপ্তার দাবি করেন।
অন্যান্যের মধ্যে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, নাসিকের প্যানেল মেয়র-২ হাজী ওবায়দুল্লাহ. কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, মাকসুদুল আলম খন্দকার, আলমগীর ইসলাম, হান্নান সরকার, জমসের আলী ঝন্টু, সিরাজুল ইসলাম মন্ডল প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন নারী প্যানেল মেয়র ও নারী কাউন্সিলররা। জানাজা শেষে নাসিকের ২নং ওয়ার্ড মিজিমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে নজরুল ইসলামের লাশ দাফন করা হয়। এদিকে বুধবার রাতেই আইনজীবী চন্দন সরকারের মরদেহ মাসদাইর শ্মশানে দাহ করা হয়েছে।
ওদিকে সকাল থেকে কাঁচপুর থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্দ লোকজন। আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভারিক রাখতে শিমরাইল মোড় এলাকায় বিপুল সংখ্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এছাড়ও ছিল র্যাব ও ২ প্লাটুন বিজিবি। নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রীর দায়ের করা মামলার প্রধান ও দ্বিতীয় আসামী হচ্ছেন হাজী নুর হোসেন ও হাজী ইয়াছিন মিয়া।
এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিহত নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় নামাজের জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজার আগে সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম, নজরুলের বড় ভাই নুর মোহাম্মদ, ছোট ভাই আব্দুস সালাম প্রমুখ। বক্তরা নজরুল ইসলাম হত্যার বিচার চেয়ে খুনিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসি দাবি করেন। ৭জনকে অপহরণ ও পরে হত্যাকান্ডের জন্য বক্তারা ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুর হোসেন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়াকে দায়ী করে তাদের গ্রেপ্তার দাবি করেন।
অন্যান্যের মধ্যে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন, নাসিকের প্যানেল মেয়র-২ হাজী ওবায়দুল্লাহ. কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, মাকসুদুল আলম খন্দকার, আলমগীর ইসলাম, হান্নান সরকার, জমসের আলী ঝন্টু, সিরাজুল ইসলাম মন্ডল প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন নারী প্যানেল মেয়র ও নারী কাউন্সিলররা। জানাজা শেষে নাসিকের ২নং ওয়ার্ড মিজিমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে নজরুল ইসলামের লাশ দাফন করা হয়। এদিকে বুধবার রাতেই আইনজীবী চন্দন সরকারের মরদেহ মাসদাইর শ্মশানে দাহ করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment