চট্টগ্রামে ট্রাস্ট ট্যাক্সিক্যাবের অধীনে
১৫০টি ট্যাক্সিক্যাব নামানো হচ্ছে। আজ রোববার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
ট্রাস্ট ট্যাক্সিক্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রথম ধাপে
৫০টি ক্যাব নামানো হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি ১০০টি রাস্তায় নামানো
হবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও জিপিএস সুবিধাসংবলিত এসব ট্যাক্সিক্যাবের প্রথম
দুই কিলোমিটারের ভাড়া ৮৫ টাকা। পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৩৪ টাকা ও
অপেক্ষা চার্জ প্রতি মিনিটে চার টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ইবিআরসি কনফারেন্স হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার মেজর জেনারেল সাব্বির আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের চেয়ারম্যান এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের সব অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও টুরিস্ট ভিলেজ গড়ে তোলা হবে। এভাবে গড়ে তোলার জন্য কানেকটিভিটিসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করা হচ্ছে।
ট্যাক্সিক্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আপনাদের একটি সুখবর দিতে চাই। মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত আরেকটি মেরিন ড্রাইভ হবে। আমরা অনতিবিলম্বে ফিজিবিলিটি স্টাডিতে যাবো।’ কক্সবাজার-টেকনাফে ৬৪ কিলোমিটারের মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামে অবারিত সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছি। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। কানেকটিভিটিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের সূচনা করেছি। ইতিমধ্যে তিন পার্বত্য জেলার যোগাযোগব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে। খাগড়াছড়িতে ২০টি ও টেকনাফে ১৪টি সেতুর কাজ হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলে বান্দরবান-নীলগিরি-থানচি-আলীকদম হয়ে কক্সবাজার যাওয়া যাবে। কেরানীহাট বা চট্টগ্রাম শহরে এসে কক্সবাজার যেতে হবে না।’
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের ছিলেন নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, সাংসদ নজরুল ইসলাম, ওয়াসিকা আয়শা খান প্রমুখ।

চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ইবিআরসি কনফারেন্স হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রাম এরিয়ার কমান্ডার মেজর জেনারেল সাব্বির আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের চেয়ারম্যান এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের সব অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও টুরিস্ট ভিলেজ গড়ে তোলা হবে। এভাবে গড়ে তোলার জন্য কানেকটিভিটিসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করা হচ্ছে।
ট্যাক্সিক্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আপনাদের একটি সুখবর দিতে চাই। মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত আরেকটি মেরিন ড্রাইভ হবে। আমরা অনতিবিলম্বে ফিজিবিলিটি স্টাডিতে যাবো।’ কক্সবাজার-টেকনাফে ৬৪ কিলোমিটারের মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামে অবারিত সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে যাচ্ছি। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। কানেকটিভিটিতে দৃশ্যমান পরিবর্তনের সূচনা করেছি। ইতিমধ্যে তিন পার্বত্য জেলার যোগাযোগব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে। খাগড়াছড়িতে ২০টি ও টেকনাফে ১৪টি সেতুর কাজ হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলে বান্দরবান-নীলগিরি-থানচি-আলীকদম হয়ে কক্সবাজার যাওয়া যাবে। কেরানীহাট বা চট্টগ্রাম শহরে এসে কক্সবাজার যেতে হবে না।’
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের ছিলেন নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, সাংসদ নজরুল ইসলাম, ওয়াসিকা আয়শা খান প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment