সংসদ
থেকে দলের ২৫ জন সাংসদকে স্পিকারের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে তারা যে ভীত নয়,
ভারতের কংগ্রেস দল গতকাল মঙ্গলবার তা পরিষ্কার বুঝিয়ে দিল। এ কথাও স্পষ্ট
করে জানিয়ে দিল, মন্ত্রীদের ইস্তফার দাবিতে তারা অটলই থাকছে।
কংগ্রেসের এ যুদ্ধংদেহী মনোভাবের পাশাপাশি বিজেপির সংসদীয় দল দলটির আচরণের নিন্দা করে গতকাল একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। তাতে বলা হয়েছে, সংসদ অচল রেখে কংগ্রেস দেশের ক্ষতি করছে। কারণ, জনস্বার্থ-সম্পর্কিত বিলগুলো সরকার পাস করাতে পারছে না। এই অবস্থায় একটা চেষ্টা শুরু হয়েছে যাতে সদস্যদের বহিষ্কারের নির্দেশ প্রত্যাহৃত হয়। কিন্তু তাতে কংগ্রেসি মনোভাবের বদল ঘটবে কি না সন্দেহ।
কংগ্রেসের ২৫ জন সদস্যকে লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন গত সোমবার পাঁচ দিনের জন্য বহিষ্কার করেন। প্রতিবাদে গতকাল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সহসভাপতি রাহুল গান্ধী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংসহ সব দলীয় সদস্য সংসদ ভবনে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ দেখান। কালো কাপড় হাতে বেঁধে সোনিয়া বলেন, ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে বিজেপি।’ রাহুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী “মন কি বাত” বলেন, অথচ দেশের মানুষের মনের কথা শুনতে পান না। সুষমা স্বরাজ অপরাধ করেছেন। তাঁকে সরাতে হবে।’ মনমোহন সিং বলেন, ‘সংসদ চালানোর দায় সরকারেরই। সংসদ চালাতে হলে আমাদের এই ন্যায্য দাবি মানতেই হবে।’
বিজেপি চেয়েছিল কংগ্রেস সাংসদদের বহিষ্কার করে বিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরাতে। কিন্তু এর ফল হয়েছে বিপরীত। অধিকাংশ বিরোধী দল কংগ্রেসের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এমনকি যে তৃণমূল কংগ্রেস মন্ত্রীদের পদত্যাগের দাবি তোলেনি, তারাও ‘গণতন্ত্রের স্বার্থে’ কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়ে সংসদ বয়কট করছে। বয়কটে শামিল হয়েছে বাম দলগুলো, লালু প্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দল, মুলায়মের সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, শারদ পাওয়ারের এনসিপি, আম আদমি পার্টি, মুসলিম লিগ, এমআইএম এবং গোটা জনতা পরিবার।
বয়কটে শামিল না হলেও বিজু জনতা দলের তথাগত শতপথি বলেন, সরকার যেন এই সুযোগে কোনো বিল পাস না করায়। জয়ললিতার এআইএডিএমকেও এই বয়কটে শামিল হয়নি। তবে তারাও বহিষ্কারাদেশ মেনে নিতে পারছে না। প্ল্যাকার্ড নিয়ে গতকাল লোকসভায় বিক্ষোভ দেখান অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানার সাংসদেরা। তবে সুমিত্রা মহাজন তাঁদের কোনো শাস্তি দেননি।
আইপিএলের সাবেক প্রধান ললিত মোদিকে বিদেশে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে এবং ব্যপম কেলেঙ্কারির জন্য মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পদত্যাগের দাবি করছে কংগ্রেসসহ অন্য বিরোধী দলগুলো। সংসদের চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরু থেকেই সোচ্চার হয় তারা। সংসদ কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
কংগ্রেসের এ যুদ্ধংদেহী মনোভাবের পাশাপাশি বিজেপির সংসদীয় দল দলটির আচরণের নিন্দা করে গতকাল একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। তাতে বলা হয়েছে, সংসদ অচল রেখে কংগ্রেস দেশের ক্ষতি করছে। কারণ, জনস্বার্থ-সম্পর্কিত বিলগুলো সরকার পাস করাতে পারছে না। এই অবস্থায় একটা চেষ্টা শুরু হয়েছে যাতে সদস্যদের বহিষ্কারের নির্দেশ প্রত্যাহৃত হয়। কিন্তু তাতে কংগ্রেসি মনোভাবের বদল ঘটবে কি না সন্দেহ।
কংগ্রেসের ২৫ জন সদস্যকে লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন গত সোমবার পাঁচ দিনের জন্য বহিষ্কার করেন। প্রতিবাদে গতকাল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সহসভাপতি রাহুল গান্ধী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংসহ সব দলীয় সদস্য সংসদ ভবনে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ দেখান। কালো কাপড় হাতে বেঁধে সোনিয়া বলেন, ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে বিজেপি।’ রাহুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী “মন কি বাত” বলেন, অথচ দেশের মানুষের মনের কথা শুনতে পান না। সুষমা স্বরাজ অপরাধ করেছেন। তাঁকে সরাতে হবে।’ মনমোহন সিং বলেন, ‘সংসদ চালানোর দায় সরকারেরই। সংসদ চালাতে হলে আমাদের এই ন্যায্য দাবি মানতেই হবে।’
বিজেপি চেয়েছিল কংগ্রেস সাংসদদের বহিষ্কার করে বিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরাতে। কিন্তু এর ফল হয়েছে বিপরীত। অধিকাংশ বিরোধী দল কংগ্রেসের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এমনকি যে তৃণমূল কংগ্রেস মন্ত্রীদের পদত্যাগের দাবি তোলেনি, তারাও ‘গণতন্ত্রের স্বার্থে’ কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়ে সংসদ বয়কট করছে। বয়কটে শামিল হয়েছে বাম দলগুলো, লালু প্রসাদের রাষ্ট্রীয় জনতা দল, মুলায়মের সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, শারদ পাওয়ারের এনসিপি, আম আদমি পার্টি, মুসলিম লিগ, এমআইএম এবং গোটা জনতা পরিবার।
বয়কটে শামিল না হলেও বিজু জনতা দলের তথাগত শতপথি বলেন, সরকার যেন এই সুযোগে কোনো বিল পাস না করায়। জয়ললিতার এআইএডিএমকেও এই বয়কটে শামিল হয়নি। তবে তারাও বহিষ্কারাদেশ মেনে নিতে পারছে না। প্ল্যাকার্ড নিয়ে গতকাল লোকসভায় বিক্ষোভ দেখান অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানার সাংসদেরা। তবে সুমিত্রা মহাজন তাঁদের কোনো শাস্তি দেননি।
আইপিএলের সাবেক প্রধান ললিত মোদিকে বিদেশে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে এবং ব্যপম কেলেঙ্কারির জন্য মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পদত্যাগের দাবি করছে কংগ্রেসসহ অন্য বিরোধী দলগুলো। সংসদের চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরু থেকেই সোচ্চার হয় তারা। সংসদ কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

No comments:
Post a Comment