২০০৯
সালের পর প্রথমবারের মতো পুরোনো মিত্র মিসরের সঙ্গে কৌশলগত সংলাপে অংশ নিল
যুক্তরাষ্ট্র। কায়রোতে গতকাল রোববারের এই বৈঠক ছিল দেশ দুটির সম্পর্কে
সাম্প্রতিক সময়ে সৃষ্ট ফাটল মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। খবর এএফপি ও
রয়টার্সের।
কায়রোতে সংলাপ শেষে সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, মিসরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ থাকলেও দুই দেশ আবার সম্পর্কের ‘শক্ত ঘাঁটি’তে ফিরে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের সাম্প্রতিক পারমাণবিক চুক্তি মিসরসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোকে আরও নিরাপদ রাখবে বলেও দাবি করেন কেরি। মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারক ২০১১ সালের গণ-আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ২০১৩ সালে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। তখনকার সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিই এখন দেশের প্রেসিডেন্ট। সিসির আমলে মিসর গণতান্ত্রিক সংস্কারের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ায় ওয়াশিংটন নাখোশ। তবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মিসর এখনো তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তাগত মিত্রদের একটি। বিশেষ করে জঙ্গিবাদের উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সঙ্গে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ওয়াশিংটনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশের মধ্যে গতকালের কৌশলগত সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জন কেরি এবং মিসরের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শুকরি নেতৃত্ব দেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে শুকরি বলেন, ‘এই কৌশলগত সংলাপ মিসর-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পর্যালোচনা করে দেখার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের জন্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।’
লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশ অশান্ত হয়ে পড়লেও মিসরকে মূলত শান্ত রাখতে পারায় প্রেসিডেন্ট সিসির প্রশংসা করে আসছে ওয়াশিংটন। তবে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি ও উৎখাত হওয়া ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মুরসির সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি সরকারি নিপীড়নের সতর্ক সমালোচনাও করে আসছে তারা।
সংলাপ শেষে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুরু জানিয়েছেন, নিরাপত্তা সংলাপ হলেও সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সংলাপকালে আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারসংশ্লিষ্ট পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি এসব বিষয়ে মনোযোগী হতে মিসরে প্রতিশ্রুতি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি।’
গতকালই মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসির সঙ্গে কেরির বৈঠক করার কথা ছিল। এরপর তিনি কাতারে যাবেন। সেখানে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
কায়রোতে সংলাপ শেষে সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, মিসরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ থাকলেও দুই দেশ আবার সম্পর্কের ‘শক্ত ঘাঁটি’তে ফিরে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের সাম্প্রতিক পারমাণবিক চুক্তি মিসরসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোকে আরও নিরাপদ রাখবে বলেও দাবি করেন কেরি। মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারক ২০১১ সালের গণ-আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ২০১৩ সালে উৎখাত করে সেনাবাহিনী। তখনকার সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিই এখন দেশের প্রেসিডেন্ট। সিসির আমলে মিসর গণতান্ত্রিক সংস্কারের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ায় ওয়াশিংটন নাখোশ। তবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মিসর এখনো তাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তাগত মিত্রদের একটি। বিশেষ করে জঙ্গিবাদের উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সঙ্গে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ওয়াশিংটনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশের মধ্যে গতকালের কৌশলগত সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জন কেরি এবং মিসরের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শুকরি নেতৃত্ব দেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে শুকরি বলেন, ‘এই কৌশলগত সংলাপ মিসর-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক পর্যালোচনা করে দেখার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের জন্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।’
লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশ অশান্ত হয়ে পড়লেও মিসরকে মূলত শান্ত রাখতে পারায় প্রেসিডেন্ট সিসির প্রশংসা করে আসছে ওয়াশিংটন। তবে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি ও উৎখাত হওয়া ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মুরসির সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি সরকারি নিপীড়নের সতর্ক সমালোচনাও করে আসছে তারা।
সংলাপ শেষে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুরু জানিয়েছেন, নিরাপত্তা সংলাপ হলেও সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সংলাপকালে আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারসংশ্লিষ্ট পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমি এসব বিষয়ে মনোযোগী হতে মিসরে প্রতিশ্রুতি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করছি।’
গতকালই মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসির সঙ্গে কেরির বৈঠক করার কথা ছিল। এরপর তিনি কাতারে যাবেন। সেখানে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

No comments:
Post a Comment