শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর প্রতিনিধি, কক্সবাজার
সৎ মায়ের অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে ঘর ছেড়ে আসা নবম শ্রেণিতে পড়–য়া স্কুল ছাত্রি কুলসুমা অপহরন নাটকের অবসান ঘটেছে। জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বোয়ালখালী গ্রামের আবদুল মালেকের কন্যা ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রি। সে গত ৮ অক্টোবর ঘর ছেড়ে একা বেরিয়ে এসে একই স্কুলের এক শিক্ষিকার বাসায় আশ্রয় নেয়। এদিকে এ ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষ বা কাউকে না জানিয়ে তার পিতা কক্সবাজার আদালতে একটি অপহরন মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ছাত্রির আপন মামা মমতাজ আহমদ সহ বেশ কয়েকজনকে আসামী করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় ছাত্রিকে ১৭ অক্টোবর রাতে উদ্ধার করে পুলিশের (এস আই জাহাঙ্গীর) কাছে সোপর্দ করা হয় এবং উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মুখে পুলিশ তাকে তার পিতার কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে কুলসুমা জানায় তাকে কেউ অপহরন করেনি। সে তার ৩য় সৎ মা’র নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে শিক্ষিকার বাসায় চলে আসে। তখন পুলিশ শিক্ষিকা নুর জাহান সহ পক্ষে বিপক্ষের কাছ হতে স্বাক্ষ্য নিয়ে নিশ্চিত হন এটি কোন অপহরনের ঘটনা নয়। জানা যায়, আবদুল মালেক পেশায় একজন লবণ শ্রমিক। সে পর পর ৩ টি বিয়ে করে। ১ম দু’টি তালাক দেয়ার পর ৩য় স্ত্রী নিয়ে সংসার করছে। এর মধ্যে কুলসুমা ১ম সংসারের সন্তান। সে সহ আরো ২ জন বর্তমানে সৎ মায়ের বাসায় রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে প্রায়শ: সৎ মা কুলসুমার প্রতি শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। সে নিরবে নিভৃতে এসব সহ্য করে দিন কাটাচ্ছে। সে আরো জানায় তাকে দেয়া হয় না পেট ভরে খাবার। এমনকি পড়তে দেয়া হয়না ভালো কাপড়চোপড়। অনেকবার সে না খেয়ে স্কুলে এসেছে। তাকে তার সৎ-মা লেখাপড়া না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। সে লেখাপড়া করতে চায়। কিন্তু এ পরিবারে তার লেখাপড়া অসম্ভব এবং জীবন ঝুকিপূর্ন বলে সে জানায়। শিক্ষিকা নুর জাহান জানান, হঠাৎ ওই ছাত্রি বাসায় আসে এবং আশ্রয় চায়। তার অবস্থা শুনে মানবিক কারনে আশ্রয় দেয়া হয়েছে এবং তার ব্যাপার নিয়ে পিতার বাড়ির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানোর সময় মামলার খবর পাই। ঈদগাও পুলিশের উপ-পরিদর্শক (আইসি) মিনহাজ মাহমুদ জানান, এ সংক্রান্ত অপহরন মামলার সংবাদ এখনো (১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে) পাইনি। তবে এটি অহরনের ঘটনা নয় বলে তিনি জানান। ছাত্রির পিতা জানান, আমার মেয়ে অপহরন হয়েছে সন্দেহে মামলা করেছি এবং তা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারিনি। এদিকে সংঘটিত ঘটনাকে ঘিরে কতিপয় কুচক্রীমহল ফায়দা হাসিলের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়েছিল বলে ভিন্ন সূত্রে প্রকাশ।
সৎ মায়ের অমানুষিক নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে ঘর ছেড়ে আসা নবম শ্রেণিতে পড়–য়া স্কুল ছাত্রি কুলসুমা অপহরন নাটকের অবসান ঘটেছে। জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বোয়ালখালী গ্রামের আবদুল মালেকের কন্যা ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির নিয়মিত ছাত্রি। সে গত ৮ অক্টোবর ঘর ছেড়ে একা বেরিয়ে এসে একই স্কুলের এক শিক্ষিকার বাসায় আশ্রয় নেয়। এদিকে এ ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষ বা কাউকে না জানিয়ে তার পিতা কক্সবাজার আদালতে একটি অপহরন মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ছাত্রির আপন মামা মমতাজ আহমদ সহ বেশ কয়েকজনকে আসামী করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় ছাত্রিকে ১৭ অক্টোবর রাতে উদ্ধার করে পুলিশের (এস আই জাহাঙ্গীর) কাছে সোপর্দ করা হয় এবং উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মুখে পুলিশ তাকে তার পিতার কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে কুলসুমা জানায় তাকে কেউ অপহরন করেনি। সে তার ৩য় সৎ মা’র নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে শিক্ষিকার বাসায় চলে আসে। তখন পুলিশ শিক্ষিকা নুর জাহান সহ পক্ষে বিপক্ষের কাছ হতে স্বাক্ষ্য নিয়ে নিশ্চিত হন এটি কোন অপহরনের ঘটনা নয়। জানা যায়, আবদুল মালেক পেশায় একজন লবণ শ্রমিক। সে পর পর ৩ টি বিয়ে করে। ১ম দু’টি তালাক দেয়ার পর ৩য় স্ত্রী নিয়ে সংসার করছে। এর মধ্যে কুলসুমা ১ম সংসারের সন্তান। সে সহ আরো ২ জন বর্তমানে সৎ মায়ের বাসায় রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে প্রায়শ: সৎ মা কুলসুমার প্রতি শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। সে নিরবে নিভৃতে এসব সহ্য করে দিন কাটাচ্ছে। সে আরো জানায় তাকে দেয়া হয় না পেট ভরে খাবার। এমনকি পড়তে দেয়া হয়না ভালো কাপড়চোপড়। অনেকবার সে না খেয়ে স্কুলে এসেছে। তাকে তার সৎ-মা লেখাপড়া না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। সে লেখাপড়া করতে চায়। কিন্তু এ পরিবারে তার লেখাপড়া অসম্ভব এবং জীবন ঝুকিপূর্ন বলে সে জানায়। শিক্ষিকা নুর জাহান জানান, হঠাৎ ওই ছাত্রি বাসায় আসে এবং আশ্রয় চায়। তার অবস্থা শুনে মানবিক কারনে আশ্রয় দেয়া হয়েছে এবং তার ব্যাপার নিয়ে পিতার বাড়ির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানোর সময় মামলার খবর পাই। ঈদগাও পুলিশের উপ-পরিদর্শক (আইসি) মিনহাজ মাহমুদ জানান, এ সংক্রান্ত অপহরন মামলার সংবাদ এখনো (১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে) পাইনি। তবে এটি অহরনের ঘটনা নয় বলে তিনি জানান। ছাত্রির পিতা জানান, আমার মেয়ে অপহরন হয়েছে সন্দেহে মামলা করেছি এবং তা স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারিনি। এদিকে সংঘটিত ঘটনাকে ঘিরে কতিপয় কুচক্রীমহল ফায়দা হাসিলের ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়েছিল বলে ভিন্ন সূত্রে প্রকাশ।

No comments:
Post a Comment