এ.কে,এম বেলাল উদ্দিন,চকরিয়াঃ
লামা উপজেলাধীন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সানমার কোম্পানীর মালিকাধীন রাবার
বাগানে হাতি হত্যার ঘটনার ৬দিন হওয়ার পর অবশেষে মঙ্গলবার মৃত হাতির কঙ্কাল
উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের রাবার বাগান মালিক ও
জনগনের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনে জড়িতরা নড়েচড়ে বসতে শুরু
করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সুত্রে। স্থানীয় লোকজন জানান, লামা উপজেলার
ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ডলুর ঝিরি এলাকায় বিশাল একটি রাবার বাগান রয়েছে
সানমার কোম্পানির। এ বাগানের ভেতর প্রায় সময় বন্যহাতি আক্রমণ চালিয়ে
গাছ-গাছালি ÿতিসাধন করে থাকে। এসব হাতির পাল তাড়াতে কুমারী এলাকার এক
ব্যক্তিকে পাহারাদার নিয়োগ দেয় সানমার কোম্পানী। সর্বশেষ গত ২৪ আগষ্ট রাতে
একটি বন্য হাতি পাল ওই বাগানে হানা দেয়। এতে পাহারাদারে দায়িত্ব থাকা লোকটি
হাতির পালকে লÿ্য করে রাউন্ড গুলি বর্ষণ করলে একটি হাতি গুলিবিদ্ধ হয়ে
বাগানের লাল পাহাড়ের দÿিণ স্থানের ঝিরিতে লুটিয়ে পড়ে। এলাকাবাসি জানায়,
বাগানের ভেতর গুলি করে হাতি হত্যার এ ঘটনা জানাজানি হলে ওইদিন ভোরে বাগানে
শ্রমিকরা মৃত্যু হাতিটি কৌশলে মাটিতে পুঁেত ফেলে। পরদিন পুলিশ, বন বিভাগ ও
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা খবর পেয়ে মৃত্যু হাতিটিকে খুঁজতে ওই এলাকায় যায়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই সময় বাগানে কর্মরত শ্রমিকরা সকলে পালিয়ে
যায়। বাগানের বিভিন্ন জায়গায় তলøাশি চালিয়ে মৃত্যু হাতির সন্ধান না পেয়ে
প্রশাসনের লোকজন স্থান ত্যাগ করে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন জানান, গত দুইদিন
ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার পর মঙ্গলবার বাগানের দÿিনে ঝিরির মাটি সড়ে গেলে
মৃত্যু হাতিটির কঙ্কাল ভেসে উঠে। এরপর ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার বিপুল
নারী পুরুষ সেখানে মৃত্যু হাতিটি দেখতে ভিড় জমায়। সানমার রাবার বাগানের
ম্যানেজার মুফিজুর রহমান বলেন, আমাদের বাগানের ভেতর এ রকম কোন ঘটনা ঘটেনি।
এমনকি আমার বাগানের কোন শ্রমিক হাতি হত্যার সাথে জড়িত নেই। তবে তার ধারনা
বাগানের জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপÿের লোকজন হাতিটি হত্যা করে
সানমার কোম্পানীকে ফাঁসানোর জন্য কৌশলে এ ন্যাক্কার জনক ঘটনাটি জন্ম
দিয়েছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment