ওচমান জাহাঙ্গীর :চট্টগ্রাম নগরীতে গণশৌচাগারে গলিতে খাবারের দোকান গড়ে
উঠছে । সিটি কর্পোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ দেখেও দেখে না । নগরীর নিউমার্কেট
এলাকায় স্বাদ মিষ্টি দোকানের পিছনে একটি গণশৌচাগার রয়েছে। ঐ শৌচাগারের
প্রবেশ করতে স্বাদ এর দু-পার্শ্বে গলি দিয়ে যেতে হয়। পূর্ব দিকে গলি পথে
অনেক গুলো খাবারের দোকান রয়েছে।এই সব দোকানে প্রচুর ভীড়।ওখানে
দাড়ালে গণ শৌচাগার বাা টয়লেটের দুর্গন্ধের জন্য দাড়ানো যায়না সেখানে অনেক
ভদ্র মানূষ দাড়িয়ে খাবার খাচ্ছে। খাবার দোকান গুলো প্রায় টং দোকানের মতো ,
আজ দুপুর দাড়িয়ে খাবার খেতে দেখিছি একজন সাংবাদিক তার একটি কলাম আজ দৈনিক
পূর্বকোন পত্রিকায় অষ্টম কলামে তার ছাত্র ছবিসহ কলামটি ছাপিয়েছে। অন্যজন,
ভাস্কর তিনি বিখ্যাত ব্যাক্তিদের প্রতিকৃতি বানিয়ে থাক, দুজনই বেশ সুনামে
অধিকারী বটে তারাও টয়লেটের দুর্গন্ধ মিশ্রিত খাবার খাচ্ছে। আমি তাদেরকে ঐ
খাবার কেন খাচ্ছে জানতে চাইলে তারা শুধু হেসেছে। গণটয়লেটের পাশে খাবারের
দোকান ? এ কেমন শহর যেখানে পয়:নিষ্কাশনের ময়লা সিটি কর্পোরেশনের নালায় এসে
পড়ছে । ওয়াশা সৃষ্টি হয়েছিল পানি ও সূয়েরেজ ব্যবস্থাপনার জন্য কিন্তু ১৯৬৪
থেকে এ পযর্ন্ত সূয়েরেজ বা পয়:নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেনি। চট্টগ্রাম শহরের
জলাধার নদী ও সাগর মোহনা পয়:নিষ্কাশনের বজ্যর কারণে দুষিত হয়ে পড়ছে । আমরা
নগরবাসি সচেতন নয় আমাদের এ অবস্থা । গণটয়লেটের পাশে খাবারের দোকান এ তেমন
কী । আমাদের সমস্যা আমরা তৈরী করে চলছি । আমাদের এ অবস্থা থেকে উত্তরণের
জন্য আমরা নাগরিকদের আরো উদ্যোগী হতে হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment