Saturday, November 14, 2015

কক্সবাজারে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

কক্সবাজারে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন
বিশেষ প্রতিবেদক ||
কক্সবাজার সদরে ভারুয়াখালীতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন করছে প্রেমিকা। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ণিত ইউনিয়নের করিম সিকদার পাড়া গ্রামে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রেমিকাকে তাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে প্রেমিক পক্ষ। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বড় ধলিরছড়া গ্রামের এক মেয়ের সাথে ভারুয়াখালীর করিম সিকদার পাড়া গ্রামের কবির আহমদের পুত্র মোস্তফিজ নামের এক ব্যক্তির সাথে দীর্ঘদিন সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ নিতে প্রেমিকা গভীর রাতে মোস্তফিজের বাড়ীতে চলে যায়। প্রেমিক পক্ষের আত্মীয়-স্বজন জানায়, তাদের দুজনের দীর্ঘদিন সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে মোস্তফিজ বিদেশ চলে যায়। সেখানেও তাদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ ছিল। প্রেমিক মোস্তফিজ বিদেশ থেকে ঐ প্রেমিকাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে তার পরিবার এতে সম্মতি জ্ঞাপন করে। এমনকি প্রেমিকার বাড়ীতে প্রেমিক মোস্তফিজ প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া ও দৈহিক সম্পর্ক গড়েছে বলে শালিসকারদের সামনে উক্ত প্রেমিকার অকপটে স্বীকার করে। সম্প্রতি মোস্তফিজ দেশে এসে পাত্রী খোঁজতে থাকলে পূর্বের প্রেমিকা খবর পেয়ে গতকাল বৃহষ্পতিবার প্রেমিকের বাড়ীতে চলে যায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে উক্ত প্রেমিকাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালালেও শেষ পর্যন্ত করতে পারেনি প্রেমিক মোস্তফিজের পরিবার। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দিলে তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ইমাম হোসেন তাকে ঘর থেকে বের করে দেয় এবং পরদিন জুমাবার উভয়পক্ষকে শালিসে বসার অনুরোধ জানিয়ে ফিরে আসে। ঐদিন জুমাবার যথানিয়মে উভয়পক্ষ লোকজন নিয়ে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে শালিসে বসে। প্রেমিক পক্ষকে এক তরফা রায় দিয়ে প্রেমিকা পক্ষকে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ তুলেন কথিত প্রেমিকার স্বজনরা। তারা আরো জানান, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ইমাম হোসেন ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদেরকে বশ করিয়েছে। এ ব্যাপারে মোস্তফিজের বাবা কবির আহমদ জানান, ঐ মেয়েটির সাথে পুত্রের সম্পর্ক ছিল তা জানা ছিল না। বৃহষ্পতিবার বাড়ীতে চলে আসলে বিষয়টি টের পাই। এ ব্যাপারে উক্ত এএসআইর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আপোষ মিমাংসার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে এলাকার লোকজনের দাবী, একজন নারীর সম্মানহানির মূল্য কি মোটা অংক, নাকি অন্যকিছু? তারা বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

No comments:

Post a Comment