নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডারের
প্রধান আসামি পলাতক কাউন্সিলর নূর হোসেনের অন্যতম ঘনিষ্ট এবং সংরক্ষিত
নারী আসনের কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস নীলাকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

রোববার
বিকেল ৬টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের হাজীগঞ্জের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে
থেকে তাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ও সদর মডেল থানা পুলিশের একটি টিম
আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সাড়ে ৮টায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এর আগে বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন জেলা প্রশাসনের সার্কিট হাউজে সুশীল সমাজের গণশুনানিতে অংশ নেন নীলা। সেখান থেকে বেরিয়ে একটি মাইক্রোবাসে সিদ্ধিরগঞ্জ যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হয়।
নীলা এর আগে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নূর হোসেন তাকে রক্ষিতা বানাতে চেয়েছিল। তাকে বিভিন্ন সময়ে ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া নূর হোসেনের কারণে নীলা তার স্বামীকেও ডিভোর্স দেন।
গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সবারই হাত-পা বাঁধা ছিল। পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন। প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দু’টি করে বস্তা বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র্যাব-১১ এর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেন নিহত প্যানেল মেয়র নজরুলের পরিবারের সদস্যরা।
প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদ চেয়ারম্যান গত ৪ মে অভিযোগ করেন, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন কাউন্সিলর নূর হোসেন।
এর আগে বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন জেলা প্রশাসনের সার্কিট হাউজে সুশীল সমাজের গণশুনানিতে অংশ নেন নীলা। সেখান থেকে বেরিয়ে একটি মাইক্রোবাসে সিদ্ধিরগঞ্জ যাওয়ার পথে তাকে আটক করা হয়।
নীলা এর আগে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নূর হোসেন তাকে রক্ষিতা বানাতে চেয়েছিল। তাকে বিভিন্ন সময়ে ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি উপহার দেওয়া হয়। এ ছাড়া নূর হোসেনের কারণে নীলা তার স্বামীকেও ডিভোর্স দেন।
গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সবারই হাত-পা বাঁধা ছিল। পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন। প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দু’টি করে বস্তা বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র্যাব-১১ এর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেন নিহত প্যানেল মেয়র নজরুলের পরিবারের সদস্যরা।
প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদ চেয়ারম্যান গত ৪ মে অভিযোগ করেন, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন কাউন্সিলর নূর হোসেন।
No comments:
Post a Comment