বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান
খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে জারি করা শো’কজ
নোটিশের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২২ জুন আদেশের দিন ধার্য করেছেন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। বৃহস্পতিবার খন্দকার মাহবুব হোসেনের
পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। প্রসিকিউশনের পক্ষে
শুনানি করেন প্রসিকউটর জেয়াদ আল মালুম। এ বিষয়ে আগামী ২২ জুন আদেশের দিন
নির্ধারণ করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের
ট্রাইব্যুনাল।

গত
বছরের ৬ অক্টোবর খন্দকার মাহবুবের বিরুদ্ধে এ শো’কজ নোটিশ জারি করেন
ট্রাইব্যুনাল। নোটিশে কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না
তা জানতে চেয়ে ২১ অক্টোবরের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়। পরে ৪ সপ্তাহের সময়
নিয়ে ১৯ নভেম্বর শো’কজ নোটিশের জবাব দাখিল করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট
তাজুল ইসলাম। গত বছরের ৩ অক্টোবর খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে আদালত
অবমাননার অভিযোগ এনে তাকে নোটিশ জারির আবেদনটি করেন ট্রাইব্যুনালের
প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে খন্দকার মাহবুব হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির
হয়ে তার কোনো বক্তব্য থাকলে তা ব্যাখ্যা দেওয়ার বিষয়ে আদেশ প্রদানেরও
আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে শুনানিকালে প্রসিকউটর জেয়াদ আল মালুম বলেন, গত ১
অক্টোবর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলার রায়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারকে ‘প্রহসনের বিচার’ উল্লেখ করে এর সঙ্গে
জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করার হুমকি দেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। এতে এ
মামলায় সাক্ষী হওয়ায় স্বজন হারানো লোকজন ভয়ে আছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের
বক্তব্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম এবং নিরপেক্ষ বিচার
ব্যবস্থাকে বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ করা। এবং এ বিচারের সঙ্গে জড়িতদের
নিরাপত্তাকে হুমকির মুখোমুখি করা। খন্দকার মাহবুবের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন,
মিথ্যা, একপেশে, পক্ষপাতদুষ্ট বলে প্রসিকউশনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রসিকউশন আবেদনের সঙ্গে চারটি জাতীয় পত্রিকার কপি জমা দেন। নোটিশের জবাবে
খন্দকার মাহবুব হোসেন তার বক্তব্য সঠিক ছিল দাবি করেন।
গত বছরের ১ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।রায়ের পরপরই সুপ্রিম কোর্ট বারের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। ওই সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তি যদি ক্ষমতায় আসে সত্যিকার অর্থে যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার হবে। প্রতিহিংসার জন্য যাদের বিচার করা হয়েছে, কাল্পনিক গল্প দিয়ে মামলা তৈরি করা হয়েছে অবশ্যই সেটা চলে যাবে। আর যারা এই প্রহসনের বিচারে সম্পৃক্ত ছিলেন ইনশাল্লাহ বাংলার মাটিতে তাদেরও বিচার হবে’।
গত বছরের ১ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।রায়ের পরপরই সুপ্রিম কোর্ট বারের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। ওই সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তি যদি ক্ষমতায় আসে সত্যিকার অর্থে যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার হবে। প্রতিহিংসার জন্য যাদের বিচার করা হয়েছে, কাল্পনিক গল্প দিয়ে মামলা তৈরি করা হয়েছে অবশ্যই সেটা চলে যাবে। আর যারা এই প্রহসনের বিচারে সম্পৃক্ত ছিলেন ইনশাল্লাহ বাংলার মাটিতে তাদেরও বিচার হবে’।
No comments:
Post a Comment