![]() |
| ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে বাঘের ভাস্কর্যটি ভ্যানটির ওপর কাত হয়ে পড়ে। ওই সময় ভ্যানচালক মোহম্মদ আলী মারা যান। |
টিভি
ব্যক্তিত্ব আবদুন নূর তুষার ফেসবুকে লিখেছেন, রাজধানীর সোনারগাঁ মোড়ে
কুৎসিত একটি বাঘের মতো দেখতে অজানা প্রাণীর মূর্তি ছিল। ভাষ্কর্য নামের এই
কলংকটি ছিল শহরকে সৌন্দর্যকরণের নামে রুচীহীণতার এক বিকৃত উদাহরন। এই
ভাষ্কর্যটি তার ভিত্তি থেকে ধ্বসে পড়েছে একজন নিরীহ ভ্যানচালকের উপর।
ভ্যানচালক মারা গেছেন। হয় নির্মানে ত্রুটি ছিল, নয়তো নকশায়। যেটাই হোক ,
এটা কি হত্যা নয়? এটাকে দৈব দুর্বিপাক বলে চালিয়ে দেয়া হবে। কারণ মারা গেছে
একজন নিরীহ ভ্যানচালক। কেই এই ঘটনার প্রতিকারে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বা
নকশাকারীকে শাস্তি দেবে না। ক্ষতিপূরণ চাইবে না। শিশু জেহাদের কথা মনে আছে?
দিন রাত সরাসরি সম্প্রচার। অথচ শুধু যদি গভীর নলকূপ এর পরিত্যক্ত পাইপটির
মুখ বন্ধ করা হতো, এমনটি ঘটতো না। কি শাস্তি হয়েছে তাদের, যাদের অবহেলায়
প্রাণ হারালো জেহাদ? রাজন হত্যাকারী শয়তানটিকে কি আরব থেকে দেশে আনা হয়েছে?
৯০ দিনের মধ্যে নাকি বিচার হবার কথা! কয়দিন হলো? দক্ষিণ আফ্রিকায় ও
আমেরিকায় নির্দোষ দুজন বাঙ্গালী মারা গেছেন অজানা সন্ত্রাসীদের গুলিতে।
তারা ইন্টারনেটে লিখতেন না বলেই হয়তো তাদের নিয়ে কোন টক শো হচ্ছে না,
পত্রপত্রিকা ফেসবুকে ঝড় শুরু হচ্ছে না। অথচ একজন মারা গেছেন বাসার সামনে আর
আরেকজন বাসাতেই। দক্ষিন আফ্রিকা প্রবাসী জুয়েলের কাছে চাঁদা চেয়েছিল
সন্ত্রাসীরা। না পেয়ে তাকে গুলী করেছে। আর আমেরিকার শহিদুলের হত্যাকারীদের
পরিচয় ও মোটিভ অজানা। আমাদের নিজেদের প্রাণ দেশে ও বিদেশে ঝরে পড়ছে , অথচ
আমাদের সেটা নিয়ে তেমন মাথা ব্যাথা নেই। আদৌ আমাদের মাথা আছে নাকি সেখানে
গজিয়েছে একটি জিভ ও আরেকটি লেজ? জিভ কেবল চাটে আর লেজ কেবল নড়ে!!

No comments:
Post a Comment