তেলের
চালানে কোকেন শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে আবারও রিমান্ডে
নিয়েছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার
দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মোহাম্মদ রহমত আলী শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মাদক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত তিনজনের পাঁচ দিন করে এবং বাকি তিনজনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে পাঁচ দিনের এবং কসকো শিপিং লাইনস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক এ কে আজাদ, মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান ও আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে প্রথম তিনজনকে ১০ দিন ও বাকি তিনজনকে ১৩ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
তবে আসামি গোলাম মোস্তফা ও মেহেদি আলমের আইনজীবী কাজী সানোয়ার হোসেন দাবি করেছেন, এর আগে পুলিশ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো তথ্য পায়নি। কারণ তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আসামিদের এর আগে রিমান্ডে নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে চালানটি আনার সঙ্গে দেশি-বিদেশি চক্র জড়িত। কিন্তু পুরো চক্র শনাক্ত করা যায়নি। রহস্য উদ্ঘাটন ও বাকি আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গ্রেপ্তার আসামিদের আবার রিমান্ডে নিয়ে তাদের মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত ৬ জুন পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে কোকেন সন্দেহে সূর্যমুখী তেলের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গত ২৭ জুন সূর্যমুখী তেলের চালানের একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মাদক আইনে মামলা হয়। পরে আদালত আলামত পরীক্ষার নির্দেশ দিলে সিআইডি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে তেলের চালানের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মাদক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত তিনজনের পাঁচ দিন করে এবং বাকি তিনজনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদি আলম ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামকে পাঁচ দিনের এবং কসকো শিপিং লাইনস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক এ কে আজাদ, মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান ও আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে প্রথম তিনজনকে ১০ দিন ও বাকি তিনজনকে ১৩ দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
তবে আসামি গোলাম মোস্তফা ও মেহেদি আলমের আইনজীবী কাজী সানোয়ার হোসেন দাবি করেছেন, এর আগে পুলিশ আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো তথ্য পায়নি। কারণ তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আসামিদের এর আগে রিমান্ডে নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে চালানটি আনার সঙ্গে দেশি-বিদেশি চক্র জড়িত। কিন্তু পুরো চক্র শনাক্ত করা যায়নি। রহস্য উদ্ঘাটন ও বাকি আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য গ্রেপ্তার আসামিদের আবার রিমান্ডে নিয়ে তাদের মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত ৬ জুন পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে কোকেন সন্দেহে সূর্যমুখী তেলের চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গত ২৭ জুন সূর্যমুখী তেলের চালানের একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মাদক আইনে মামলা হয়। পরে আদালত আলামত পরীক্ষার নির্দেশ দিলে সিআইডি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে তেলের চালানের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়।

No comments:
Post a Comment