আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছে আওয়ামী লীগ,
বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিদল। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির পক্ষ
থেকে নির্বাচনী প্রচারণায় এমপিদের সুযোগ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে
বিএনপি এর বিরোধিতা করেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন পেছানোর দাবি
জানানো হয়েছে। এসব দাবির বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আজ সিদ্ধান্ত জানাবে বলে
জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ। দুপুর সাড়ে
১২টায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের নেতৃত্বে
একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে
বৈঠকের পর মাহবুব-উল আলম হানিফ সাংবাদিকদের বলেন, পৌর নির্বাচনের বিদ্যমান
আচরণবিধিতে সংসদ সদস্যদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা থাকায়
তাদের ‘অবলিগেশন’ তুলে ধরা হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। সংসদ সদস্যরা কোন
এক্সিকিউটিভ পাওয়ার হোল্ড করেন না, সরকারের সুবিধা ভোগ করেন না। দলভিত্তিক
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণায় যাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এ
জন্য বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা রহিত করে প্রচারণার সুযোগ দিতে বলেছি আমরা।
নির্বাচন পেছানোর বিএনপির দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসি চাইলে তা কনসিডার
করতে পারে। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
ডা. দীপুমনি, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ
চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট
আফজাল হোসেন।
এদিকে দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম ওসমান ফারুকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। সিইসি কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠক শেষে ওসমান ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণায় সুযোগ না রাখার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। তিনি বলেন, এছাড়া আমরা পৌর নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোসহ গ্রেপ্তার দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছি। কারণ তাদের মুক্তি না দিলে নির্বাচনে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। ওসমান ফারুক আরও বলেন, জবাবে ইসি বলেছেন, নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। তবে নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার বিষয়টি আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।ওদিকে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (এরশাদ)। এছাড়া, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য আরও ১০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। আজ বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য ১০ দিন সময় বাড়ানো এবং প্রচারণায় সংসদ সদস্যদের সুযোগের বিধান রাখার আহ্বান জানান। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে বেরিয়ে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু উপস্থিত সাংবাদিকদের বিষয়টি অবহিত করেন। আমরা চাই সকল রাজনৈতিক দল পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিক। ইসিকে আমরা বলেছি, মনোনয়নপত্র সাবমিট করার যে সময়টা তা বাড়িয়ে দেয়া এবং এমপিদের প্রচারণার সুযোগ রাখার কথা বলেছি। ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম ওসমান ফারুকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। সিইসি কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বৈঠক শেষে ওসমান ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণায় সুযোগ না রাখার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। তিনি বলেন, এছাড়া আমরা পৌর নির্বাচন ১৫ দিন পেছানোসহ গ্রেপ্তার দলীয় নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছি। কারণ তাদের মুক্তি না দিলে নির্বাচনে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। ওসমান ফারুক আরও বলেন, জবাবে ইসি বলেছেন, নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। তবে নির্বাচনে এমপিদের প্রচারণার বিষয়টি আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।ওদিকে এমপিদের প্রচারণার সুযোগ রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (এরশাদ)। এছাড়া, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য আরও ১০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। আজ বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য ১০ দিন সময় বাড়ানো এবং প্রচারণায় সংসদ সদস্যদের সুযোগের বিধান রাখার আহ্বান জানান। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে বেরিয়ে জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু উপস্থিত সাংবাদিকদের বিষয়টি অবহিত করেন। আমরা চাই সকল রাজনৈতিক দল পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিক। ইসিকে আমরা বলেছি, মনোনয়নপত্র সাবমিট করার যে সময়টা তা বাড়িয়ে দেয়া এবং এমপিদের প্রচারণার সুযোগ রাখার কথা বলেছি। ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment