প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা তাঁর মা হিসেবে নয় বরং জাতির
জন্য প্রেরণাদায়ী ও নিবেদিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে নারী জাতির কাছে দৃষ্টান্ত
হয়ে থাকবেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গমাতা শেখ
ফজিলাতুন্নেসার ৮৫তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন অনুষ্ঠানে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ
কথা বলেন। খবর বাসসের। শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের জন্য বেগম মুজিব তাঁর
গোটা জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি আমার মা, কেবল এ জন্যই আমি এ কথা বলছি না।
আমার বাবাকে যথেষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, তিনি আমার দাদা-দাদির
পাশাপাশি তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছেন। রাজনীতির অনেক
কিছুই আমি এই মহান নারীর কাছ থেকে শিখেছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর গোটা জীবনের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতা অর্জন এবং তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি। এই লক্ষ্য অর্জনে আমার মায়ের অনুপ্রেরণা অনুঘটকের ভূমিকা রেখেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখনই জেলে থেকেছেন, এ সময় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা নেপথ্যে থেকে দল গঠনে, মুজিবের রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য জনমত সৃষ্টিতে এবং আন্দোলন এগিয়ে নিতে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা পালন করেছেন, কখনো তিনি এ জন্য কোনো ধরনের প্রচারণা চাননি। তাঁর সন্তান হিসেবে আমি তা প্রত্যক্ষ করেছি।’
নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন, জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি মমতাজ বেগম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, একজন নারী এবং স্ত্রী হিসেবে বঙ্গমাতার জীবনে কোনো দাবি ছিল না এবং তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন। এমনকি বঙ্গবন্ধু যখন জেলে বন্দী, অন্য নেতাদের পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট, সন্তানদের পড়াশোনা এবং অসুস্থতায় তাদের পাশে থাকতেন। দলের নেতা ও কর্মীরা কখনো তাঁর সহযোগিতা চাইলে বঙ্গমাতা কখনোই কাউকে ‘না’ বলেননি।
ছয় দফা দাবির আন্দোলনে বঙ্গমাতার ভূমিকা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠোর গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তিনি (বেগম মুজিব) দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। গোয়েন্দা সংস্থা বেগম মুজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং বঙ্গবন্ধুকে ছয় দফা দাবি থেকে সরে আসতে রাজি করাতে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করত। এ ব্যাপারে অনেক সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাও বঙ্গবন্ধুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তাঁকে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিবারেই বেগম মুজিব সাহসের সঙ্গে অত্যন্ত ধৈর্য নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর গোটা জীবনের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীনতা অর্জন এবং তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি। এই লক্ষ্য অর্জনে আমার মায়ের অনুপ্রেরণা অনুঘটকের ভূমিকা রেখেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখনই জেলে থেকেছেন, এ সময় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা নেপথ্যে থেকে দল গঠনে, মুজিবের রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য জনমত সৃষ্টিতে এবং আন্দোলন এগিয়ে নিতে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা পালন করেছেন, কখনো তিনি এ জন্য কোনো ধরনের প্রচারণা চাননি। তাঁর সন্তান হিসেবে আমি তা প্রত্যক্ষ করেছি।’
নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর চেয়ারম্যান সেলিনা হোসেন, জাতীয় মহিলা সংস্থার সভাপতি মমতাজ বেগম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, একজন নারী এবং স্ত্রী হিসেবে বঙ্গমাতার জীবনে কোনো দাবি ছিল না এবং তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন। এমনকি বঙ্গবন্ধু যখন জেলে বন্দী, অন্য নেতাদের পরিবারের অর্থনৈতিক সংকট, সন্তানদের পড়াশোনা এবং অসুস্থতায় তাদের পাশে থাকতেন। দলের নেতা ও কর্মীরা কখনো তাঁর সহযোগিতা চাইলে বঙ্গমাতা কখনোই কাউকে ‘না’ বলেননি।
ছয় দফা দাবির আন্দোলনে বঙ্গমাতার ভূমিকা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠোর গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তিনি (বেগম মুজিব) দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। গোয়েন্দা সংস্থা বেগম মুজিবকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং বঙ্গবন্ধুকে ছয় দফা দাবি থেকে সরে আসতে রাজি করাতে তাঁর ওপর চাপ সৃষ্টি করত। এ ব্যাপারে অনেক সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাও বঙ্গবন্ধুর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তাঁকে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিবারেই বেগম মুজিব সাহসের সঙ্গে অত্যন্ত ধৈর্য নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন।

No comments:
Post a Comment