আনোয়ারা থেকে দিদার হোসেনঃ
আনোয়ারা জুইদন্ডী গ্রামের সোয়াইর বর বাড়ীর মুহাম্মদ শরীফের অসহায় পরিবারের
মেয়ে কহিনুর আক্তার (১৮) কে.ই.পি.জেট ফায়ার ফক্স নামের ফ্যাক্টরীতে চাকরী
করত। ঈদুল আয্হার ছুটির পর বাড়ী থেকে যাওয়ার সময় ১৫নং ঘাট থেকে বেলাল
উদ্দীন, ইকবাল হোসেন, মোক্তার হোসেন ও অজ্ঞাত একজন সহ মোট চারজন মিলে
সি.এন.জিতে করে জোর পূর্বক তোলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ধর্ষকরা হলো বেলাল উদ্দীন পীং-জামাল উদ্দীন সওদাগর বটতলী, আনোয়ারা। ইকবাল,
পীং-আহমদ ছবী, বরুমচড়া, আনোয়ারা। মোক্তার হোসেন পীং- আবব্দুচ ছালাম,
বরুমচড়া, আনোয়ারা। অজ্ঞাত একজন। মেয়ের বাবা জানায় যে, গত শুক্রবার তার মেয়ে
কহিনুর আক্তার বাড়ী থেকে চাকরীতে যাওয়ার জন্য আমার মেয়ের খালা
কামরুন্নাহার সহ বাসায় যাওয়ার জন্যে শুক্রবার বিকাল ৩টার সময় ঘর থেকে বের
হয়ে ১৫নং ঘাট পার হাওয়ার পর আমার মেয়েকে উল্লেখিত ধর্ষকরা জোর পূর্বক একটি
সি.এন.জি তে তোলে নিয়ে যাওয়ার পর অজ্ঞাত স্থানে নিয়া ধর্ষকরা পালাক্রমে
ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার চিৎকার শুনে কোতওয়ালী থানার ডিওটিরত একদল পুলিশ গিয়ে
কহিনুরকে উদ্ধার করে। সেই সাথে ধর্ষক বেলাল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করলেও বাকী
৩জন ধর্ষক পালিয়ে যায়। পর দিন বেলালের পিতা- বেলালকে চট্টগ্রাম জুড়িশিয়াল
ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্ড থেকে জামিনে নিয়ে আসে। ঘটনাটি চুতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়লে
মেয়েটি রবিবারে চাকরী থেকে ছুটি নিয়ে বাসায় গিয়ে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে
জুলিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মেয়ের বাবা মোঃ শরিফ বাদী হয়ে পতেঙ্গা
থানায় গিয়ে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে বলে মেয়ের চাচা লোকমান
হাকীম জানায়। মেয়ের মা বুলু আক্তার বলেন, এদেশে গরীবের কোন মূল্য নেই। আমার
ঘরে অভাব অনটনে দিন যাচ্ছে বলে মেয়েকে চাকরীতে দিয়েছি কিন্তু আমার পুড়া
কপাল, ঘরের অভাব দূর করার জন্য আমার মেয়ের জীবন দিতে হলো। আমি প্রসাশনের
কাছে এটার বিচার চায়। মেয়েটি কে.ই.পি.জেড়ের ফায়ারফক্স নামে ফ্যাক্টরীতে
চাকরী করত। মামলা হয়েছে সোমবার সকাল আনুমানিক ১২ টার সময়। পোষ্টমর্টিনের পর
সোমবার রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে জুইঁদন্ডি গ্রামের নিজ কবরস্থানে দাফন কার্য
শেষ করে।

ধর্ষকঃ বেলাল উদ্দীন, ইকবাল হোসেন, মোক্তার হোসেন
No comments:
Post a Comment