![]() |
| মাহাথির মোহাম্মদ |
মালয়েশিয়ার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী
নাজিব রাজাকের আমলে ‘গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে’। গতকাল সোমবার ব্যক্তিগত
ব্লগে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর রয়টার্সের।
মাহাথির মোহাম্মদ ব্লগে লেখেন, রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজিবকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। এ ছাড়া তাঁর পদত্যাগও চেয়েছেন তিনি। মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বারহাড বা ওয়ান এমডিবি নামের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল থেকে ৭০ কোটি ডলার প্রধানমন্ত্রী নাজিবের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিরোধীরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আসছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আর্থিক কেলেঙ্কারির সমালোচনা করায় নাজিব রাজাক গত মাসে উপপ্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এবং কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তের নেতৃত্বে থাকা অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করেন। এ ছাড়া তদন্তকারী কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলি করেন এবং অর্থ কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশ করায় দুটি পত্রিকা ও একটি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাহাথির লিখেছেন, ‘এ দেশের গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একজন নির্বাচিত নেতা নিজেকে রক্ষার কাজে ব্যবহার করছেন, এ জন্যই গণতন্ত্র মৃত।’
প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মাহাথিরের এই মন্তব্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে এর আগে নাজিব বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির এ অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তা উসকে দেওয়ার পেছনে মাহাথিরের মদদ রয়েছে। মাহাথিরের ব্যক্তিগত কিছু দাবি পূরণ না করায় তিনি এ কাজ করছেন।
সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মাহাথিরকে আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি বলা হয়। এখনো দেশটির রাজনীতিতে ৯০ বছর বয়সী এ সাবেক নেতার বেশ প্রভাব রয়েছে। নির্বাচনী রাজনীতিতে ব্যর্থতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে গত বছর থেকে নাজিবের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন তিনি।
মাহাথির মোহাম্মদ ব্লগে লেখেন, রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাজিবকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। এ ছাড়া তাঁর পদত্যাগও চেয়েছেন তিনি। মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বারহাড বা ওয়ান এমডিবি নামের রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল থেকে ৭০ কোটি ডলার প্রধানমন্ত্রী নাজিবের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিরোধীরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করে আসছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আর্থিক কেলেঙ্কারির সমালোচনা করায় নাজিব রাজাক গত মাসে উপপ্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন এবং কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তের নেতৃত্বে থাকা অ্যাটর্নি জেনারেলকে বরখাস্ত করেন। এ ছাড়া তদন্তকারী কয়েকজন কর্মকর্তাকে বদলি করেন এবং অর্থ কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশ করায় দুটি পত্রিকা ও একটি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাহাথির লিখেছেন, ‘এ দেশের গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একজন নির্বাচিত নেতা নিজেকে রক্ষার কাজে ব্যবহার করছেন, এ জন্যই গণতন্ত্র মৃত।’
প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মাহাথিরের এই মন্তব্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে এর আগে নাজিব বলেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির এ অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তা উসকে দেওয়ার পেছনে মাহাথিরের মদদ রয়েছে। মাহাথিরের ব্যক্তিগত কিছু দাবি পূরণ না করায় তিনি এ কাজ করছেন।
সবচেয়ে বেশি সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মাহাথিরকে আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি বলা হয়। এখনো দেশটির রাজনীতিতে ৯০ বছর বয়সী এ সাবেক নেতার বেশ প্রভাব রয়েছে। নির্বাচনী রাজনীতিতে ব্যর্থতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে গত বছর থেকে নাজিবের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন তিনি।

No comments:
Post a Comment