নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সেভেন মার্ডার
মামলায় গ্রেপ্তারকৃত র্যাবের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের মধ্যে লে. কর্নেল
তারেক সাঈদ উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। এজন্য তিনি নিয়মিত ওষুধ
সেবন করছেন।

ওই
ওষুধের মাত্রা ঠিক আছে কিনা সেটা জানতে গতকাল সকালে জেলা স্বাস্থ্য
বিভাগের একজনকে পাঠানো হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. দুলাল চন্দ্র
চৌধুরী জানান, এসপির লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে মেডিক্যাল
অফিসার প্রবীর কুমার নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা
তিনজনের ওষুধ পরীক্ষার জন্য যান। গ্যাস্ট্রিক ও প্রেসারের সমস্যা থাকায় কি
পরিমাণ ওষুধ সেবন করছে সেগুলো ঠিক আছে কিনা জানতেই মূলত চিকিৎসককে পাঠানো
হয়। ওষুধ পরীক্ষা করে চিকিৎসক আবার চলে এসেছেন।ড়এর আগে নারায়ণগঞ্জ জেলা
পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন জানিয়েছিলেন, রিমান্ডে থাকা আসামিদের
ওষুধ পরীক্ষা কিংবা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডাক্তার দেখানোর বিধান আছে।
কারণ, রিমান্ডের আগে আসামিদের যে ভাবে আদালত থেকে আনা হয়েছে সে ভাবেই
রিমান্ড শেষে আদালতে হস্তান্তর করতে হবে।ড়একটি সূত্র জানায়, রিমান্ডে থাকা
র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, এমএম রানা ও মো. আরিফকে
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন আরআইআর ভবনের দোতলার তিনটি আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা
হয়েছে। এদের মধ্যে তারেক সাঈদ মোহাম্মদ উচ্চ রক্ত চাপে ভুগছেন, কখনও
প্রেসার বাড়ছে আবার কখনও কমছে। তবে এমএম রানা ও মো. আরিফের অবস্থা
স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সেভেন মার্ডারের
ঘটনায় রিমান্ডে থাকা র্যাবের তিন কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণ ও হত্যাকা-
সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য দিচ্ছেন না। তারা বারবার ওই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের
সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করছেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গঠিত ১২
সদস্যের কমিটির সদস্যরা তিনজনকে কখনও পৃথকভাবে আবার কখনও একসঙ্গে কয়েক দফা
জিজ্ঞাসাবাদ করলেও আসামিরা একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে আসছেন। ফলে অপহরণের দিন
ওই সময়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি কেন
অপহৃতদের স্বজনদের র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বললেন- এজন্য সাবেক ওই
এসপিকে জিজ্ঞাসাবাদের চিন্তা করছে কমিটি। তবে তিন আসামি রিমান্ডে থাকার
সময়ের মধ্যেই ওই এসপির জিজ্ঞাসাবাদের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
সূত্র জানায়, শনিবার দু’জন ও রোববার একজনকে রিমান্ডে নেয়ার পর তাদের আলাদা ও
একসঙ্গেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তারা পুরো ঘটনায় নিজেদের কোন
ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন। তারা জিজ্ঞাসাবাদ কমিটিকে বলেছেন,
তারা নূর হোসেনকে চিনতেন এলাকার একজন কাউন্সিলর হিসেবে। কিন্তু কোন ধরনের
সখ্য ছিল না।ড়এদিকে সেভেন মার্ডারের পর হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত সরকারের
তদন্ত কমিটির গণশুনানিতে যেসব প্রত্যক্ষদর্শী বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলোর কথাও
রিমান্ডের তিনজনকে মনে করিয়ে দেয়া হয়। তখন তারা বলেন, এটা র্যাবের
বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। নারায়ণগঞ্জে যারা আমাদের অপছন্দ করতো ও
ক্ষিপ্ত ছিল তারাই এ ধরনের কথা রটাচ্ছে।ড় সূত্রমতে, এখন পর্যন্ত তাদের
আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও মূলত কথা বলছেন লে. কর্নেল তারেক সাঈদ ও লে.
কমান্ডার এমএম রানা। অন্য কর্মকর্তা মেজর আরিফ এ বিষয়ে খুবই কম কথা বলছেন
বলে জানা গেছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে সর্বোচ্চ তদন্ত করার পরামর্শ
দিচ্ছেন।
নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ৮ বছর পর হত্যা মামলা
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সেভেন মার্ডার মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ৮ বছর আগে সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় টিপু সুলতান নামে এক স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগে নিহতের বাবা কাজী আক্তার হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক এইচ এম শফিকুল ইসলাম সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে মামলাটি গ্রহণের নির্দেশ দেন। ঘটনার ৮ বছর পর দায়ের করা মামলায় নূর হোসেনের আরও ৫ সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলো, নূর হোসেনের সহযোগী রফিকুল ইসলাম রতন (গ্রেপ্তার), আমিনুল, রোস্তম আলী, জাকির ও সুন্দর আলী জামান। মামলায় ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালের ২০শে আগস্ট আসামিরা বাদী কাজী আক্তার হোসেনের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবি করা চাঁদা না দেয়ায় মহিউদ্দিন আদর্শ কিন্ডার গার্টেনের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র টিপু সুলতানকে ওই বছরের ২৬শে আগস্ট বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মৃতদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এলাকাবাসীর সূত্রমতে, নূর হোসেন ২০০১ সালের অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনের পর পালিয়ে যায়। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে দেশে ফিরে আসে। চাঞ্চ্যলকর সেভেন মার্ডারের পর আবার পালিয়েছে নূর হোসেন।
মায়ার পদত্যাগ ও সাবেক ডিসি-এসপির গ্রেপ্তার দাবি আইনজীবীদের
সরকারের মন্ত্রী পরিষদ থেকে ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পদত্যাগ, তার ছেলে দীপু চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক মনোজ কান্তি বড়াল এবং পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। আলোচিত ৭ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টায় নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আইনজীবীদের এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, সেভেন মার্ডারের ঘটনায় লাশের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া আলামত নষ্ট করার পাঁয়তারা চলছে। যদি এ হত্যাকা-ের আলামত নষ্ট হয়ে যায় তাহলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও এ হত্যা মামলায় আসামি করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় সাত হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনে প্রশাসন ব্যর্থ বলে দাবি করেন বক্তারা। নারায়ণগঞ্জের সাবেক ডিসি, এসপিকে অভিযুক্ত করে বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জে যত খুন, গুম, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসা যারা করে যাচ্ছিল তাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের সাবেক ডিসি এসপিরা সম্পৃক্ত ছিল। নূর হোসেনকে তারা অবৈধ মেলা চালানোর লাইসেন্স এনে দিয়েছে। সাবেক ডিসি মনোজ কান্তি বড়াল নূর হোসেন ও তার বাহিনীকে ১১টি অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে। মনোজ কান্তি বড়াল নূর হোসেনের টাকা খেয়ে তাকে গডফাদার বানিয়েছিল। তাদেরকে শুধু বদলি করলেই চলবে না, তাদেরকে হত্যা মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখাতে হবে। নূর হোসেনের পেছনে অনেক গডফাদার ছিল।ড়হত্যাকা-ের শিকার এডভোকেট চন্দন সরকারে মেয়ে সেজুতি সরকার বলেন, আমার বাবার হত্যাকা- নিয়ে আমরা এখনও অন্ধকারে আছি। আমরা এখন পর্যন্ত কিছু জানি না। এভাবে আর কতদিন অন্ধকারে থাকা যায়। আমরা আমাদের বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই। যাতে করে এমন নৃশংস ঘটনার আর জন্ম না হয়। জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাকির হোসেন, সহসভাপতি এডভোকেট সরকার হুমায়ন কবির, এডভোকেট মশিউর রহমান শাহীন, সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবদুল বারী ভূঁইয়া, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, এডভোকেট শরৎচন্দ্র ম-ল, এডভোকেট রমজান আলী, এডভোকেট রকিবুল হাসান শিমুল, এডভোকেট তারাজ উদ্দিন, এডভোকেট মাহাবুব, এডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান প্রমুখ।
নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ৮ বছর পর হত্যা মামলা
নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সেভেন মার্ডার মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আরও একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। ৮ বছর আগে সিদ্ধিরগঞ্জের আজিবপুর এলাকায় টিপু সুলতান নামে এক স্কুলছাত্রকে হত্যার অভিযোগে নিহতের বাবা কাজী আক্তার হোসেন বাদী হয়ে মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটির জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক এইচ এম শফিকুল ইসলাম সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে মামলাটি গ্রহণের নির্দেশ দেন। ঘটনার ৮ বছর পর দায়ের করা মামলায় নূর হোসেনের আরও ৫ সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলো, নূর হোসেনের সহযোগী রফিকুল ইসলাম রতন (গ্রেপ্তার), আমিনুল, রোস্তম আলী, জাকির ও সুন্দর আলী জামান। মামলায় ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৬ সালের ২০শে আগস্ট আসামিরা বাদী কাজী আক্তার হোসেনের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবি করা চাঁদা না দেয়ায় মহিউদ্দিন আদর্শ কিন্ডার গার্টেনের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র টিপু সুলতানকে ওই বছরের ২৬শে আগস্ট বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মৃতদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়া হয়। এলাকাবাসীর সূত্রমতে, নূর হোসেন ২০০১ সালের অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনের পর পালিয়ে যায়। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে দেশে ফিরে আসে। চাঞ্চ্যলকর সেভেন মার্ডারের পর আবার পালিয়েছে নূর হোসেন।
মায়ার পদত্যাগ ও সাবেক ডিসি-এসপির গ্রেপ্তার দাবি আইনজীবীদের
সরকারের মন্ত্রী পরিষদ থেকে ত্রাণ ও দুর্যোগমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পদত্যাগ, তার ছেলে দীপু চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক মনোজ কান্তি বড়াল এবং পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। আলোচিত ৭ হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টায় নারায়ণগঞ্জ আদালত পাড়ায় জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আইনজীবীদের এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, সেভেন মার্ডারের ঘটনায় লাশের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া আলামত নষ্ট করার পাঁয়তারা চলছে। যদি এ হত্যাকা-ের আলামত নষ্ট হয়ে যায় তাহলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও এ হত্যা মামলায় আসামি করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় সাত হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনে প্রশাসন ব্যর্থ বলে দাবি করেন বক্তারা। নারায়ণগঞ্জের সাবেক ডিসি, এসপিকে অভিযুক্ত করে বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জে যত খুন, গুম, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসা যারা করে যাচ্ছিল তাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের সাবেক ডিসি এসপিরা সম্পৃক্ত ছিল। নূর হোসেনকে তারা অবৈধ মেলা চালানোর লাইসেন্স এনে দিয়েছে। সাবেক ডিসি মনোজ কান্তি বড়াল নূর হোসেন ও তার বাহিনীকে ১১টি অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে। মনোজ কান্তি বড়াল নূর হোসেনের টাকা খেয়ে তাকে গডফাদার বানিয়েছিল। তাদেরকে শুধু বদলি করলেই চলবে না, তাদেরকে হত্যা মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখাতে হবে। নূর হোসেনের পেছনে অনেক গডফাদার ছিল।ড়হত্যাকা-ের শিকার এডভোকেট চন্দন সরকারে মেয়ে সেজুতি সরকার বলেন, আমার বাবার হত্যাকা- নিয়ে আমরা এখনও অন্ধকারে আছি। আমরা এখন পর্যন্ত কিছু জানি না। এভাবে আর কতদিন অন্ধকারে থাকা যায়। আমরা আমাদের বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই। যাতে করে এমন নৃশংস ঘটনার আর জন্ম না হয়। জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাকির হোসেন, সহসভাপতি এডভোকেট সরকার হুমায়ন কবির, এডভোকেট মশিউর রহমান শাহীন, সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবদুল বারী ভূঁইয়া, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম, এডভোকেট শরৎচন্দ্র ম-ল, এডভোকেট রমজান আলী, এডভোকেট রকিবুল হাসান শিমুল, এডভোকেট তারাজ উদ্দিন, এডভোকেট মাহাবুব, এডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment