এটা কি করে সম্ভব, একটা গণতন্ত্র
রাষ্ট্রে মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা
দিতে না পারাটা সরকারের বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছে বিএনপির স্থায়ী
কমিটির সদস্য অব. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ। বৃহস্পতিবার
বেলা সাড়ে ১১টায় নারাণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি বৃষ্টিধারা এলাকায় খুন
হওয়া সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারের বাসায় গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময়
তিনি নিহতের পরিবারের কাছে সমবেদনা প্রকাশ করেন। নারায়ণগঞ্জে সিনিয়র
আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করার পর তাদের খুন করা হয়।
হান্নান শাহ বলেন, সরকারের একটি সংস্থা ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে বিভিন্ন উপায়ে টাকা পয়সা আদায় করছে। যা সেভেন মার্ডারের শিকার নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সেনা কর্মকর্তাসহ খুনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতারের দাবি জানান। সেই সঙ্গে তিনি চন্দন সরকারের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির ছাত্র বিষয় সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সাবেক মন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, সাবেক এমপি লায়ন হারুন অর রশীদ, সাবেক এমপি শিরিন সুলতানা, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, উজ্জল হোসেন, আলী হোসেন প্রধান । হান্নান শাহ বলেন, জনগণকে বোকা বানানোর জন্য ৩ জনকে সেনাবাহিনীর লক এড়িয়াতে রাখা হয়েছে তাদের নাকি বিচার করা হবে। আমি যত টুকু আইন জানি একবার অবসরে পাঠাবেন আবার লক এড়িয়াতে এনে বিচারের সম্মূখীন করবেন এটাতো হতে পারে না। যেহেতু ৭ হত্যার সঙ্গে সরকারের লোক প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাই সরকার এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের ১মে জনসভায় নারায়ণগঞ্জের ৭ হত্যায় বিরোধী দলকে দায়ী করেছেন। তার এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, যারা প্রকৃত হত্যাকারী তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জনগণ বাধ্য হবে রাজপথে নেমে জনগণের আদালতে বিচার করতে। ১৪ মে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি’র সভা সম্পর্কে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন একটি নির্দলীয় প্রতিষ্ঠান। নারায়ণগঞ্জ সিনি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভিকে আমরা শ্রদ্ধা করি। আমরা আশা করি, ওনার শোভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তিনি অনুমতি দেবেন। বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, আমরা আমাদের নিজেদের জীবন নিয়ে চিন্তিত। ইলিয়াস আলী গুম হলো, কিন্তু এতোদিনেও কোনো সুরাহা হলো না। আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে এটা আমরা জানি। কিন্তু সেই মৃত্যু যেন স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সরকারের নিকট মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চান তিনি। পরে বিএনপি’র প্রতিনিধি দল নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্য সমবেদনা জানান। এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিএনপির প্রতিনিধি দল নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জ ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন আলাউদ্দিন খান স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন খালেদা জিয়ার জনসভা করার জন্য। স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে হান্নান শাহ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্টেডিয়ামটির জন্য অনুমতি চেয়ে সিটি করপোরেশনের কাছে আবারো আবেদন জানাবো।

হান্নান শাহ বলেন, সরকারের একটি সংস্থা ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে বিভিন্ন উপায়ে টাকা পয়সা আদায় করছে। যা সেভেন মার্ডারের শিকার নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তিনি সেনা কর্মকর্তাসহ খুনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতারের দাবি জানান। সেই সঙ্গে তিনি চন্দন সরকারের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির ছাত্র বিষয় সম্পাদক শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সাবেক মন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, সাবেক এমপি লায়ন হারুন অর রশীদ, সাবেক এমপি শিরিন সুলতানা, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, উজ্জল হোসেন, আলী হোসেন প্রধান । হান্নান শাহ বলেন, জনগণকে বোকা বানানোর জন্য ৩ জনকে সেনাবাহিনীর লক এড়িয়াতে রাখা হয়েছে তাদের নাকি বিচার করা হবে। আমি যত টুকু আইন জানি একবার অবসরে পাঠাবেন আবার লক এড়িয়াতে এনে বিচারের সম্মূখীন করবেন এটাতো হতে পারে না। যেহেতু ৭ হত্যার সঙ্গে সরকারের লোক প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাই সরকার এটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের ১মে জনসভায় নারায়ণগঞ্জের ৭ হত্যায় বিরোধী দলকে দায়ী করেছেন। তার এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হান্নান শাহ বলেন, যারা প্রকৃত হত্যাকারী তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় জনগণ বাধ্য হবে রাজপথে নেমে জনগণের আদালতে বিচার করতে। ১৪ মে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি’র সভা সম্পর্কে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন একটি নির্দলীয় প্রতিষ্ঠান। নারায়ণগঞ্জ সিনি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভিকে আমরা শ্রদ্ধা করি। আমরা আশা করি, ওনার শোভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তিনি অনুমতি দেবেন। বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, আমরা আমাদের নিজেদের জীবন নিয়ে চিন্তিত। ইলিয়াস আলী গুম হলো, কিন্তু এতোদিনেও কোনো সুরাহা হলো না। আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে এটা আমরা জানি। কিন্তু সেই মৃত্যু যেন স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সরকারের নিকট মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চান তিনি। পরে বিএনপি’র প্রতিনিধি দল নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্য সমবেদনা জানান। এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় বিএনপির প্রতিনিধি দল নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জ ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন আলাউদ্দিন খান স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন খালেদা জিয়ার জনসভা করার জন্য। স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে হান্নান শাহ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্টেডিয়ামটির জন্য অনুমতি চেয়ে সিটি করপোরেশনের কাছে আবারো আবেদন জানাবো।
No comments:
Post a Comment