স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী
ঃ মহেশখালীতে আনন্দ স্কুলের টাকা লুটপাটের বিভিন্ন স্বচিত্র ও তথ্যবহুল
সংবাদ জাতিয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হলেও কোন এক অদৃশ্য কারনে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব দর্শকের ভুমিকা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে জানান
এলাকাবাসি। জানা যায় উপজেলার মাতারবাড়িতে আনন্দস্কুলের ৫৭ টি শিক্ষা
কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রীদের মাসিক উপবৃত্তির টাকা, পোশাকের টাকা সহ প্রায়
কোটি টাকা টিসি আব্দুল লতিফ, টিসির নিযুক্ত প্রতিনিধি বনাম দালাল ও স্ব-স্ব
শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষকেরা লুটপাট করে খাচ্ছে বলে শিক্ষার্থীদের অভিবাবকের
দাবী। বর্তমান সরকার ঝড়ে পড়া ছাত্র/ছাত্রীদের ভবিষ্যত জীবন ফিরিয়ে আনার
ল্েয ২০১০ সালে এ উপজেলায় শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত করেন রস্ক প্রকল্পের
আওতায় শিশু বান্ধব আনন্দ স্কুল। প্রতিষ্টার পর ২/৪ মাস ঠিক ভাবে পরিচালিত
হলেও এরপর থেকে শুরু হয় শিার্থী প্রাপ্য উপবৃত্তি টাকা আত্মসাৎ, স্কুল
গুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীাদের মনিটরিংয়ের অভাব, শিকদের স্কুল ফাঁকি,
শিার্থীদের অনুপস্থিতি, শিা উপকরণ, স্কুল গৃহের ভাড়া, পোশাকের টাকা সহ
সবমিলিয়ে ১০লক্ষ টাকা লুটপাটের অভিযোগ। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে জানা
গেছে, প্রাথমিক ও গণশিা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক শিা অধিদপ্তারাধীন পরিচালিত
রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন বা রস্ক প্রকল্পের মহেশখালীতে ২০১০ ইংরেজী সনে
স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। তৎমধ্যে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ
কয়েকটি স্কুল বাদ দিয়েছে সংশ্লিষ্ঠরা। গত ১৩ সেপ্টেম্বর গনমাধ্যম কর্মীর
একটি প্রতিনিধিদল মাতারবাড়িতে ৫৭ টি আনন্দস্কুলের পিএসসি সমাপনী টেষ্ট্র
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা হলে গিয়ে দেখা গেছে, সাইরার ডেইল সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০টি কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রীগন অংশগ্রহন করেছে উপস্থিত
পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৩ জন তৎমধ্যে বেশীরভাগ পরীক্ষার্থী বিভিন্ন
প্রতিষ্টানের জান্নাতুল বকেয়া নামের এক পরীক্ষার্থীর সাথে কথা বলে
জানাগেছে, সে মজিদিয়া দাখিল মাদরাসার ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী তাকে টাকার লোভ
দেখিয়ে ৫ম শ্রেনীর পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। ৫ম শ্রেনীর পরীক্ষার্থী সিফা
মনি, আনিকা সুলতানা, সিফা আক্তার জানান, তারা কোন পোশাক পত্র পায়নি। ৪র্থ
শ্রেনীর পরীক্ষার্থী মুসলিমা জানান, কোন পোশাকপত্র পাইনি। ৫ম শ্রেনীর
পরীক্ষার্থী বুলবুল আক্তার জানান, সে তৈয়্যবিয়া মাদরাসার ছাত্রী ৫ম
শ্রেনীতে এ প্লাস পেয়েছিল তাকে টাকা দিয়ে আনন্দস্কুলের পরীক্ষায় অংশ গ্রহন
করিয়েছে। পুরানবাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা হলরুমে দেখাগেছে,
পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী প্রতিষ্টান ১১টি পরীক্ষার্থী উপস্থিত সংখ্যা ৯১ জন।
৫ম শ্রেনীর পরীক্ষার্থী মুন্নি আক্তার, তুহিন, সাদিয়া, ইমতিয়াজ জানান, তারা
কোন ধরনের পোশাকপত্র ও কোন টাকা পায়নি। আনন্দ স্কুলের মাইজপাড়া ৫নং
কেন্দ্রের ফাতেমা বেগম নামে এক শিক্ষিকা আনন্দস্কুলের শিক্ষকের খাতায় নাম
লিখিয়ে তৈয়্যবিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। গনমাধ্যমকর্মী টিম ১১টা ৪৩
মিনিটের সময় রাজঘাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে এসে দেখা
গেছে আনন্দ স্কুলের কোন পরীক্ষার্থী ও শিক্ষক ছিল না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
কয়েক জনপ্রতিনিধি জানান, মহিলা মেম্বার ছকুন তাজ ও হাসিনা বেগম ইউনিয়ন
পরিষদ থেকে নামে-বেনামে জনগন ও এলাকার উন্নয়নের লক্ষ লক্ষ টাকা আতসাৎ করে
নির্বাচিত এলাকার জনগনকে বোকা বানিয়েছে পাশাপাশি মেম্বারের সাইনবোর্ড
ব্যবহার করে আনন্দস্কুলের শিক্ষকের খাতায় নাম দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পোশাক সহ
কেন্দ্রের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এলাকার সচেতন মহল জানান,
মাতারবাড়িতে সকল আনন্দস্কুলের প্রতিনিধি দাবী করত টিসি আব্দুল লতিফের সাথে
গোপন আতাঁত করে ছকুন তাজ, হাসিনা ও মেহেদী নামক লোকেরা আনন্দ স্কুলের প্রায়
১০ লক্ষাধিক টাকা লুটেপুটে খাচ্ছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment