Tuesday, August 11, 2015

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম: হানয়ে মো. আবদুল হামিদ–ট্রং তান সাং বৈঠক

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গতকাল ভিয়েতনামের
রাজধানী হ্যানয়ে দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির কার্যালয়ে দলটির
সাধারণ সম্পাদক নগুয়েন ফু ট্রংয়ের সঙ্গে করমর্দন করেন
সব ধরনের বাণিজ্য বাধা অপসারণ ও ভৌত যোগাযোগ স্থাপনে একমত বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম। ২০১৬ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বার্ষিক বাণিজ্য এক হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় দুই দেশ। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্রং তান সাংয়ের মধ্যে হানয়ে গতকাল সোমবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। খবর বাসসের।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন বৈঠকের বিষয়ে বিস্তারিত জানান। তিনি জানান, দুই নেতা ৮০ মিনিট বৈঠক করেন। তাঁরা দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে একমত হয়েছেন। যত দ্রুত সম্ভব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’ প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও কম। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উল্লেখ করেন, বাণিজ্য হচ্ছে এমন এক খাত, যেখানে উভয় দেশ পারস্পরিক স্বার্থে অর্থবহ সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারে। তিনি বলেন বলেন, ‘বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য আমাদের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে এবং এ জন্য বিশেষ করে অশুল্ক বাধা অপসারণে উপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’ বাংলাদেশে ভিয়েতনামের যেকোনো ধরনের বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যবস্থা করছে এবং এখানে বিনিয়োগকারীরা শিল্পকারখানা স্থাপনে সহায়ক পরিবেশ পাবেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত হতে খুবই আগ্রহী। এ ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের সমর্থন আন্তরিক উৎসাহ জোগাবে। জবাবে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্রংতান সাং বলেন, তাঁর দেশ বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে এবং এ জন্য তিনি আসিয়ানের অন্যান্য সদস্যদেশের সমর্থন লাভের পরামর্শ দেন। কারণ আসিয়ানে সব সদস্যদেশের সম্মতির ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হয়।

No comments:

Post a Comment