বাংলাদেশ-ভারত দ্বি-পাক্ষিক সীমান্ত বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে
দিনাজপুরে। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কেন্দ্র কাঞ্চনে আজ সকাল ১০টায় শুরু হয় এ
সম্মেলন। এ দ্বি-পাক্ষিক সীমান্ত বিষয়ক সম্মেলনে বাংলাদেশের ৯টি জেলা ও
ভারতের ৬টি জেলার জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার এবং
সীমান্তরক্ষীদের প্রতিনিধিগণ অংশ নেন। সম্মেলনে উভয় দেশের সীমান্ত সমস্যার
সমাধান, ভারত-বাংলাদেশ অংশের হিলি স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন,
ব্যবসা-বাণিজ্য ত্বরান্বিত, অবৈধ অনুপ্রবশ রোধ, মাদক ও চোরাচালান বন্ধ,
অহেতুক গুলি বর্ষণ করে মানুষ হত্যা বন্ধ, বন্দিপ্রত্যর্পণ, বর্ডার হাট
স্থাপন, সিএস রেকর্ড হন্তান্তর, জমি সংক্রান্তসহ প্রায় ২০টি বিষয় নিয়ে উভয়
দেশের সীমান্ত সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের লক্ষ্যে প্রণয়ন আলোচনায় স্থান
পায় বলে দিনাজপুরের জেলা প্রসাশাসক মীর খায়রুল আলম জানিয়েছেন। তিনি জানান,
সম্মেলনে ভারতের ৬টি জেলার ডিএম, পুলিশ সুপার ও বিএসএফ কমান্ডার এবং
বাংলাদেশের দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়,
নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং
বিজিবি কমান্ডারগণ এই সীমান্ত সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন।ভারতের দলের
নেতৃত্বকারী দক্ষিণ দিনাজপুর ডিএম তাপস চৌধুরী সাংবাদিকদের জানায়, সম্মেলনে
ভারতের ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এরা হলেন ভারতের জলপাইগুড়ি
জেলার ডিএম পৃথা সরকার, এসপি আকাশ মাঘারিয়া, দার্জিলিং জেলার ডিএম অনুরাজ
শ্রিবাস্তব, এসপি অমিত পি জাভালজি, মালদা জেলার ডিএম শরদ কর্মকার, এসপি
প্রসুন বন্দোপাধ্যায়, উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিএম রনধীর কুমার, এসপি সৈয়দ
ওয়াকার, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিএম তাপস চৌধুরী, এসপি শিশরাম জাজারিয়া,
কোচবিহার জেলার ডিএম ডক্টর পি উলাঙ্গানাথান, এসপি রাজেশ কুমার এবং
শিলিগুড়ি জেলার ডিসিপি শিয়াম সিং। ভারতের মালদা জেলার এসপি প্রসুন
বন্দোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, সীমান্ত সম্মেলনে ভারতের উত্তরবঙ্গের
সাতটি জেলার ডিএম এসপিরা এখানে এসেছি। সীমান্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে
আলোচনা হয়েছে। সৌহার্দ বিনিময়ের মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment