নূর হোসেন বিএনপির গুপ্তচর হিসেবে আওয়ামী লীগে প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে নারায়ণগঞ্জে ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য
করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।
করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

এসময়
তিনি বিএনপির নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন ‘লাফালাফি করে কোনো লাভ হবে না’।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় সেগুনবাগিচায় বীরউত্তম খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে
চলমান রাজনীত- প্রতিবেশী দেশের সরকার পরিবর্তন নিয়ে বিএনপি নেতাদের
বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে সাহারা খাতুন এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ এ সভার
আয়োজন করে। সাহারা খাতুন বলেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনার প্রধান আসামি এই নেতা
আগে ছিল বিএনপির। নূর হোসেনকে গুপ্তচর হিসেবে আওয়ামী লীগে প্রবেশ করিয়েছে
বিএনপি। বিএনপি পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি
বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই বিএনপি নানা প্রচারণা চালিয়ে বলে বাংলাদেশ
ভারত হয়ে যাবে। এতে বিএনপির আস্ফালনের কারণটা আমরা বুঝতে পারছি না। তারা
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না। অথচ ভারতে গণতান্ত্রিক
প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার নিয়ে উল্লাস করছে। বিজেপি নির্বাচিত হওয়ায়
নরেন্দ্র মোদীকে তিনি অভিনন্দন জানিয়ে সাহারা খাতুন বলেন, অতীতের মতো
বিজেপির সঙ্গে সু-সম্পর্ক ছিল, আছে এবং থাকবে। দু’দেশের সঙ্গে আস্থার সঙ্গে
যেমন গঙ্গার পানি বন্টনের চুক্তি হয়েছে ঠিক তেমনি
ভাবে তিস্তার চুক্তিও সফল হবে। বিএনপি কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষ পোড়ানো রাজনীতি করছিল এখন গুম, হত্যা করার রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। সভায় বক্তারা বলেন, ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল। তারা পাকিস্তানের দালালদের কখনো সমর্থন করবে না। যারা এসব বিষয়ে ‘আহাম্মকি মার্কা’ কথা বলে জাতিকে বিভ্রান্তি করছে তাদের আস্ফালন করেই সময় পার করতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি ব্যারিস্টার সোহরাব আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ সম্পাদক এম এ করিম, শাহজাহান সাজু, সোহেলী পারভিন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার, পরিষদের জিন্নাত আলী খান প্রমুখ।
ভাবে তিস্তার চুক্তিও সফল হবে। বিএনপি কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষ পোড়ানো রাজনীতি করছিল এখন গুম, হত্যা করার রাজনীতি করছে বলে মন্তব্য করেন সাবেক এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। সভায় বক্তারা বলেন, ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল। তারা পাকিস্তানের দালালদের কখনো সমর্থন করবে না। যারা এসব বিষয়ে ‘আহাম্মকি মার্কা’ কথা বলে জাতিকে বিভ্রান্তি করছে তাদের আস্ফালন করেই সময় পার করতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি ব্যারিস্টার সোহরাব আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ সম্পাদক এম এ করিম, শাহজাহান সাজু, সোহেলী পারভিন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার, পরিষদের জিন্নাত আলী খান প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment