নারায়ণগঞ্জে সেভেন মার্ডারের পর এবার আরো দুইজন ব্যবসায়ীকে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে র্যাবের বিরুদ্ধে। রোববার
দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের গেটে রূপগঞ্জের
জমি ব্যবসায়ী ইমান হোসেন শওকত ও সোনারগাঁও এলাকার ক্লিনিক ব্যবসায়ী তাজুল
ইসলামের পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন করে এ হত্যার অভিযোগ করেন।

এ
নিয়ে র্যাবের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল
ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগসহ মোট ৯
জনকে টাকার বিনিময়ে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে র্যাবের
বিরুদ্ধে কাচঁপুর এলাকার যুবলীগ নেতা ইসমাইলকে অপহরণ এবং মুক্তিপণের জন্য ২
কোটি টাকা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন অপহৃত ইসমাইলের পরিবার।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জের মুড়াপাড়া ব্রাহ্মণগাঁও
এলাকার জমি ব্যবসায়ী ইমান হোসেন শওকতের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী শাহেরা, শওকতের
মা হেলেনা আক্তার, বড় বোন শিল্পী, মিজান, সোনারগাঁও এলাকার ক্লিনিক
ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের বৃদ্ধ বাবা হাজী জহিরুল হক মোল্লা, বন্ধু কবির
হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দুই পরিবারের সদস্যরাই তাদের স্বজন
হারানোর বেদনায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা তাদের স্বজনদের হত্যার সঙ্গে
র্যাব-১১ এর মেজর আরিফকে দায়ী করে তার ফাঁসির দাবি জানান।
মানববন্ধনে রূপগঞ্জের ব্যবসায়ী শওকতের স্ত্রী শাহেরা অভিযোগ করেন, রূপগঞ্জের জমি ব্যবসায়ী শওকতকে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর র্যাব-১১ এর মেজর আরিফ মুখে কালো কাপড় বেঁধে সাদা রঙের কালো গ্লাসের একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যান। এরপর শওকতের ব্যবসায়ের অংশীদার আলমাছ জানান, ১ কোটি টাকা দিলে র্যাবের মেজর আরিফ শওকতকে ছেড়ে দেবেন। পরে গ্রামের অনেক লোকের উপস্থিতিতে র্যাবের কথা বলে আলমাছ শওকতের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়ে যান। এরপরও শওকতকে মুক্তি না দেওয়ায় শওকতের বাবা আবদুল লতিফ র্যাবের আদমজী কার্যালয়ে গিয়ে নিজের ছেলেকে ধরে আনার কথা জানতে চাইলে র্যাব তাকে জানায়, তারা শওকত নামের কাউকে ধরে আনেনি। এরপর ১১ অক্টোবর রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে শওকতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শওকতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে আলমাছের সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় তারা শওকতের ছোট ভাইকে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। তার মাথায় আঘাত করার কারণে এখন পর্যন্ত তিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। এদিকে সোনারগাঁওয়ের ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের বাবা জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার ছেলের মালিকানাধীন রয়েল স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেম্বারে বসা নিয়ে তাজুলের সঙ্গে তার ফুফাতো ভাই ডা. কামরুজ্জামানের ঝামেলা চলছিল। এ ঘটনার জের ধরে কামরুজ্জামান গত বছরের ২০ নভেম্বর তাজুল ইসলামকে র্যাব দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে তার কাছ থেকে জোর করে এক্সিম ব্যাংকের সোনারগাঁও শাখার একাউন্ট নাম্বার ৬০১১১০০০১১২৪৭ থেকে ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ২০ টাকার একটি চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। চেক নং ৯৬৫০৪৫২।
একই সঙ্গে একশ’ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত রাখেন এবং তাকে হুমকি দেওয়া হয় যে, এ ব্যাপারে কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলা হবে। পরে এ ঘটনায় তাজুল ইসলাম ২৩ নভেম্বর বন্দর ও সোনারগাঁও থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু তার চেক ও স্ট্যাম্প ফিরে না পেয়ে তাজুল ইসলাম আদালতে একটি পিটিশন করেন। যেটা তাজুলের লাশ উদ্ধারের পর মামলা হিসেবে গৃহীত হয়। এরপর গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের নয়াপাড়া এলাকা থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাজুল ইসলামকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর বন্দর থানায় একটি অপহরণ মামলা করা হয়।
তাজুলের বাবা জহিরুল ইসলাম ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সদ্য গ্রেফতারকৃত র্যাব-১১ এর সাবেক সিও লে কর্নেল তারেক সাঈদ ও মেজর আরিফের সাথে সাক্ষাত্ করতে সিদ্ধিরগঞ্জ আদমজী র্যাব-১১ এর অফিসে যান। সে সময় র্যাবের তারেক সাঈদ বলেন, আমাদের কাছে আসছো কেন? যাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছো, তারাই তোর ছেলেকে ফেরত দেবে। এ সময় পিতা জহিরুলরে সঙ্গে যাওয়া তার মেয়েকে দেখে তারেক সাঈদ জিজ্ঞাসা করেন, তার নাম কি? বাবা বলেন, হাসিনা। এ কথা বলতেই অট্টহাসি দিয়ে তারেক সাঈদ বলেন, ওর নাম হাসিনা, ওই তো দেশের মালিক। আমার কাছে কেন? তোর ছেলের কাছে কামারুজ্জামান টাকা পান, দেস না কেন? এ সময় তিনি উত্তরে বলেন, টাকার বিষয়টা এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনার কাজ কি টাকা তুলে দেওয়া নাকি?
এ কথা বলতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন তারেক সাঈদ। বের করে দেন অফিস থেকে। র্যাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার এ অভিযোগ তিনি দ্বারে দ্বারে করেছেন। এর মধ্যেই নিখোঁজের ১৭ দিন পর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি সোনারগাঁও মেঘনা উপজেলার রামপ্রসাদের চর এলাকার মেঘনা নদী থেকে অপহ্নত ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মানববন্ধনে রূপগঞ্জের ব্যবসায়ী শওকতের স্ত্রী শাহেরা অভিযোগ করেন, রূপগঞ্জের জমি ব্যবসায়ী শওকতকে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর র্যাব-১১ এর মেজর আরিফ মুখে কালো কাপড় বেঁধে সাদা রঙের কালো গ্লাসের একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যান। এরপর শওকতের ব্যবসায়ের অংশীদার আলমাছ জানান, ১ কোটি টাকা দিলে র্যাবের মেজর আরিফ শওকতকে ছেড়ে দেবেন। পরে গ্রামের অনেক লোকের উপস্থিতিতে র্যাবের কথা বলে আলমাছ শওকতের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা নিয়ে যান। এরপরও শওকতকে মুক্তি না দেওয়ায় শওকতের বাবা আবদুল লতিফ র্যাবের আদমজী কার্যালয়ে গিয়ে নিজের ছেলেকে ধরে আনার কথা জানতে চাইলে র্যাব তাকে জানায়, তারা শওকত নামের কাউকে ধরে আনেনি। এরপর ১১ অক্টোবর রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে শওকতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শওকতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে গেলে আলমাছের সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় তারা শওকতের ছোট ভাইকে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। তার মাথায় আঘাত করার কারণে এখন পর্যন্ত তিনি ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না। এদিকে সোনারগাঁওয়ের ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের বাবা জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার ছেলের মালিকানাধীন রয়েল স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেম্বারে বসা নিয়ে তাজুলের সঙ্গে তার ফুফাতো ভাই ডা. কামরুজ্জামানের ঝামেলা চলছিল। এ ঘটনার জের ধরে কামরুজ্জামান গত বছরের ২০ নভেম্বর তাজুল ইসলামকে র্যাব দিয়ে ধরিয়ে নিয়ে তার কাছ থেকে জোর করে এক্সিম ব্যাংকের সোনারগাঁও শাখার একাউন্ট নাম্বার ৬০১১১০০০১১২৪৭ থেকে ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার ২০ টাকার একটি চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। চেক নং ৯৬৫০৪৫২।
একই সঙ্গে একশ’ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত রাখেন এবং তাকে হুমকি দেওয়া হয় যে, এ ব্যাপারে কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলা হবে। পরে এ ঘটনায় তাজুল ইসলাম ২৩ নভেম্বর বন্দর ও সোনারগাঁও থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি করেন। কিন্তু তার চেক ও স্ট্যাম্প ফিরে না পেয়ে তাজুল ইসলাম আদালতে একটি পিটিশন করেন। যেটা তাজুলের লাশ উদ্ধারের পর মামলা হিসেবে গৃহীত হয়। এরপর গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর সোনারগাঁওয়ের নয়াপাড়া এলাকা থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাজুল ইসলামকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর বন্দর থানায় একটি অপহরণ মামলা করা হয়।
তাজুলের বাবা জহিরুল ইসলাম ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সদ্য গ্রেফতারকৃত র্যাব-১১ এর সাবেক সিও লে কর্নেল তারেক সাঈদ ও মেজর আরিফের সাথে সাক্ষাত্ করতে সিদ্ধিরগঞ্জ আদমজী র্যাব-১১ এর অফিসে যান। সে সময় র্যাবের তারেক সাঈদ বলেন, আমাদের কাছে আসছো কেন? যাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছো, তারাই তোর ছেলেকে ফেরত দেবে। এ সময় পিতা জহিরুলরে সঙ্গে যাওয়া তার মেয়েকে দেখে তারেক সাঈদ জিজ্ঞাসা করেন, তার নাম কি? বাবা বলেন, হাসিনা। এ কথা বলতেই অট্টহাসি দিয়ে তারেক সাঈদ বলেন, ওর নাম হাসিনা, ওই তো দেশের মালিক। আমার কাছে কেন? তোর ছেলের কাছে কামারুজ্জামান টাকা পান, দেস না কেন? এ সময় তিনি উত্তরে বলেন, টাকার বিষয়টা এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বার দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনার কাজ কি টাকা তুলে দেওয়া নাকি?
এ কথা বলতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন তারেক সাঈদ। বের করে দেন অফিস থেকে। র্যাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার এ অভিযোগ তিনি দ্বারে দ্বারে করেছেন। এর মধ্যেই নিখোঁজের ১৭ দিন পর চলতি বছরের ২ জানুয়ারি সোনারগাঁও মেঘনা উপজেলার রামপ্রসাদের চর এলাকার মেঘনা নদী থেকে অপহ্নত ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
No comments:
Post a Comment