ভাইয়ের প্রেমের অপরাধে জেল খাটছেন সিলেটের মদনমোহন কলেজের শিক্ষার্থী
ফারহানা ইয়াসমিন। পরীক্ষাও দিচ্ছেন জেলের ভেতর থেকেই। জকিগঞ্জ উপজেলার
সিরাজপাড়া গ্রামের আবদুল মান্নানের মেয়ে ফারহানা কারাবন্দি আছেন গত ২৮শে
মার্চ থেকে। তার ছোট ভাই শাহজাহান আহমদের বিরুদ্ধে একই গ্রামের মৃত মাওলানা
কুতুব উদ্দিনের মেয়ে তাজকেরা জান্নাত সুমীকে অপহরণের মামলা। এজাহারভুক্ত
আসামি না হয়েও ফারহানা জেল খাটছেন এ মামলাতেই। হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েও
বের হতে পারছেন না জেল থেকে। আর আগাম জামিন পেয়েও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মামলার
অন্য আসামিরা। আইনজীবীর দেয়া প্রত্যয়ন আমলে না নিয়ে পুলিশ তাদের এখনও
হয়রানি করছে- এমন অভিযোগ আসামি পক্ষের।

জকিগঞ্জ
উপজেলার জোবেদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহজাহান আহমদের সঙ্গে
সহপাঠী তাজকেরা জান্নাত সুমীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দু’জনেই এবার এসএসসি
পরীক্ষা দিয়েছে। গত ৭ই মার্চ থেকে উধাও রয়েছে দু’জনেই। এ ঘটনায় শাহজাহানসহ ৬
জনের নামোল্লেখ করে ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে জকিগঞ্জ থানায় মামলা করেন সুমীর ভাই
তারেক আহমদ। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৭ই মার্চ সুমীকে তার বোনের
বাড়ি জকিগঞ্জের কলাকুটা থেকে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে অপহরণ করা হয়। এজাহারে
উল্লেখ করা হয়, শাহজাহানসহ কয়েকজন জোর করে মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়
সুমীকে।
ভাইয়ের খবর নেই। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা মামলা-গ্রেপ্তারের ভয়ে ঘরছাড়া। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এর মধ্যে পুলিশ আটক করে ফারহানা ইয়াসমীনকে। এজাহারে কোথাও শাহজাহানের বড় বোন সিলেটের মদনমোহন কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী ফারহানা ইয়াসমীনের নাম বা তার সম্পর্কে কোন উল্লেখ না থাকলেও ২৭শে মার্চ পুলিশ পাঠানচক গ্রামের খালার বাসা থেকে তাকে আটক করে। পুলিশি মামলা-হয়রানির ভয়ে ঘরের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে খালার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন ফারহানা। এজাহারে নাম না থাকলেও পুলিশ তাকে আসামি দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠায়। জেলে থেকেই ফারহানা ১১ই এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিচ্ছেন। জেল খেটেই শেষ নয়, ৮ই এপ্রিল তাকে রিমান্ডে নেয়ারও আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত তা আমলে না নিয়ে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন শুধু। ২২শে এপ্রিল হাইকোর্ট থেকে জামিন পান ফারহানা। অবশ্য এ সংক্রান্ত আদেশ কারাগারে না পৌঁছায় মুক্তি মিলেনি তার।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার এসআই মো. আলী খান বলেন, অপহরণের তথ্য জানতেই ফারহানাকে আটক করা হয়েছিল। তিনি জানান, এজাহারে নাম না থাকলেও তিনি সন্দেহমুক্ত নন। অন্যান্য আসামি প্রসঙ্গে তিনি জানান, পলাতক থাকা ১নং আসামি শাহজাহান ও ভিকটিম সুমীকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির করার শর্তে তারা আগাম জামিন নিয়েছেন। একই দিন জামিন পান ফারহানা। তিনি বলেন, তবে এ সংক্রান্ত কোন আদেশ তাদের কাছে এখনও পৌঁছেনি।
ভাইয়ের খবর নেই। পরিবারের পুরুষ সদস্যরা মামলা-গ্রেপ্তারের ভয়ে ঘরছাড়া। সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এর মধ্যে পুলিশ আটক করে ফারহানা ইয়াসমীনকে। এজাহারে কোথাও শাহজাহানের বড় বোন সিলেটের মদনমোহন কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী ফারহানা ইয়াসমীনের নাম বা তার সম্পর্কে কোন উল্লেখ না থাকলেও ২৭শে মার্চ পুলিশ পাঠানচক গ্রামের খালার বাসা থেকে তাকে আটক করে। পুলিশি মামলা-হয়রানির ভয়ে ঘরের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে খালার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন ফারহানা। এজাহারে নাম না থাকলেও পুলিশ তাকে আসামি দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠায়। জেলে থেকেই ফারহানা ১১ই এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিচ্ছেন। জেল খেটেই শেষ নয়, ৮ই এপ্রিল তাকে রিমান্ডে নেয়ারও আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত তা আমলে না নিয়ে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন শুধু। ২২শে এপ্রিল হাইকোর্ট থেকে জামিন পান ফারহানা। অবশ্য এ সংক্রান্ত আদেশ কারাগারে না পৌঁছায় মুক্তি মিলেনি তার।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জকিগঞ্জ থানার এসআই মো. আলী খান বলেন, অপহরণের তথ্য জানতেই ফারহানাকে আটক করা হয়েছিল। তিনি জানান, এজাহারে নাম না থাকলেও তিনি সন্দেহমুক্ত নন। অন্যান্য আসামি প্রসঙ্গে তিনি জানান, পলাতক থাকা ১নং আসামি শাহজাহান ও ভিকটিম সুমীকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির করার শর্তে তারা আগাম জামিন নিয়েছেন। একই দিন জামিন পান ফারহানা। তিনি বলেন, তবে এ সংক্রান্ত কোন আদেশ তাদের কাছে এখনও পৌঁছেনি।
No comments:
Post a Comment