কক্সবাজারে পাহাড় কেটে রাতের অন্ধকারে চলছে অবৈধ স্থাপনা নির্মান
শাহিদ মোস্তফা শাহিদ(কক্সবাজার সদর)কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ভোমরিয়া ঘোনা বনবিটের পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ ও পাহাড় কাটা চলছে রাতের অন্ধকারে। সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা অভিযানের নামে তামাশা শুরু করে স্থাপনার মালিক প্রবাসীকে আসামী সাজিয়ে মামলা দিয়ে দায় এড়ানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পাহাড় নিধনকারীরা বিভিন্ন মহল থেকে বাঁধা পেয়ে রাতের আঁধারেই চালিয়ে যাচ্ছে এ নির্মাণ কাজ। বিট কর্মকর্তা জেনেও না জানান ভান করে স্থানীয় হেডম্যান ও ভিলেজারদের মাধ্যমে কয়েক দফা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী। এক্ষেত্রে এক চিহ্নিত দালাল মধ্যস্থতা করছে বলে জানা গেছে। ইতিপূর্বে পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মাণে সুযোগ করে দেয়ার নামে ঐ দালাল অর্ধলক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সংবাদও এলাকায় প্রচার আছে। বিট কর্মকর্তার রহস্যজনক ভূমিকার সুযোগে এ বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ অনেকদুর এগিয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একাধিক সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে ভোমরিয়াঘোনা বিট কর্মকর্তা আবু তাহের লোক দেখানে অভিযান চালায়। ঐ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নির্মাণ কাজ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে ঐ বাড়ীর প্রবাসী মালিক সৌদি আরবে অবস্থানরত জাফরকে বিবাদী করে একটি মামলা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিট কর্মকর্তা। অথচ এ অবৈধ পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মাণে জড়িত চিহ্নিত চক্রের বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে তাদের সাথে রীতিমত বিট কর্মকর্তা যোগাযোগ করে চলছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া বাজার মসজিদের ডান পাশে ভোমরিয়াঘোনা বনবিটের অধীন বিশাল পাহাড় কেটে রোহিঙ্গা জাফর নামের এক প্রবাসী মোটা অংকের টাকায় স্থানীয় কথিত চক্রকে ম্যানেজ করে বীরদর্পে পাহাড় কেটে ঐ জায়গার উপর বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বনবিট ও রেঞ্জকে অবগত করলে ও তারা এ পর্যন্ত কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগ। উক্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পাহাড় কাটা বন্ধে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সচেতন এলাকাবাসী।
শাহিদ মোস্তফা শাহিদ(কক্সবাজার সদর)কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও ভোমরিয়া ঘোনা বনবিটের পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ ও পাহাড় কাটা চলছে রাতের অন্ধকারে। সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তা অভিযানের নামে তামাশা শুরু করে স্থাপনার মালিক প্রবাসীকে আসামী সাজিয়ে মামলা দিয়ে দায় এড়ানোর অপচেষ্টা চালিয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পাহাড় নিধনকারীরা বিভিন্ন মহল থেকে বাঁধা পেয়ে রাতের আঁধারেই চালিয়ে যাচ্ছে এ নির্মাণ কাজ। বিট কর্মকর্তা জেনেও না জানান ভান করে স্থানীয় হেডম্যান ও ভিলেজারদের মাধ্যমে কয়েক দফা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী। এক্ষেত্রে এক চিহ্নিত দালাল মধ্যস্থতা করছে বলে জানা গেছে। ইতিপূর্বে পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মাণে সুযোগ করে দেয়ার নামে ঐ দালাল অর্ধলক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সংবাদও এলাকায় প্রচার আছে। বিট কর্মকর্তার রহস্যজনক ভূমিকার সুযোগে এ বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ অনেকদুর এগিয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একাধিক সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে ভোমরিয়াঘোনা বিট কর্মকর্তা আবু তাহের লোক দেখানে অভিযান চালায়। ঐ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নির্মাণ কাজ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে ঐ বাড়ীর প্রবাসী মালিক সৌদি আরবে অবস্থানরত জাফরকে বিবাদী করে একটি মামলা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিট কর্মকর্তা। অথচ এ অবৈধ পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মাণে জড়িত চিহ্নিত চক্রের বিরুদ্ধে মামলা না দিয়ে তাদের সাথে রীতিমত বিট কর্মকর্তা যোগাযোগ করে চলছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ঈদগাঁও ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া বাজার মসজিদের ডান পাশে ভোমরিয়াঘোনা বনবিটের অধীন বিশাল পাহাড় কেটে রোহিঙ্গা জাফর নামের এক প্রবাসী মোটা অংকের টাকায় স্থানীয় কথিত চক্রকে ম্যানেজ করে বীরদর্পে পাহাড় কেটে ঐ জায়গার উপর বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বনবিট ও রেঞ্জকে অবগত করলে ও তারা এ পর্যন্ত কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগ। উক্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পাহাড় কাটা বন্ধে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সচেতন এলাকাবাসী।

No comments:
Post a Comment