![]() |
| কঙ্গো সফর করে আসা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (মাঝে পাঞ্জাবি পরা) |
সম্প্রতি
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে আফ্রিকার
কঙ্গো সফর করে এসে সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ বললেন, ‘সেখানকার কালো
মানুষগুলো এখনো সভ্যতা পায়নি। আমাদের আর্মি তাদের সভ্য করার জন্য সেখানে
গিয়েছে।’
গতকাল মঙ্গলবার সংসদের মিডিয়া সেন্টারে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘ কি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে আফ্রিকানদের সভ্য করার জন্য কঙ্গোতে পাঠিয়েছে—এ সময় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ইলিয়াস মোল্লাহ বলেন, ‘কঙ্গোর মানুষ ১৫ দিন পর একবার গোসল করে। গোসল করার সময় সাবান মেখে গায়ে পানি দেয় না। কারণ সাবান থেকে সুগন্ধ বের হয়। আমাদের আর্মি তাদের সভ্য হতে সহযোগিতা করছে। আমি মনে করি, তারা সেই কাজটি করেই আসবে।’
গত ২৫ থেকে ৩১ জুলাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির দুটি দল আফ্রিকার কঙ্গো ও আইভরি কোস্ট সফর করে। সেখানে তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশের বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করে। কঙ্গোতে যাওয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সাংসদ মুহাম্মদ ফারুক খান। আইভরি কোস্টের দলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া। ২ আগস্ট তাঁরা দেশে ফেরেন। এ উপলক্ষে গতকাল সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
ব্রিফিংয়ে ইলিয়াস মোল্লাহ বলেন ‘সেখানে ব্রাজিল, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আর্মি আছে। আমি কঙ্গোর মানুষকে প্রশ্ন করেছি। তারা বলেছে, “বাংলা গুড”। “বাংলাদেশ” বলতে পারে না। আমাদের আর্মি মশা তাড়াবার জন্য স্প্রে করে। এতে সেখানে কুয়াশা তৈরি হয়। তখন স্থানীয় জনগণ এসে জিজ্ঞেস করে, ওদের ওখানে বৃষ্টি না, আমাদের এখানে কীভাবে বৃষ্টি হচ্ছে।’
ব্রিফিংয়ে ফারুক খান বলেন, বর্তমানে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সাড়ে সাত হাজার বাহিনী রয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের মধ্যে এটি সর্বাধিক। মিশনে বাংলাদেশের নারীদের অবস্থানও শীর্ষে। কঙ্গোতে বাংলাদেশের দুই হাজার বাহিনী রয়েছে। সেখানে তারা দেশটির অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা করছে।
ইলিয়াস মোল্লাহর বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ‘তাঁর বক্তব্য যে বর্ণবাদী হয়ে গেছে, সেটা তিনি নিজেই বুঝতে পারেননি। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।’
সুবিদ আলী ভূঁইয়া বলেন, আইভরি কোস্টের কৃষিতে বাংলাদেশের অবদান রাখার সুযোগ আছে। বাংলাদেশ চাইলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে।
ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে আইভরি কোস্ট ও কঙ্গো সফর করে আসা কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান ও হোসনে আরা বেগম এবং সশস্ত্র বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার সংসদের মিডিয়া সেন্টারে তিনি এ কথা বলেন। জাতিসংঘ কি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে আফ্রিকানদের সভ্য করার জন্য কঙ্গোতে পাঠিয়েছে—এ সময় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ইলিয়াস মোল্লাহ বলেন, ‘কঙ্গোর মানুষ ১৫ দিন পর একবার গোসল করে। গোসল করার সময় সাবান মেখে গায়ে পানি দেয় না। কারণ সাবান থেকে সুগন্ধ বের হয়। আমাদের আর্মি তাদের সভ্য হতে সহযোগিতা করছে। আমি মনে করি, তারা সেই কাজটি করেই আসবে।’
গত ২৫ থেকে ৩১ জুলাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির দুটি দল আফ্রিকার কঙ্গো ও আইভরি কোস্ট সফর করে। সেখানে তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশের বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করে। কঙ্গোতে যাওয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সাংসদ মুহাম্মদ ফারুক খান। আইভরি কোস্টের দলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া। ২ আগস্ট তাঁরা দেশে ফেরেন। এ উপলক্ষে গতকাল সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
ব্রিফিংয়ে ইলিয়াস মোল্লাহ বলেন ‘সেখানে ব্রাজিল, ফিলিপাইন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আর্মি আছে। আমি কঙ্গোর মানুষকে প্রশ্ন করেছি। তারা বলেছে, “বাংলা গুড”। “বাংলাদেশ” বলতে পারে না। আমাদের আর্মি মশা তাড়াবার জন্য স্প্রে করে। এতে সেখানে কুয়াশা তৈরি হয়। তখন স্থানীয় জনগণ এসে জিজ্ঞেস করে, ওদের ওখানে বৃষ্টি না, আমাদের এখানে কীভাবে বৃষ্টি হচ্ছে।’
ব্রিফিংয়ে ফারুক খান বলেন, বর্তমানে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সাড়ে সাত হাজার বাহিনী রয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের মধ্যে এটি সর্বাধিক। মিশনে বাংলাদেশের নারীদের অবস্থানও শীর্ষে। কঙ্গোতে বাংলাদেশের দুই হাজার বাহিনী রয়েছে। সেখানে তারা দেশটির অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা করছে।
ইলিয়াস মোল্লাহর বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ‘তাঁর বক্তব্য যে বর্ণবাদী হয়ে গেছে, সেটা তিনি নিজেই বুঝতে পারেননি। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।’
সুবিদ আলী ভূঁইয়া বলেন, আইভরি কোস্টের কৃষিতে বাংলাদেশের অবদান রাখার সুযোগ আছে। বাংলাদেশ চাইলে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে।
ব্রিফিংয়ে অন্যদের মধ্যে আইভরি কোস্ট ও কঙ্গো সফর করে আসা কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান ও হোসনে আরা বেগম এবং সশস্ত্র বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment