আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া ও এর চার
প্রতিবেশী দেশ ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠন বোকো হারামের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা
করেছে। বোকাম হারামকে ‘আঞ্চলিক আল-কায়েদা’ উল্লেখ করে এসব দেশের নেতারা
বলেন, বোকো হারাম যে ২২০ জন স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করেছে তাদের মেরে ফেলতে
পারে।

সংগঠনটি
আফ্রিকার সবার জন্যই হুমকি। গত মাসে বোকো হারামের ঘাঁটি উত্তর-পূর্ব
নাইজেরিয়া থেকে ২২৩ জন স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। এরপর এক ভিডিওতে শতাধিক
ছাত্রীকে দেখানো হয়। বোকো হারামের কারাবন্দী সদস্যদের মুক্তি দিলে এসব
স্কুলছাত্রীদের ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু নাইজেরিয়ার
প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথন বোকো হারামের সমঝোতা প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
নাইজেরিয়া, বেনিন, ক্যামেরুন, নাইজার ও চাদ এই পাঁচ দেশের নেতারা অপহৃত
ছাত্রীদের মুক্তির জন্য গোয়েন্দা ও সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করবে। এছাড়া
পশ্চিমা দেশগুলো চরমপন্থী জঙ্গী দমনে ‘টেকনিক্যাল সাপোর্ট’ দেওয়ার ঘোষণা
দিয়েছে। জনাথন ফ্যান্সের রাজধানী প্যারিসে এক সম্মেলনে বলেন, বোকো হারাম
এখন আর শুধু আঞ্চলিক মাথা ব্যথার কারণ নয়। এটি পরিষ্কারভাবে আল কায়েদার হয়ে
কাজ করছে। সম্মেলনটির আয়োজক ফান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঁসোয়া ওঁলাদ। জনাথন
বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশিলতা রক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পশ্চিম আফ্রিকার
দেশগুলোর সাহায্য ছাড়া আমরা এসব সন্ত্রাসীদের দমন করতে পারব না। অপহৃত
স্কুলছাত্রীদের উদ্ধারে তার সরকার পর্যাপ্ত উদ্যোগ নিয়েছে এমন দাবি করে
জনাথন বলেন, যেসব অঞ্চলে বোকো হারাম সক্রিয় সেখানে নাইজেরিয়া সরকার ২০
হাজার সেনা, এয়ারক্র্যাফট ও গোয়েন্দা নিযুক্ত করেছে। প্রেসিডেন্ট বলেন, তবে
স্কুলছাত্রীদের অবস্থান সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার জন্য তাদের
উদ্ধার সম্ভব হচ্ছে না।
No comments:
Post a Comment