তারেক রহমানের কার্যক্রম বাংলাদেশ ও
যুক্তরাজ্যের সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে না যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি: ব্রিটিশ
পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ প্রতিমন্ত্রী হিউ রবার্টসন বলেছেন, যুক্তরাজ্যে
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোন কার্যক্রম বাংলাদেশ ও
যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে প্রভাব ফেলছে না। তিনি বলেন,
উন্নয়নসহযোগী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে
তারেক রহমানের কোন কার্যক্রম দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ও আন্তঃসম্পর্কে কোন
নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে ব্রিটিশ সরকার অবগত নয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের
নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিমন্ত্রী হিউ রবার্টসন
এই তথ্য জানান। তারেক রহমান প্রায় ছয় বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও এই
প্রথম তার সম্পর্কে ব্রিটিশ কোন মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্তব্য
করলেন। যুক্তরাজ্যে তারেক রহমানের কার্যকলাপ বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের
দ্বিপক্ষীয় ও আন্তঃসম্পর্কের ওপর কি প্রভাব ফেলছে, বাংলাদেশী অধ্যুষিত
পূর্ব লন্ডনের পপলার এবং লাইমহাউস এলাকার এমপি জিম ফিটজপ্যাট্রিকের এমন
প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ প্রতিমন্ত্রী হিউ রবার্টসন
এসব কথা বলেন। কনজারভেটিভ এমপি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিউ রবার্টসন বলেন,
‘বাংলাদেশ সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোসহ উভয় দেশের জনগণের মধ্যে বাণিজ্য
এবং সংস্কৃতি বিনিময়ের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাপক
ভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে’। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের কোন কার্যক্রম
আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর কোন প্রভাব ফেলেছে বলে আমাদের জানা নেই।’
সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য আসেন। দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান করলেও তার সম্বন্ধে কোন ব্রিটিশ মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এই প্রথম। তবে মন্ত্রীর মন্তব্যে তারেক রহমানের অভিবাসনগত অবস্থা সম্পর্কে কোন তথ্য দেয়া হয়নি। তারেক রহমান প্রায় ছয় বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও দীর্ঘদিন প্রকাশ্য রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকে বিরত ছিলেন। বছরখানেক ধরে তিনি প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তার সামপ্রতিক একাধিক বক্তব্য বাংলাদেশে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল তাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর দাবিতে সরব হয়।
সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্য আসেন। দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান করলেও তার সম্বন্ধে কোন ব্রিটিশ মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এই প্রথম। তবে মন্ত্রীর মন্তব্যে তারেক রহমানের অভিবাসনগত অবস্থা সম্পর্কে কোন তথ্য দেয়া হয়নি। তারেক রহমান প্রায় ছয় বছর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও দীর্ঘদিন প্রকাশ্য রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থেকে বিরত ছিলেন। বছরখানেক ধরে তিনি প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তার সামপ্রতিক একাধিক বক্তব্য বাংলাদেশে নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দল তাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর দাবিতে সরব হয়।
No comments:
Post a Comment