মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আদিল
মাহমুদ চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে সাড়ে পাচটায় জানাযার
নামাজ শেষে সাহেরখালী গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
আদিলকে হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে মিরসরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
করেছে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সমাবেশ শেষে হত্যাকান্ডে জড়িদের
গ্রেপ্তারের দাবীতে আগামীকাল রোববার মিরসরাই উপজেলাজুড়ে সকাল-সন্ধ্যা
হরতাল আহবান করেছে বিএনপি। আদিলকে হত্যার ঘটনায় তার পিতা আবু তাহের চৌধুরী
বাদী হয়ে শফিউল আলম শফিকে প্রধান আসামী করে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মিরসরাই
থানায় একটি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে আদিল মাহমুদকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আমিন খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবীতে আগামী রোববার মিরসরাইয়ে উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহবান করেন। এছাড়া শনিবার মিরসরাইয়ের সকল কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ও বিকেলে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ মো. ফোরকান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম আলা উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সেলিম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, আজিজুর রহমান চৌধুরী, মিরসরাই পৌরসভার আহবায়ক ফকির আহম্মদ, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মিয়াজী, উত্তর জেলা তাতী দলের সাধারণ সম্পাদক কমিশনার নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ন আহবায়ক কামরুল আলম, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক দিদারুল আলম চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুগ্ন সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।
আদিলের লাশ মেডিকেল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তার নিজ বাড়ির প্রাঙ্গনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযাপুর্ব সমাবেশে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক লায়ন আসলাম চৌধুরী, সদস্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি আহবায়ক নুরুল আমিন, সদস্য সচিব সালাহ উদ্দিন সেলিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা চৌধুরী ও আদিলের পিতা আবু তাহের চৌধুরী।
এদিকে আদিল মাহমুদরে মৃত্যুর খবর শুনে আত্মীয় স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ হত্যাকান্ডের জন্য উপজেলা বিএনপি ছাত্রলীগ-যুবলীগকে দায়ী করছে। তাদের দাবী, আওয়ামী যুবলীগ-ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় আদিল মাহমুদ চৌধুরী পৈশবিক কায়দায় খুন করেছে। তিনি অবিলম্ভে খুনিদের গ্রেপ্তার পুর্বক শাস্তি দাবী করেন।
তবে হত্যাকান্ডের সাথে ছাত্রলীগের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাইনুর ইসলাম রানা বলেন, আদিল জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খুন হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। তার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার শফি নামে একজনের সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
হত্যার প্রতিবাদ জানান বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক আসলাম চৌধুরী, সদস্য অধ্যাপক এমডিএম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আমিন, সদস্য আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উত্তর জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আদিল মাহমুদকে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুল কবির, বারইয়ারহাট পৌরসভা জামায়াতের আমির কাউন্সিলর নুরুল হুদা হামিদী, উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মো. ফারুক ও উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ এমকে ভূঁইয়া জানান, আদিল মাহমুদের পিতা আবু তাহের চৌধুরী বাদী হয়ে মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামী গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার সময় সাহেরখালীর ভোরের বাজারে একটি চায়ের দোকানে আদিল মাহমুদ তার কয়েকজন বন্ধুদের সাথে বসে গল্প করছিল। একপর্যায়ে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে ৬-৭ জন শসস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভোরের বাজারের পশ্চিম পার্শ্বের যৌগেন্দ্র চৌকিদার বাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গুলি করে এবং উপর্যুপুরী কুপিয়ে মারাতœক আহত করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সন্ত্রাসীরা তাকে ফেলে চলে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা সদরের মাতৃকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহত আদিল পুর্ব সাহেরখালী গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহেরের প্রথম পুত্র।

এদিকে আদিল মাহমুদকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আমিন খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবীতে আগামী রোববার মিরসরাইয়ে উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহবান করেন। এছাড়া শনিবার মিরসরাইয়ের সকল কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে ও বিকেলে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন। উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ মো. ফোরকান উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম আলা উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন সেলিম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মো. আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, আজিজুর রহমান চৌধুরী, মিরসরাই পৌরসভার আহবায়ক ফকির আহম্মদ, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মিয়াজী, উত্তর জেলা তাতী দলের সাধারণ সম্পাদক কমিশনার নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ন আহবায়ক কামরুল আলম, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক দিদারুল আলম চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, যুগ্ন সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।
আদিলের লাশ মেডিকেল থেকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর বিকেল সাড়ে পাঁচটায় তার নিজ বাড়ির প্রাঙ্গনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাযাপুর্ব সমাবেশে খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক লায়ন আসলাম চৌধুরী, সদস্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা বিএনপি আহবায়ক নুরুল আমিন, সদস্য সচিব সালাহ উদ্দিন সেলিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা চৌধুরী ও আদিলের পিতা আবু তাহের চৌধুরী।
এদিকে আদিল মাহমুদরে মৃত্যুর খবর শুনে আত্মীয় স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ হত্যাকান্ডের জন্য উপজেলা বিএনপি ছাত্রলীগ-যুবলীগকে দায়ী করছে। তাদের দাবী, আওয়ামী যুবলীগ-ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় আদিল মাহমুদ চৌধুরী পৈশবিক কায়দায় খুন করেছে। তিনি অবিলম্ভে খুনিদের গ্রেপ্তার পুর্বক শাস্তি দাবী করেন।
তবে হত্যাকান্ডের সাথে ছাত্রলীগের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাইনুর ইসলাম রানা বলেন, আদিল জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খুন হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। তার সাথে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার শফি নামে একজনের সাথে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
হত্যার প্রতিবাদ জানান বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক আসলাম চৌধুরী, সদস্য অধ্যাপক এমডিএম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আমিন, সদস্য আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উত্তর জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী।
উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আদিল মাহমুদকে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুল কবির, বারইয়ারহাট পৌরসভা জামায়াতের আমির কাউন্সিলর নুরুল হুদা হামিদী, উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল (অর্থ) সম্পাদক মো. ফারুক ও উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ এমকে ভূঁইয়া জানান, আদিল মাহমুদের পিতা আবু তাহের চৌধুরী বাদী হয়ে মিরসরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামী গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার সময় সাহেরখালীর ভোরের বাজারে একটি চায়ের দোকানে আদিল মাহমুদ তার কয়েকজন বন্ধুদের সাথে বসে গল্প করছিল। একপর্যায়ে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে ৬-৭ জন শসস্ত্র সন্ত্রাসী তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভোরের বাজারের পশ্চিম পার্শ্বের যৌগেন্দ্র চৌকিদার বাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গুলি করে এবং উপর্যুপুরী কুপিয়ে মারাতœক আহত করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে সন্ত্রাসীরা তাকে ফেলে চলে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা সদরের মাতৃকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহত আদিল পুর্ব সাহেরখালী গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহেরের প্রথম পুত্র।
No comments:
Post a Comment