মহেশখালী পল্লী বিদ্যুৎ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ
মহেশখালী প্রতিনিধি ঃ
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে পৌছানোর লক্ষ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছানোর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারই মাঝে সরকারের ভাবমুর্তি নষ্টকারী ও দুর্নীতিবাজ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজের সামান্য সুখ ভোগের জন্য জনগনের সুবিধা বঞ্জিত করে সরকারের দুর্নাম ছড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ধারাবাহিকতায় মহেশখালী পল্লী বিদ্যুত সমিতির ওয়ারেন্ট পরিদর্শক জামায়াত ক্যাডার জাকির হোছেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ও এজিএম’র নাম ভাঙ্গিয়ে তার লালিত কিছু দালাল (ইলেকট্রশিয়ান) দের সিন্ডিকেট করে গ্রাহকদের নানান হয়রানী করে যাচ্ছে। ভোক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যমতে, পল্লী বিদ্যুত অফিসে কোন গ্রাহক মিটার অথবা ওয়ারেন্টের জন্য আবেদন করলে তখন পরিদর্শক জাকির হোসেন ডিজিএম এর নাম ভাঙ্গিয়ে মিটার আবেদন কারীর কাছ থেকে ১০০০ হাজার থেকে ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে মিটার কাগজ বৈধ করে আর যারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তাদেরকে আজ নয় কাল বলে কেক্ষন করে হয়রানী করার অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তভোগী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরীর বাড়ির একটি মিটারের জন্য টাকা না দেওয়ায় প্রায় ২/৩ মাস ঘুরিয়েছে সর্বশেষ আওয়ামীলীগের একটি প্রতিনিধি দল পল্লী বিদ্যুত অফিসে গিয়ে ডিজিএম’র মাধ্যমে মিটারের আবেদন কার্যক্রম শেষ করেন।পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ও এজিএম’র মোবাইল নাম্বারে ফোন করা হলে ও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মহেশখালী প্রতিনিধি ঃ
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে পৌছানোর লক্ষ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছানোর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারই মাঝে সরকারের ভাবমুর্তি নষ্টকারী ও দুর্নীতিবাজ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজের সামান্য সুখ ভোগের জন্য জনগনের সুবিধা বঞ্জিত করে সরকারের দুর্নাম ছড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ধারাবাহিকতায় মহেশখালী পল্লী বিদ্যুত সমিতির ওয়ারেন্ট পরিদর্শক জামায়াত ক্যাডার জাকির হোছেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ও এজিএম’র নাম ভাঙ্গিয়ে তার লালিত কিছু দালাল (ইলেকট্রশিয়ান) দের সিন্ডিকেট করে গ্রাহকদের নানান হয়রানী করে যাচ্ছে। ভোক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যমতে, পল্লী বিদ্যুত অফিসে কোন গ্রাহক মিটার অথবা ওয়ারেন্টের জন্য আবেদন করলে তখন পরিদর্শক জাকির হোসেন ডিজিএম এর নাম ভাঙ্গিয়ে মিটার আবেদন কারীর কাছ থেকে ১০০০ হাজার থেকে ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে মিটার কাগজ বৈধ করে আর যারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তাদেরকে আজ নয় কাল বলে কেক্ষন করে হয়রানী করার অসংখ্য অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তভোগী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা চৌধুরীর বাড়ির একটি মিটারের জন্য টাকা না দেওয়ায় প্রায় ২/৩ মাস ঘুরিয়েছে সর্বশেষ আওয়ামীলীগের একটি প্রতিনিধি দল পল্লী বিদ্যুত অফিসে গিয়ে ডিজিএম’র মাধ্যমে মিটারের আবেদন কার্যক্রম শেষ করেন।পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম ও এজিএম’র মোবাইল নাম্বারে ফোন করা হলে ও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

No comments:
Post a Comment