![]() |
| চট্টগ্রামের মুরাদপুরের আড়তে চামড়ায় লবণ দিচ্ছেন ট্যানারি শ্রমিকেরা l প্রথম আলো |
সাড়ে
পাঁচ লাখ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে গতকাল পর্যন্ত সংগৃহীত হয়েছে চার লাখ
নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দাম দিয়েও চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চামড়া
সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছেন না আড়তদারেরা। গত শুক্রবার ঈদুল
আজহা উদ্যাপিত হওয়ার পর গতকাল রোববার পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দেড় লাখ
কম চামড়া সংগৃহীত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে আরও কিছু চামড়া সংগ্রহ হলেও তাতে
লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না বলেই মনে করছেন আড়তদারেরা।
এদিকে চাহিদা অনুযায়ী চামড়া না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহে নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুণ দামও গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। আর তাতে লোকসানের শঙ্কা পেয়ে বসেছে তাঁদের। এবার কোরবানি কম হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী চামড়া মিলছে না বলে জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।
চামড়া ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদুল আজহায় এবার চট্টগ্রামে সাড়ে পাঁচ লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সাড়ে চার লাখ গরুর চামড়া, ৯০ হাজার ছাগল ও ১০ হাজার মহিষের চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল।
কিন্তু চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সেকান্দর প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গতকাল পর্যন্ত গরু, মহিষ ও ছাগল মিলিয়ে প্রায় চার লাখ চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। কেন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার গরু কম এসেছে। তাই দাম বেশি হওয়ায় এককভাবে কোরবানি না দিয়ে কয়েকজন মিলে পশু কোরবানি দিয়েছেন। এ কারণে চামড়া কম পাওয়া গেছে। পাশাপাশি চামড়া কম হওয়ায় দামও বাড়তি দিতে হয়েছে। এ অবস্থায় ঢাকার ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত দাম না দিলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
চামড়া-সংশ্লিষ্ট তিন ব্যবসায়ী সংগঠনের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, এবার ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। আর প্রতি বর্গফুট ছাগলের চামড়ার মূল্য বেঁধে দেওয়া হয় ২০ থেকে ২২ টাকা।
নগরের আতুরার ডিপো এলাকার মোহাম্মদ মুনির আহম্মদ নামের এক আড়তদার বলেন, ‘চামড়া কম হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। তাই আমাদেরও বাধ্য হয়ে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় কিনতে হয়েছে। একইভাবে ছাগলের চামড়ায়ও বাড়তি দাম দিতে হয়েছে।’
মো. রুবেল নামের নগরের চৌমুহনী এলাকার এক মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, প্রতি বর্গফুট ৭০ টাকা দামে কিনে পরে তিনি তা আতুরার ডিপোর আড়তদারদের কাছে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।
একাধিক আড়তদার বলেছে, চামড়া সংগ্রহের আগে থেকেই তাঁরা চামড়া প্রক্রিয়াজাতের জন্য অগ্রিম টাকা বিনিয়োগ করেন। এখন আশানুরূপ চামড়া সংগ্রহ করা না হওয়ায় ওই বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।
এদিকে বর্তমানে চট্টগ্রামে কোনো ট্যানারি চালু নেই। সর্বশেষ গত বছর দুটি ট্যানারি চালু থাকলেও পরিবেশদূষণের দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তর সেগুলোও বন্ধ করে দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের আড়তদারদের ঢাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের প্রতি তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।
এদিকে চাহিদা অনুযায়ী চামড়া না পাওয়ায় চামড়া সংগ্রহে নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুণ দামও গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। আর তাতে লোকসানের শঙ্কা পেয়ে বসেছে তাঁদের। এবার কোরবানি কম হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী চামড়া মিলছে না বলে জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।
চামড়া ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদুল আজহায় এবার চট্টগ্রামে সাড়ে পাঁচ লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সাড়ে চার লাখ গরুর চামড়া, ৯০ হাজার ছাগল ও ১০ হাজার মহিষের চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য ছিল।
কিন্তু চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সেকান্দর প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, গতকাল পর্যন্ত গরু, মহিষ ও ছাগল মিলিয়ে প্রায় চার লাখ চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। কেন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার গরু কম এসেছে। তাই দাম বেশি হওয়ায় এককভাবে কোরবানি না দিয়ে কয়েকজন মিলে পশু কোরবানি দিয়েছেন। এ কারণে চামড়া কম পাওয়া গেছে। পাশাপাশি চামড়া কম হওয়ায় দামও বাড়তি দিতে হয়েছে। এ অবস্থায় ঢাকার ব্যবসায়ীরা পর্যাপ্ত দাম না দিলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
চামড়া-সংশ্লিষ্ট তিন ব্যবসায়ী সংগঠনের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, এবার ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। আর প্রতি বর্গফুট ছাগলের চামড়ার মূল্য বেঁধে দেওয়া হয় ২০ থেকে ২২ টাকা।
নগরের আতুরার ডিপো এলাকার মোহাম্মদ মুনির আহম্মদ নামের এক আড়তদার বলেন, ‘চামড়া কম হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও বেশি দামে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। তাই আমাদেরও বাধ্য হয়ে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় কিনতে হয়েছে। একইভাবে ছাগলের চামড়ায়ও বাড়তি দাম দিতে হয়েছে।’
মো. রুবেল নামের নগরের চৌমুহনী এলাকার এক মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, প্রতি বর্গফুট ৭০ টাকা দামে কিনে পরে তিনি তা আতুরার ডিপোর আড়তদারদের কাছে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।
একাধিক আড়তদার বলেছে, চামড়া সংগ্রহের আগে থেকেই তাঁরা চামড়া প্রক্রিয়াজাতের জন্য অগ্রিম টাকা বিনিয়োগ করেন। এখন আশানুরূপ চামড়া সংগ্রহ করা না হওয়ায় ওই বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।
এদিকে বর্তমানে চট্টগ্রামে কোনো ট্যানারি চালু নেই। সর্বশেষ গত বছর দুটি ট্যানারি চালু থাকলেও পরিবেশদূষণের দায়ে পরিবেশ অধিদপ্তর সেগুলোও বন্ধ করে দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের আড়তদারদের ঢাকার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের প্রতি তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment