Wednesday, October 28, 2015

১৫ নভেম্বরের মধ্যে সিম নিবন্ধন শেষ করতে হবে

আপনার সিমটি কি ২০১২ সাল বা এর পর কেনা? তাহলে আপনাকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যেই সিমটি নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। না হলে সেটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে গ্রাহক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারলে বন্ধ সিম চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মুঠোফোন থেকে খুদে বার্তা পাঠিয়ে সিম নিবন্ধনের তথ্য সম্পর্কে যেমন জানা যাবে, আবার সংশ্লিষ্ট মুঠোফোন অপারেটরের ওয়েবসাইটে গিয়েও সিমটি সঠিকভাবে নিবন্ধিত কি না, তা জানা যাবে।
২০১২ সালের পরবর্তী সময়ে কেনা সিমের জন্য গ্রাহকেরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে এ সুযোগটি নিতে পারবেন। এ জন্য গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল ও টেলিটক গ্রাহকদের মুঠোফোনের খুদে বার্তায় ইংরেজিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্মতারিখ, পূর্ণ নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হবে। সিটিসেল গ্রাহকদের খুদে বার্তায় ইংরেজি U লিখে তারপর জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ, পূর্ণ নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি খুদে বার্তায় নিবন্ধন-সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন গ্রাহক। খুদে বার্তা পাঠানোর জন্য গ্রাহকের কোনো খরচ লাগবে না।
আর ২০১২ সালের আগে কেনা সিমের নিবন্ধন সম্পর্কে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে খুদে বার্তা পাঠানো শুরু করেছে অপারেটররা, যা ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
আগামী ১ নভেম্বর থেকে মুঠোফোন অপারেটরদের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার বা কাস্টমার কেয়ারে আঙুলের ছাপ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়ার বিষয়টিও জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এ পদ্ধতি পুরোদমে চালু হবে।
১৮ বছরের কম বয়সীদের সিম নিবন্ধনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, এমন কারও কাছে সিম বিক্রি করা যাবে না, আগে থেকে কেনা থাকলে তা নিবন্ধন করা যাবে না। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য তাদের অভিভাবকদের নামে নিবন্ধন করতে হবে।

No comments:

Post a Comment