![]() |
| দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত বগির ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারে রাতভর তৎপরতা চালান উদ্ধারকারীরা। ছবি: রয়টার্স |
ভারতের
মধ্য প্রদেশে গতকাল মঙ্গলবার রাতে একই স্থানে যাত্রীবাহী দুটি ট্রেনের বগি
লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ৪০
জন। রাতভর অভিযান চালিয়ে তিন শতাধিক যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হারদা এলাকার কাছে বন্যায় আক্রান্ত একটি সেতু পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটে প্রথম দুর্ঘটনাটি। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। মুম্বাই থেকে বারানসিগামী কামায়ানি এক্সপ্রেসের ছয়টি বগি প্রথমে লাইনচ্যুত হয়। মিনিট কয়েক পরে বিপরীত দিক থেকে আসা জাবালপুর থেকে মুম্বাইগামী জনতা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও চারটি বগি একই স্থানে লাইনচ্যুত হয়। রেলওয়ের মুখপাত্র অনিল সাক্সেনার ভাষ্য, এলাকাটিতে ভারী বৃষ্টি এবং পানি জমে রেললাইন দেবে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত বগির ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারে রাতভর তল্লাশি চালান উদ্ধারকারীরা। এতে স্থানীয় লোকজনও অংশ নেন। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে বেগ পেতে হয়। ট্রেন দুটির অক্ষত বগিগুলো আলাদা করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেন, লাইনচ্যুত বগির ভেতরে আটকে পড়া অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বুধবার এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, হারদা এলাকার কাছে বন্যায় আক্রান্ত একটি সেতু পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটে প্রথম দুর্ঘটনাটি। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। মুম্বাই থেকে বারানসিগামী কামায়ানি এক্সপ্রেসের ছয়টি বগি প্রথমে লাইনচ্যুত হয়। মিনিট কয়েক পরে বিপরীত দিক থেকে আসা জাবালপুর থেকে মুম্বাইগামী জনতা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ও চারটি বগি একই স্থানে লাইনচ্যুত হয়। রেলওয়ের মুখপাত্র অনিল সাক্সেনার ভাষ্য, এলাকাটিতে ভারী বৃষ্টি এবং পানি জমে রেললাইন দেবে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত বগির ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারে রাতভর তল্লাশি চালান উদ্ধারকারীরা। এতে স্থানীয় লোকজনও অংশ নেন। বৃষ্টি ও বন্যার কারণে উদ্ধারকাজ চালাতে বেগ পেতে হয়। ট্রেন দুটির অক্ষত বগিগুলো আলাদা করে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটার দিকে দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করেন, লাইনচ্যুত বগির ভেতরে আটকে পড়া অধিকাংশ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment