![]() |
| নয় সচিবের সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক পরিদশঁন |
ছয়টি
অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি হলে কক্সবাজারের চেহারা পাল্টে যাবে। পর্যটনসহ
ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। কক্সবাজারেই ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান
হবে। গত শনিবার রাতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত
মতবিনিময় সভায় নয় সচিব সরকারের গৃহীত নানা উন্নয়ন প্রকল্প তুলে ধরে এ
মন্তব্য করেন।
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, টেকনাফের নাফ নদীর ‘জালিয়ারদিয়া’তে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সাবরাং সৈকতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। মহেশখালীতে গড়ে তোলা হবে আরও চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ফ্রি ট্রেড জোন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারেই ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তখন কক্সবাজারের চেহারা বদলে যাবে।
সভায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রস্তাবিত ছয়টি প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এর মধ্যে মহেশখালীতে ৮ হাজার ৭০০ একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। সোনাদিয়ার গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আর এই জোন দিয়ে একটি সড়ক মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, মহেশখালীতে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলে জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ সম্ভব। প্রয়োজন হলে প্রতিটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে মিনি বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হবে।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণসহ সাবরাং সৈকতে বিশেষ পর্যটনপল্লি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের কাজ চলছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, ছয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলই হচ্ছে উপকূলীয় এলাকায়। তাই পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ব্যাপক বনায়নের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনকে সচেতন করা হবে।
সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক বলেন, সাবরাং অঞ্চলের সঙ্গে মেরিন ড্রাইভ সড়কের সংযুক্তির জন্য ৩২ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। তা ছাড়া ছয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে যাতায়াতে টেকসই সড়ক নির্মাণের কাজ দুই বছরে শেষ করা হবে।
সভায় কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে খুরুশকুল, চৌফলদণ্ডি ও ভারুয়াখালীতে আরও তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে দুই লাইনের ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম’ মহাসড়কের পাশে অতিরিক্ত পাঁচ ফুট করে সম্প্রসারণের দাবি জানান।
জাতীয় পার্টির সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, উপকূলীয় এবিসি (চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া) মহাসড়কটি ঈদগাহ-চৌফলদণ্ডি হয়ে কক্সবাজার শহরে আনা হলে ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম’ মহাসড়কের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার কমবে।
টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধ না থাকায় তিন বছর ধরে শাহপরীর দ্বীপের ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী। তিনি টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার ‘সীমান্ত সড়ক’ নির্মাণের দাবি করেন।
উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব সফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, বেজা প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. হারুনুর রশিদ, বেজা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এ কে এম মাহবুবুর রহমান ও উপসচিব মলয় চৌধুরী।
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, টেকনাফের নাফ নদীর ‘জালিয়ারদিয়া’তে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সাবরাং সৈকতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। মহেশখালীতে গড়ে তোলা হবে আরও চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ফ্রি ট্রেড জোন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারেই ৫০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তখন কক্সবাজারের চেহারা বদলে যাবে।
সভায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রস্তাবিত ছয়টি প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন। এর মধ্যে মহেশখালীতে ৮ হাজার ৭০০ একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে চারটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। সোনাদিয়ার গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। আর এই জোন দিয়ে একটি সড়ক মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, মহেশখালীতে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলে জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ সম্ভব। প্রয়োজন হলে প্রতিটি অর্থনৈতিক অঞ্চলে মিনি বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হবে।
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণসহ সাবরাং সৈকতে বিশেষ পর্যটনপল্লি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের কাজ চলছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, ছয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলই হচ্ছে উপকূলীয় এলাকায়। তাই পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে ব্যাপক বনায়নের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনকে সচেতন করা হবে।
সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক বলেন, সাবরাং অঞ্চলের সঙ্গে মেরিন ড্রাইভ সড়কের সংযুক্তির জন্য ৩২ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। তা ছাড়া ছয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলে যাতায়াতে টেকসই সড়ক নির্মাণের কাজ দুই বছরে শেষ করা হবে।
সভায় কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে খুরুশকুল, চৌফলদণ্ডি ও ভারুয়াখালীতে আরও তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে দুই লাইনের ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম’ মহাসড়কের পাশে অতিরিক্ত পাঁচ ফুট করে সম্প্রসারণের দাবি জানান।
জাতীয় পার্টির সাংসদ মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, উপকূলীয় এবিসি (চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া) মহাসড়কটি ঈদগাহ-চৌফলদণ্ডি হয়ে কক্সবাজার শহরে আনা হলে ‘কক্সবাজার-চট্টগ্রাম’ মহাসড়কের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার কমবে।
টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বলেন, বেড়িবাঁধ না থাকায় তিন বছর ধরে শাহপরীর দ্বীপের ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী। তিনি টেকনাফ-মিয়ানমার সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার ‘সীমান্ত সড়ক’ নির্মাণের দাবি করেন।
উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব সফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, বেজা প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. হারুনুর রশিদ, বেজা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এ কে এম মাহবুবুর রহমান ও উপসচিব মলয় চৌধুরী।


No comments:
Post a Comment