![]() |
| প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ছয় জেলার নয়টি সেতু উদ্বোধন করেন |
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা দেশের পাঁচটি বিভাগের নয়টি নবনির্মিত সেতু উদ্বোধন করেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এসব সেতু
উদ্বোধন করেন। খবর বাসসের।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা সেতুগুলোর মধ্যে ছয়টি বড় ও তিনটি ছোট। বড় সেতুগুলো হচ্ছে মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের মাদারীপুরে আচমত আলী খান সেতু, সিলেটের গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সড়কে কুশিয়ারা নদীর ওপর চান্দেরপুর সেতু, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে শেখ রাসেল সেতু, কক্সবাজারে চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী সড়কে বেতাখালী সেতু, সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর ওপর আবদুজ জহুর সেতু এবং গাইবান্দা-নকাইহাট-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে করতোয়া নদীর ওপর বরদহ সেতু।
ইস্টার্ন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ১৮টি এবং ওয়েস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ৬১টি সেতু নির্মিত হচ্ছে। গতকাল উদ্বোধন করা সেতুগুলো এ দুটি প্রকল্পের আওতাভুক্ত।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করতে এসব জেলার বড় বড় সড়কে সেতুগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে যোগাযোগব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গণভবনের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া ও চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট থেকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মাদারীপুর থেকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সুনামগঞ্জ থেকে অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান এবং পটুয়াখালী থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাজাহান মিয়া অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুং।
যমুনা নদীর তলা দিয়ে টানেল নির্মাণে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টানেল দিয়ে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের আরেকটি রুট নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। এই রুট বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি ও স্থানীয় পণ্যের বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করবে।
সিলেটের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে রূপান্তর করা হবে। সুনামগঞ্জের নেতাদের তিনি জানান, হাওর এলাকায় উন্নত যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ জেলায় আরও ১৩টি সেতু নির্মিত হচ্ছে।
কক্সবাজার অঞ্চলের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আহরণ করার মতো বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক সম্পদ রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা সেতুগুলোর মধ্যে ছয়টি বড় ও তিনটি ছোট। বড় সেতুগুলো হচ্ছে মাদারীপুর-শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের মাদারীপুরে আচমত আলী খান সেতু, সিলেটের গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সড়কে কুশিয়ারা নদীর ওপর চান্দেরপুর সেতু, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কে শেখ রাসেল সেতু, কক্সবাজারে চকরিয়া-বদরখালী-মহেশখালী সড়কে বেতাখালী সেতু, সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর ওপর আবদুজ জহুর সেতু এবং গাইবান্দা-নকাইহাট-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে করতোয়া নদীর ওপর বরদহ সেতু।
ইস্টার্ন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ১৮টি এবং ওয়েস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ৬১টি সেতু নির্মিত হচ্ছে। গতকাল উদ্বোধন করা সেতুগুলো এ দুটি প্রকল্পের আওতাভুক্ত।
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করতে এসব জেলার বড় বড় সড়কে সেতুগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে যোগাযোগব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গণভবনের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া ও চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট থেকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মাদারীপুর থেকে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সুনামগঞ্জ থেকে অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান এবং পটুয়াখালী থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাজাহান মিয়া অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুং।
যমুনা নদীর তলা দিয়ে টানেল নির্মাণে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টানেল দিয়ে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের আরেকটি রুট নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে। এই রুট বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি ও স্থানীয় পণ্যের বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করবে।
সিলেটের নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে রূপান্তর করা হবে। সুনামগঞ্জের নেতাদের তিনি জানান, হাওর এলাকায় উন্নত যোগাযোগ ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ জেলায় আরও ১৩টি সেতু নির্মিত হচ্ছে।
কক্সবাজার অঞ্চলের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আহরণ করার মতো বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক সম্পদ রয়েছে।

No comments:
Post a Comment