ভারতের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম
বেড়ে যাওয়ায় তিনি খুব খুশি হয়েছেন। তাঁর দাবি, এটা ভারত-বাংলাদেশ
সীমান্তে গরু পাচার রুখতে বিএসএফের সাফল্যের প্রমাণ। খবর বিবিসি বাংলা ও
হিন্দুস্তান টাইমসের।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ গত শনিবার নয়াদিল্লিতে গরু সংরক্ষণবিষয়ক একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন। ‘রাষ্ট্রীয় গো-ধন মহাসংঘ’ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে রাজনাথ গো-হত্যা বন্ধ করায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মোগল শাসকেরাও জানতেন যে গো-হত্যা সমর্থন করলে তাঁরা ভারতে বেশি দিন শাসন টিকিয়ে রাখতে পারবেন না। কিন্তু পরে ব্রিটিশরা ভারতীয় এই সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখায়নি। তাদের বিরুদ্ধে এ উপমহাদেশে প্রথম যে স্বাধীনতাসংগ্রাম শুরু হয়েছিল, সেটা ছিল তৎকালীন সেনাদের গরুর চর্বি মাখানো কার্তুজ ব্যবহারে অস্বীকৃতি।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হয়ে গরু চোরাচালান রোধে আগেই কড়াকড়ি আরোপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবারের সেমিনারেও সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেদিন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে গরু পাচার নিয়ে আমরা কথা বলেছি। তখন রাষ্ট্রদূত জানান, সীমান্তে এই কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর সে দেশে গরুর মাংসের দাম নাকি ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। এ কথা শুনে আমি (রাজনাথ) খুশি হয়েছি।’ বিজিবির মহাপরিচালকও সম্প্রতি ভারত সফরকালে তাঁকে একই কথা বলেছেন বলেও জানান রাজনাথ।
সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘প্রথমবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সফরে গিয়েই আমি জওয়ানদের বলেছিলাম আমার এই সফর তখনই সার্থক হবে, যখন সীমান্ত পেরিয়ে আর একটি গরুও বাংলাদেশে যেতে পারবে না। সেই কাজে তাঁরা দারুণ সফল হয়েছেন।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে গরুকে গো-ধন বলে বর্ণনা করে থাকে। দেশটির যেসব রাজ্য এখন বিজেপি-শাসিত, সেগুলোতে গো-মাংস নিষিদ্ধ করার জন্য নানা উদ্যোগ নিচ্ছে তারা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ গত শনিবার নয়াদিল্লিতে গরু সংরক্ষণবিষয়ক একটি সেমিনারে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেছেন। ‘রাষ্ট্রীয় গো-ধন মহাসংঘ’ এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে রাজনাথ গো-হত্যা বন্ধ করায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মোগল শাসকেরাও জানতেন যে গো-হত্যা সমর্থন করলে তাঁরা ভারতে বেশি দিন শাসন টিকিয়ে রাখতে পারবেন না। কিন্তু পরে ব্রিটিশরা ভারতীয় এই সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখায়নি। তাদের বিরুদ্ধে এ উপমহাদেশে প্রথম যে স্বাধীনতাসংগ্রাম শুরু হয়েছিল, সেটা ছিল তৎকালীন সেনাদের গরুর চর্বি মাখানো কার্তুজ ব্যবহারে অস্বীকৃতি।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হয়ে গরু চোরাচালান রোধে আগেই কড়াকড়ি আরোপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবারের সেমিনারেও সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেদিন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে গরু পাচার নিয়ে আমরা কথা বলেছি। তখন রাষ্ট্রদূত জানান, সীমান্তে এই কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর সে দেশে গরুর মাংসের দাম নাকি ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। এ কথা শুনে আমি (রাজনাথ) খুশি হয়েছি।’ বিজিবির মহাপরিচালকও সম্প্রতি ভারত সফরকালে তাঁকে একই কথা বলেছেন বলেও জানান রাজনাথ।
সেমিনারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘প্রথমবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সফরে গিয়েই আমি জওয়ানদের বলেছিলাম আমার এই সফর তখনই সার্থক হবে, যখন সীমান্ত পেরিয়ে আর একটি গরুও বাংলাদেশে যেতে পারবে না। সেই কাজে তাঁরা দারুণ সফল হয়েছেন।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে গরুকে গো-ধন বলে বর্ণনা করে থাকে। দেশটির যেসব রাজ্য এখন বিজেপি-শাসিত, সেগুলোতে গো-মাংস নিষিদ্ধ করার জন্য নানা উদ্যোগ নিচ্ছে তারা।

No comments:
Post a Comment