মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে একটি শিরোপা স্বপ্নের প্রায় মৃত্যু ঘটেছে
ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে। সোমবার স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৯ মিনিট
পর্যন্ত এবারের শিরোপা প্রত্যাশী লিভারপুল ৩-০ গোলে এগিয়েছিল। কিন্তু এরপর
মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের চেহারা পুরোপুরি পাল্টে দেয় স্বাগতিক
ক্রিস্টাল প্যালেস। তারা তিনটি গোলই শোধ করে দেয় এসময়ে। এতে ম্যাচ শেষ হয়
৩-৩ ড্রতে।

এ
ড্রয়ের ফলে কার্যত ১৯৯০ সালের পর লিভারপুলের প্রিমিয়ার লীগের প্রথম শিরোপা
জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। এদিন মাঠে নামার আগে ৩৬ ম্যাচে ম্যানচেস্টার
সিটি ও লিভারপুলের পয়েন্ট ছিল সমান ৮০। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে
শীর্ষে ছিল ম্যানসিটি। শিরোপা জয়ের জন্য দু’দলের জন্য মওসুমে নিজেদের বাকি ২
ম্যাচ জেতা ছিল অতি জরুরি। আর এমনটা হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শিরোপা
জিতে নিতো ম্যানসিটি। তাই সোমবারের ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসকে বড় ব্যবধানে
হারানো প্রয়োজন ছিল লিভারপুলের। কিন্তু সেখানে তারা উল্টো ড্র করে শিরোপা
আশা প্রায় শেষ করে দিয়েছে। এখন লিভারপুলের শিরোপা জিততে হলে ম্যানসিটির
দু’ম্যাচেই হার মানতে হবে। কারণ, এক ম্যাচ ড্র ও অপর ম্যাচ হারলেও গোল
ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যানসিটি শিরোপা জিতে নেবে। আর দু’ম্যাচে জিতলে তো
কোন কথায়ই নেই। এদিন ম্যাচের ১৮ মিনিটে জো অ্যালেন ও ৫৩ মিনিটে আরেকটি গোল
করেন ড্যানিয়েল স্টারিজ। আর ৫৫ মিনিটে লিভারপুলের তৃতীয় গোলটি করেন
উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত লিভারপুল ৩-০ গোলে
এগিয়ে ছিল। এ সময় ক্রিস্টাল প্যালেসকে প্রথমে ব্যবধান হ্রাস করেন ড্যামিয়েন
ডেলানি। পরে ৮১ ও ৮৮ মিনিটে জোড়া গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ডোয়াইট গেইল।
এসি মিলানের অভিশাপ! এবার ক্রিস্টাল প্যালেস যেমন লিভারপুলকে হতভম্ভ করে দিয়েছে, ২০০৫ সালে লিভারপুল ঠিক তেমনই স্তম্ভিত করে দিয়েছিল ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলানকে। ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ২০০৪-০৫ মওসুমের ফাইনালে ইস্তাম্বুলে মুখোমুখি হয়েছিল লিভারপুল ও এসি মিলান। সেবার প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইতালির দল এসি মিলান। কিন্তু ম্যাচের ৫৪ থেকে ৬০- এই ৬ মিনিটের মধ্যে রূপকথার জন্ম দেয় লিভারপুর। এসি মিলানের তিন গোলই এই ৬ মিনিটে শোধ করে দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ৩-৩ গোলে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাও শেষ হয় গোলশূন্য থেকে। ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। আর সেখানে মিলানের দলটিকে কাঁদিয়ে ৩-২ গোলে শিরোপা জিতে নেয় লিভারপুল। এবার ক্রিস্টাল প্যালেসের সঙ্গে ড্র কি তাহলে এসি মিলানের অভিশাপ! শিশুর মতো কাঁদলেন সুয়ারেজ শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় মাঠের মধ্যেই হু হু করে কেঁদে ফেলেন লিভারপুলের উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। ম্যাচ শেষে কোন মতেই তিনি কান্না থামাতে পারছিলেন না। জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকেও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ড তাকে বুকের মধ্যে নিয়ে সান্ত্বনা দিতে থাকেন। কিন্তু তারপর সুয়ারেজ শিশুর মতো কাঁদতেই থাকেন। সুয়ারেজের কান্না দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক দর্শক। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ ২৪ বছর পর তারা দেখছিল শিরোপা। কিন্তু মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে সব হিসাব-নিকাশ উল্টে যাওয়ায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল তারা। সুয়ারেজের সঙ্গে দর্শকরাও কাঁদতে থাকেন গ্যালারিতে বসে। শেষ বাঁশি বেজে যাওয়ার পরও অনেকক্ষণ ধরে বেশ কিছু দর্শক মাঠের মধ্যে উদাস দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সুয়ারেজের এমন কান্নার সঙ্গত কারণ রয়েছে। প্রথমত, তিনি এই মওসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩১ গোলের মালিক। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষেও তিনি একটি গোল করেন। এছাড়া সম্প্রতি তিনি প্রফেশনাল ফুটবলারস এসোসিয়েশন ও ইংলিশ ক্রীড়া লেখক সংস্থা- এই দুই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। দলকে এ পর্যায়ে আনতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শিরোপার আশা জাগিয়েও এমন করুণ পরিণতির জন্য তিনি মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না।
এসি মিলানের অভিশাপ! এবার ক্রিস্টাল প্যালেস যেমন লিভারপুলকে হতভম্ভ করে দিয়েছে, ২০০৫ সালে লিভারপুল ঠিক তেমনই স্তম্ভিত করে দিয়েছিল ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলানকে। ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ২০০৪-০৫ মওসুমের ফাইনালে ইস্তাম্বুলে মুখোমুখি হয়েছিল লিভারপুল ও এসি মিলান। সেবার প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইতালির দল এসি মিলান। কিন্তু ম্যাচের ৫৪ থেকে ৬০- এই ৬ মিনিটের মধ্যে রূপকথার জন্ম দেয় লিভারপুর। এসি মিলানের তিন গোলই এই ৬ মিনিটে শোধ করে দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ৩-৩ গোলে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাও শেষ হয় গোলশূন্য থেকে। ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। আর সেখানে মিলানের দলটিকে কাঁদিয়ে ৩-২ গোলে শিরোপা জিতে নেয় লিভারপুল। এবার ক্রিস্টাল প্যালেসের সঙ্গে ড্র কি তাহলে এসি মিলানের অভিশাপ! শিশুর মতো কাঁদলেন সুয়ারেজ শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় মাঠের মধ্যেই হু হু করে কেঁদে ফেলেন লিভারপুলের উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। ম্যাচ শেষে কোন মতেই তিনি কান্না থামাতে পারছিলেন না। জার্সি দিয়ে মুখ ঢেকেও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ড তাকে বুকের মধ্যে নিয়ে সান্ত্বনা দিতে থাকেন। কিন্তু তারপর সুয়ারেজ শিশুর মতো কাঁদতেই থাকেন। সুয়ারেজের কান্না দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক দর্শক। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত দীর্ঘ ২৪ বছর পর তারা দেখছিল শিরোপা। কিন্তু মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যে সব হিসাব-নিকাশ উল্টে যাওয়ায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় ছিল তারা। সুয়ারেজের সঙ্গে দর্শকরাও কাঁদতে থাকেন গ্যালারিতে বসে। শেষ বাঁশি বেজে যাওয়ার পরও অনেকক্ষণ ধরে বেশ কিছু দর্শক মাঠের মধ্যে উদাস দৃষ্টিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সুয়ারেজের এমন কান্নার সঙ্গত কারণ রয়েছে। প্রথমত, তিনি এই মওসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩১ গোলের মালিক। ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষেও তিনি একটি গোল করেন। এছাড়া সম্প্রতি তিনি প্রফেশনাল ফুটবলারস এসোসিয়েশন ও ইংলিশ ক্রীড়া লেখক সংস্থা- এই দুই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। দলকে এ পর্যায়ে আনতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শিরোপার আশা জাগিয়েও এমন করুণ পরিণতির জন্য তিনি মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না।
No comments:
Post a Comment