যমুনা
গ্রুপ পরিচালিত দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনকে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য
২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছে চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল
অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)। বিএমএ বলেছে এই সময়ের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের
চিকিৎসক নূনযীরুল মুহসেনীনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের জন্য তারা (দৈনিক
যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন) ক্ষমা প্রার্থনা না করলে চিকিৎসকেরা নতুন
কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
আজ রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত শতাধিক চিকিৎসক বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানববন্ধনে অংশ নেন।
বিএমএ মহাসচিব ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুগান্তরকে নূনযীরুল মুহসেনীনের বিরুদ্ধে ছাপা প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। নইলে আমরা মানহানির মামলা করব এবং যমুনা গ্রুপ পরিচালিত সংবাদপত্র যুগান্তর ও টেলিভিশন চ্যানেল যমুনার নামে প্রেস কাউন্সিলে মামলা করব। পাশাপাশি অন্য কর্মসূচিও চলবে।’ তিনি আরও বলেন, সোমবারের মধ্যে চিকিৎসকদের দাবি মেনে না নিলে চিকিৎসক ও চিকিৎসার কাজে যুক্ত প্রত্যেকে যমুনা গ্রুপের সব পণ্য বর্জন করবে।
গত ২৮ জুলাই সাংসদ সালমা ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূনযীরুল মুহসেনীন তাঁর সঙ্গে ‘রূঢ়’ আচরণ করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে যুগান্তর পত্রিকায় চিকিৎসক নূনযীরুলের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে প্রতিবেদন ছাপতে শুরু করে। পুরো ঘটনায় চিকিৎসকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও বিএমএ আলাদা আলাদা বিবৃতিতে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন।
অভিযুক্ত চিকিৎসক নূনযীরুল মুহসেনীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, সেদিন জরুরি বিভাগে রোগীর ভিড় ছিল প্রচুর। এর মধ্যেই সালমা ইসলাম জরুরি বিভাগে ২০ / ২৫ জন লোক নিয়ে এসে চিকিৎসকের চেয়ারে বসে পড়েন। তিনি সাংসদকে পরিচালকের কক্ষে গিয়ে বসার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার নীতিনৈতিকতা অনুসরণ করতে গিয়ে তাঁকে এ কাজ করতে হয়েছে। রোগীদের স্বার্থে প্রয়োজনে তিনি এই ‘অপরাধ’ আবারও করবেন।
সাংসদ সালমা ইসলামের মুখপাত্র মো. আলমগীর আলম প্রথম আলোকে জানান, সাধারণ রোগীর প্রতি একজন কর্তব্যরত ডাক্তারের অবহেলা দেখে সাংসদ বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ডাক্তার বিএমএ নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। বিএমএ বা দেশের সব ডাক্তারদের প্রতি সাংসদ সালমা ইসলামের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা আছে।
আজ রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত শতাধিক চিকিৎসক বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানববন্ধনে অংশ নেন।
বিএমএ মহাসচিব ইকবাল আর্সলান বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুগান্তরকে নূনযীরুল মুহসেনীনের বিরুদ্ধে ছাপা প্রতিবেদন প্রত্যাহার করে নিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। নইলে আমরা মানহানির মামলা করব এবং যমুনা গ্রুপ পরিচালিত সংবাদপত্র যুগান্তর ও টেলিভিশন চ্যানেল যমুনার নামে প্রেস কাউন্সিলে মামলা করব। পাশাপাশি অন্য কর্মসূচিও চলবে।’ তিনি আরও বলেন, সোমবারের মধ্যে চিকিৎসকদের দাবি মেনে না নিলে চিকিৎসক ও চিকিৎসার কাজে যুক্ত প্রত্যেকে যমুনা গ্রুপের সব পণ্য বর্জন করবে।
গত ২৮ জুলাই সাংসদ সালমা ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূনযীরুল মুহসেনীন তাঁর সঙ্গে ‘রূঢ়’ আচরণ করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে যুগান্তর পত্রিকায় চিকিৎসক নূনযীরুলের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে প্রতিবেদন ছাপতে শুরু করে। পুরো ঘটনায় চিকিৎসকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও বিএমএ আলাদা আলাদা বিবৃতিতে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন।
অভিযুক্ত চিকিৎসক নূনযীরুল মুহসেনীন ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, সেদিন জরুরি বিভাগে রোগীর ভিড় ছিল প্রচুর। এর মধ্যেই সালমা ইসলাম জরুরি বিভাগে ২০ / ২৫ জন লোক নিয়ে এসে চিকিৎসকের চেয়ারে বসে পড়েন। তিনি সাংসদকে পরিচালকের কক্ষে গিয়ে বসার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার নীতিনৈতিকতা অনুসরণ করতে গিয়ে তাঁকে এ কাজ করতে হয়েছে। রোগীদের স্বার্থে প্রয়োজনে তিনি এই ‘অপরাধ’ আবারও করবেন।
সাংসদ সালমা ইসলামের মুখপাত্র মো. আলমগীর আলম প্রথম আলোকে জানান, সাধারণ রোগীর প্রতি একজন কর্তব্যরত ডাক্তারের অবহেলা দেখে সাংসদ বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ডাক্তার বিএমএ নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। বিএমএ বা দেশের সব ডাক্তারদের প্রতি সাংসদ সালমা ইসলামের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা আছে।

No comments:
Post a Comment