নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা
পার্টির (বিজেপি) প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে একটি
অভিযোগ (এফআইআর) দায়ের করা হয়েছে। এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর জরিমানা বা
দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে
জানানো হয়, গুজরাট রাজ্যের আহমেদাবাদের একটি স্কুলে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রে
ভোট দেওয়ার পর ওই আঙিনার মধ্যেই অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে ও
বিজেপির প্রতীক কাগজের পদ্মফুল প্রদর্শন করে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করেন
মোদি। মোদিকে নিয়ে বিতর্কের শুরু সেখান থেকেই। সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর নাম
উল্লেখ না করে তিনি বলেন, মা-ছেলের শাসন শেষ। দিল্লিতে বিজেপির সরকার গঠিত
হতে চলেছে।

এত
দিন ভোট যা হয়েছে, এতে তাঁদের সরকারের ভিত প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এবার যে ভোট
হচ্ছে, তা মজবুত সরকার গঠন করবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে সেই আলাপচারিতায় মোদি
সুকৌশলে হাতে ধরে রাখেন বিজেপির প্রতীক কাগজের তৈরি একটি ছোট পদ্ম ফুল।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মোদির বেশ কিছুক্ষণের এ আলাপচারিতা সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ামাত্র নড়েচড়ে বসে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হয়, মোদি আদর্শ নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনও সময় নষ্ট না করে বিজেপি নেতার বক্তব্যের ভিডিও চেয়ে পাঠিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ পাঠায়। নোটিশে বলা হয়েছে, মোদির কথাবার্তার মধ্য দিয়ে এটা পরিষ্কার, তিনি ভোটদান শেষে রাজনৈতিক ভাষণ দিয়েছেন, যার লক্ষ্য দেশব্যাপী ভোটারদের প্রভাবিত করা। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের কর্মকর্তার প্রতিবেদনও চেয়ে পাঠায় এবং গুজরাট সরকারকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেয়।
পরে আহমেদাবাদ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ মোদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে।
মোদির এসব কর্মকাণ্ড যেসব টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব পিপলস অ্যাক্ট’ ভঙ্গের অভিযোগে এফআইআর করা হয়েছে।
পরে তিরুপতিতে এক সমাবেশে মোদি বলেন, এটি তাঁর জীবনে প্রথম এফআইআর এবং তিনি জীবনে এ দিনটি ভুলবেন না। তিনি কংগ্রসের সমালোচনা করে বলেন, ‘এটি খুবই দঃখজনক যে এক সময় চা বিক্রি করে যিনি জীবন ধারণ করতেন, তিনি আজ এটি চ্যালেঞ্জ করছেন। কেউ যদি ছুরি, পিস্তল বা বন্দুক তুলে ধরে, তবে তার বিরুদ্ধে এফআইআর হলে তা মানুষ বুঝতে পারে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কেন এফআইআর হয়েছে, জানেন? কারণ আমি জনগণের উদ্দেশে পদ্ম ফুল দেখিয়েছি।’
বিজেপির মুখপাত্র মিনাক্ষী লেখি বলেন, ‘তিনি (মোদি) নির্বাচনী কোনো বিধিমালা ভঙ্গ করেননি। কেননা এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন ছিল না। মিনাক্ষী আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং এর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে।’
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কপিল শিবাল বলেন, দলের প্রতীক দেখিয়ে জনগণকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোদি দেখিয়েছেন নির্বাচনী নীতিমালা ও আইনের প্রতি তাঁর কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তিনি একজন সুবিধাবাদী এবং যা খুশি তাই করতে পারেন। একই সঙ্গে কংগ্রেস ভাদোদরা ও বারানসি থেকে মোদির প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেছে।
আম আদমি পার্টি এক বিবৃতিতে জানায়, এই এফআইআর দাখিল করার নির্দেশের মধ্য দিয়ে এটিই প্রমাণিত হয়, মোদি ও বিজেপি এ ধরনের অপরাধ অহরহ করে থাকে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে মোদির বেশ কিছুক্ষণের এ আলাপচারিতা সরাসরি সম্প্রচারিত হওয়ামাত্র নড়েচড়ে বসে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করা হয়, মোদি আদর্শ নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনও সময় নষ্ট না করে বিজেপি নেতার বক্তব্যের ভিডিও চেয়ে পাঠিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে নোটিশ পাঠায়। নোটিশে বলা হয়েছে, মোদির কথাবার্তার মধ্য দিয়ে এটা পরিষ্কার, তিনি ভোটদান শেষে রাজনৈতিক ভাষণ দিয়েছেন, যার লক্ষ্য দেশব্যাপী ভোটারদের প্রভাবিত করা। নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের কর্মকর্তার প্রতিবেদনও চেয়ে পাঠায় এবং গুজরাট সরকারকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দেয়।
পরে আহমেদাবাদ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ মোদির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে।
মোদির এসব কর্মকাণ্ড যেসব টেলিভিশন চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচার করেছে, তাদের বিরুদ্ধেও ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব পিপলস অ্যাক্ট’ ভঙ্গের অভিযোগে এফআইআর করা হয়েছে।
পরে তিরুপতিতে এক সমাবেশে মোদি বলেন, এটি তাঁর জীবনে প্রথম এফআইআর এবং তিনি জীবনে এ দিনটি ভুলবেন না। তিনি কংগ্রসের সমালোচনা করে বলেন, ‘এটি খুবই দঃখজনক যে এক সময় চা বিক্রি করে যিনি জীবন ধারণ করতেন, তিনি আজ এটি চ্যালেঞ্জ করছেন। কেউ যদি ছুরি, পিস্তল বা বন্দুক তুলে ধরে, তবে তার বিরুদ্ধে এফআইআর হলে তা মানুষ বুঝতে পারে। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কেন এফআইআর হয়েছে, জানেন? কারণ আমি জনগণের উদ্দেশে পদ্ম ফুল দেখিয়েছি।’
বিজেপির মুখপাত্র মিনাক্ষী লেখি বলেন, ‘তিনি (মোদি) নির্বাচনী কোনো বিধিমালা ভঙ্গ করেননি। কেননা এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন ছিল না। মিনাক্ষী আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং এর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে।’
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কপিল শিবাল বলেন, দলের প্রতীক দেখিয়ে জনগণকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোদি দেখিয়েছেন নির্বাচনী নীতিমালা ও আইনের প্রতি তাঁর কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তিনি একজন সুবিধাবাদী এবং যা খুশি তাই করতে পারেন। একই সঙ্গে কংগ্রেস ভাদোদরা ও বারানসি থেকে মোদির প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেছে।
আম আদমি পার্টি এক বিবৃতিতে জানায়, এই এফআইআর দাখিল করার নির্দেশের মধ্য দিয়ে এটিই প্রমাণিত হয়, মোদি ও বিজেপি এ ধরনের অপরাধ অহরহ করে থাকে।
No comments:
Post a Comment